[Valid RSS]
August 18, 2022, 12:52 am
Treanding
Wasfia Nazreen returned home after conquering ‘Chhogori-K2’ Globe witnessing strongest heat wave in six decades জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাণী   Unscrupulous traders are taking advantage of fuel price hike: Tipu realme is Entering the Second Stage of Growth : Sky Li, realme CEO APAC Outlook : Surviving the Year’s Rocky and Uneven Start APAC Chartbook: The Power of Prices Delta Brac Housing Finance Corp. Ltd gets new name DBH Finance PLC US wants to prolong Ukraine conflict : Putin Russian President addressed 10th Moscow Conference on International Security Russia warns of ‘direct military clash’ with US Explosions rock Crimea : Ukrainian attack suspected আন্তঃ ক্যান্টনমেন্ট বিতর্ক প্রতিযোগিতা- ২০২২ এর উদ্বোধন উত্তরার বিআরটি প্রকল্পের দুর্ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের  চা-শ্রমিকদের নিকট গ্রহণযোগ্য যৌক্তিক মজুরি নির্ধারণের আহবান টিআইবির Prayers offered for Bangabandhu at PMO Launch fare increased by 30 percent ECNEC approves 6 projects involving Tk 2,504.75cr Experts suggested reassessment of the country’s maternal, child health programs & policies Russia and UN discuss crisis at nuclear plant

কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাণী

Bangladesh Beyond
  • Updated on Tuesday, July 26, 2022
  • 72 Impressed

কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাণী

 

 

 

কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

 

 

ঢাকা ২৬ জুলাই ২০২২ :

 

            প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল ২৭ জুলাই ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন : 

“কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রথমবারের মতো ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান করতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানাই। যাঁরা এ স্বীকৃতি পাচ্ছেন তাদেরও জানাচ্ছি আন্তরিক অভিনন্দন। 

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই প্রথম অনুধাবন করেছিলেন জ্ঞাননির্ভর আধুনিক কৃষিই উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রথম সোপান। তাই তিনি স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠনে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালের ভাষণে জাতির পিতা বলেছিলেন, “নতুন করে গড়ে উঠবে এই বাংলা। বাংলার মানুষ হাসবে। বাংলার মানুষ খেলবে। বাংলার মানুষ মুক্ত হাওয়ায় বাস করবে। বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত খাবে। এই আমার জীবনের সাধনা, এই আমার জীবনের কাম্য।” তিনি বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২৫ বিঘা পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফসহ উন্নত কৃষি উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে কৃষি বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন। ১৯৭৩ সালে কৃষির উন্নয়নে অনুপ্রেরণা যোগাতে কৃষি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার’ প্রবর্তনের পাশাপাশি কৃষিবিদদের সরকারি চাকরিতে প্রথম শ্রেণির মর্যাদা প্রদান করেন বঙ্গবন্ধু।

জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সাল থেকে কৃষির আধুনিকীকরণ ও সার্বিক উন্নয়নে কৃষিবান্ধব নীতি ও সময়োপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমরা আধুনিক কৃষি শিক্ষার প্রসারে নতুন নতুন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি করেছি। কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করেছি। একই সাথে জাতীয় কৃষিনীতি-২০১৮ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কৃষি বাতায়ন, কৃষক বন্ধু ফোন সেবা (৩৩৩১), কৃষকের জানালা, কৃষি কল সেন্টার (১৬১২৩) ইত্যাদির মাধ্যমে কৃষকদের সাথে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করেছি। ফলে বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবনসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ভাসমান চাষ, বৈচিত্র্যময় ফসল উৎপাদন, ট্রান্সজেনিক জাত উদ্ভাবন, পাটের জেনোম সিকুয়েন্স উন্মোচন ও মেধাসত্ব অর্জন সম্ভব হয়েছে। বর্তমান সরকার সার, বীজসহ সকল কৃষি উপকরণের মূল্যহ্রাস, কৃষকদের সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগসহ তাঁদের নগদ সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। এসব কর্মসূচির ফলে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। 

আমরা দেশব্যাপী ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। এতে কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার নিরবচ্ছিন্ন, সাশ্রয়ী ও দ্রুত যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণে সফল হয়েছি। এ সেতুর মাধ্যমে নদী বিধৌত উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ও মৎস্য সম্পদ আহরণ এবং সারাদেশে দ্রুত বাজারজাতকরণের ফলে এ অঞ্চলের কৃষি ও কৃষকের জীবনমান আরো উন্নতি হবে। 

আমাদের সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে। ধান, পাট, আম, পেয়ারা, আলু প্রভৃতি ফসল ও ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ শীর্ষ ৮টি দেশের মধ্যে রয়েছে। এ সকল কার্যক্রমে অবদান রাখছেন, তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গকে আজ ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ হিসেবে ঘোষণা ও সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে দেশে কৃষিপেশার মর্যাদা আরো সমুন্নত হবে এবং কৃষির উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। আমাদের লক্ষ্য বর্তমান প্রয়াসকে আরো গতিশীল করে ২০৩০ সালের এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার উন্নত, সুখী, সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা।  

আমি ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি)’ হিসেবে স্বীকৃত সকল ব্যক্তিকে আবারও অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং সে সাথে অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। 

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

 

কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

 

 

 

ঢাকা ২৬ জুলাই ২০২২ :

 

          রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আগামীকাল ২৭ জুলাই ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

          “কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদানের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।

          পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ বাংলাদেশের মানুষের আদি ও অকৃত্রিম পেশা কৃষি। সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা এ দেশের অর্থনীতি ও সংস্কৃতি প্রধানত কৃষিকেন্দ্রিক। আয়তনে ছোটো ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ আজ দানাদার খাদ্যের উদ্বৃত্ত দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। কৃষিতে বাংলাদেশের দৃশ্যমান এ সাফল্যের সূচনা হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে। স্বাধীনতার পরপরই তিনি কৃষির উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠন করেন। তাঁর দেওয়া প্রথম ডেভেলপমেন্ট বাজেটের ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে ১০১ কোটি টাকাই ছিল কৃষি উন্নয়নের জন্য। জাতির পিতার প্রদর্শিত পথেই বর্তমান সরকার কৃষির সার্বিক উন্নয়নে নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে উদ্ভাবিত হচ্ছে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও বৈরী পরিবেশ  উপযোগী বিভিন্ন ধরনের ফসলের জাত ও প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষি আজ ছড়িয়ে পড়েছে তৃণমূলে। কৃষিতে সাফল্যের এ ধারা অব্যাহত রাখতে শস্যের বহুমুখীকরণ ও ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার, কৃষি আধুনিকীকরণ, প্রতিকূলতা সহিষ্ণু নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন এবং লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারে কৃষিবিজ্ঞানী, কৃষক, কৃষি সম্প্রসারণবিদ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।   

          আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে সাফল্য তার মূল বুনিয়াদ গড়ে উঠেছে টেকসই কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর। এক্ষেত্রে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় মুখ্য ভূমিকা রাখছেন কৃষিবিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা, কৃষক, উৎপাদনকারী ও কৃষি সংগঠকগণ। এদের মধ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এআইপি হিসেবে নির্বাচিতদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান কৃষিক্ষেত্রে একটি অনন্য সংযোজন বলে আমি মনে করি। কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যারা ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তাঁদের আমি আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি। এ উদ্যোগ কৃষির সাথে সম্পৃক্ত সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আরো উৎসাহিত করবে এবং কৃষির চলমান অগ্রযাত্রাকে বেগবান করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

          আমি ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে ‍গৃহীত কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।      

জয় বাংলা। খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

Read us@googlenews

 

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond