[Valid RSS]
December 7, 2022, 11:24 pm
Treanding
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

জাতীয় ফল মেলা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাণী 

Bangladesh Beyond
  • Updated on Wednesday, June 15, 2022
  • 259 Impressed

জাতীয় ফল মেলা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাণী 

 

জাতীয় ফল মেলা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

 

ঢাকা ১৫ জুন ২০২২ :

          প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল ১৬ জুন ‘জাতীয় ফল মেলা-২০২২’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

“কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী ১৬-১৮ জুন ‘জাতীয় ফল মেলা -২০২২’ এর আয়োজন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। ফল মেলার এবারের প্রতিপাদ্য- ‘বছরব্যাপী ফল চাষে, অর্থ পুষ্টি দুই-ই আসে’ যৌক্তিক ও সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের সহজলভ্য ও প্রাকৃতিক উৎস হলো ফল। আমাদের মাটি ও জলবায়ু বিভিন্ন রকমের ফল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষিবান্ধব আওয়ামী লীগ সরকারের যুগোপযোগী নীতি ও বাস্তবমুখী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে দেশ দানাদার খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। পাশাপাশি শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদনেও এসেছে ব্যাপক সাফল্য। এখন আমরা সকলের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবারের নিশ্চয়তার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। খাদ্য গ্রহণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম হয়ে বেঁচে থাকা। এজন্য একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ ফল খাওয়া প্রয়োজন। বেশি করে ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে এবং অঞ্চল উপযোগী স্বল্পমেয়াদি, অধিক ফলনশীল ও লাগসই দেশীয় ফলের জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে ফল চাষের আরো সম্প্রসারণ ঘটাতে হবে।

ইতোমধ্যে আমাদের সরকারের বিভিন্ন কৃষিনীতি বাস্তবায়নের ফলে আমরা আজ কাঁঠাল উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয়, আম উৎপাদনে সপ্তম, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম; যা বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে কৃষিপণ্য উৎপাদনের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছে। ফল উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ফলের বাগান গড়ে তোলার সাথে সাথে গ্রামাঞ্চলে, বসতবাড়ির আঙিনায়, রাস্তার ধারে, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় এবং শহরাঞ্চলের ছাদে ফলদ বৃক্ষরোপণ করা যেতে পারে।

আমি আশা করি, ‘জাতীয় ফল মেলা ২০২২’ নতুন প্রজন্মকে বৈচিত্র্যময় ফল সম্পর্কে ধারণা প্রদানসহ তাদের ফলদ বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি স্ট্রবেরি, রাম্বুটান, ড্রাগনফল, এভোকেডো, মিষ্টি তেঁতুল ইত্যাদি বিদেশি ফলের আবাদ বৃদ্ধির জন্যও উদ্যোগ নিতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি চাহিদাপূরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য আমি দেশবাসীকে বেশি করে ফলদ বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানাচ্ছি।

আমি ‘জাতীয় ফল মেলা ২০২২’ –এর সার্বিক সাফল্য কামনা করি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

 

জাতীয় ফল মেলা উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী 

 

ঢাকা ১৫ জুন ২০২২ :

 

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আগামীকাল ১৬ জুন ‘জাতীয় ফল মেলা ২০২২’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

“কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৬ থেকে ১৮ জুন সারাদেশে তিন দিনব্যাপী ‘জাতীয় ফল মেলা ২০২২’ আয়োজনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এবারের জাতীয় ফল মেলার প্রতিপাদ্য ‘বছরব্যাপী ফল চাষে, অর্থ পুষ্টি দুই-ই আসে’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

বর্তমান সরকারের বহুমাত্রিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের ফলে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রায় কৃষিখাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সরকার সবার জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জনগণের পুষ্টি অর্জনে ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের চাহিদাপূরণসহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ফল ও ফলদ বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি ও বারোমাসী ফল স্বাদে, গন্ধে ও পুষ্টিমানের বিচারে তুলনাহীন। দেশে প্রতি বছর ফলের উৎপাদন বাড়ছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়, আমে সপ্তম, পেয়ারায় অষ্টম এবং পেঁপে উৎপাদনে চতুর্দশতম স্থানে রয়েছে। বাজারে বছরব্যাপী মৌসুমি ফলের সরবরাহ জাতীয়ভাবে দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদাপূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। সারাদেশে ফল চাষের জমি বৃদ্ধি, ফলের বাণিজ্যিক বাগান সৃজন, বসতবাড়িতে ফলগাছ রোপণ, উন্নত জাতের ফল উৎপাদনে গবেষণা ও ফল সংগ্রহোত্তর প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

বাংলাদেশের মানুষের চিরাচরিত খাদ্যাভ্যাস বদলে যাচ্ছে। দানাজাতীয় খাদ্য গ্রহণ কমিয়ে ফল, শাকসবজি গ্রহণের আগ্রহ বাড়ছে অনেকের মাঝে। আমি আশা করি, এই ইতিবাচক পরিবর্তন চলমান রাখতে এবং দেশে উৎপাদিত ফল সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সম্যক ধারণা দিতে ‘জাতীয় ফল মেলা ২০২২’ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। আমি বেশি করে ফলদ বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

আমি ‘জাতীয় ফল মেলা ২০২২’ আয়োজনের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

জয় বাংলা। খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

Read us@googlenews

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond