[Valid RSS]
June 29, 2022, 3:23 pm
Headlines
Develop a national framework for projects implementation efficiency & governance: economists Samsung smartphones are available with attractive offers for this Eid Technical Strategic Partner Huawei awarded by bKash প্রাথমিকের শিক্ষকদের অনলাইনে বদলীর কার্যক্রম উদ্বোধন Momen to lead Bangladesh in UN Ocean Conference পবিত্র ইদুল আজহা উপলক্ষ্যে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আগামীকাল Russia and West clash at UN Security Council Oxfam condemns G7 for ‘leaving millions to starve’ Continued arms supplies from US to Ukraine increase threat of further escalation : envoy ৩০ জন নারী উদ্যোক্তার অংশগ্রহণে চলছে আনিসুল হক কোহর্ট উদ্যোক্তা হাট Samsung introduces ‘Meet the Eid’ campaign ahead of Eid with sizzling offers British Council stages Noishobde ’71 BRAC Bank wins four VISA awards Sufferers of false allegation over Padma Bridge deserves compensation: Momen Japan to provide 165,989m Yen to Bangladesh for 3 projects HC orders to form commission to find conspirators against Padma Bridge ২৮ জুন এক নজরে বাংলাদেশ ২৮ জুন কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন New Canadian envoy calls on State Minister for Foreign Affairs কর্মক্ষম ‍যুবশক্তির কর্মসংস্থান না করা গেলে জনমিতিক লভ্যাংশের সুফল ভোগ করা যাবে না
Treanding
Develop a national framework for projects implementation efficiency & governance: economists Samsung smartphones are available with attractive offers for this Eid Technical Strategic Partner Huawei awarded by bKash প্রাথমিকের শিক্ষকদের অনলাইনে বদলীর কার্যক্রম উদ্বোধন Momen to lead Bangladesh in UN Ocean Conference পবিত্র ইদুল আজহা উপলক্ষ্যে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আগামীকাল Russia and West clash at UN Security Council Oxfam condemns G7 for ‘leaving millions to starve’ Continued arms supplies from US to Ukraine increase threat of further escalation : envoy ৩০ জন নারী উদ্যোক্তার অংশগ্রহণে চলছে আনিসুল হক কোহর্ট উদ্যোক্তা হাট Samsung introduces ‘Meet the Eid’ campaign ahead of Eid with sizzling offers British Council stages Noishobde ’71 BRAC Bank wins four VISA awards Sufferers of false allegation over Padma Bridge deserves compensation: Momen Japan to provide 165,989m Yen to Bangladesh for 3 projects HC orders to form commission to find conspirators against Padma Bridge ২৮ জুন এক নজরে বাংলাদেশ New Canadian envoy calls on State Minister for Foreign Affairs কর্মক্ষম ‍যুবশক্তির কর্মসংস্থান না করা গেলে জনমিতিক লভ্যাংশের সুফল ভোগ করা যাবে না Strengthen the Tobacco Control Law: ATMA

দেশে মে মাসে ৫২৮ টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬৪১ জন : প্রতিবেদন

Bangladesh Beyond
  • Updated on Monday, June 6, 2022
  • 62 Impressed

দেশে মে মাসে ৫২৮ টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬৪১ জন : প্রতিবেদন

 

ঢাকা ৬ জুন ২০২২ :

 

গত মে মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫২৮ টি। নিহত ৬৪১ জন এবং আহত ১৩৬৪ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৮৪, শিশু ৯৭।

২৪৭ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২৭৯ জন, যা মোট নিহতের ৪৩.৫২ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪৬.৭৮ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১১৯ জন পথচারী নিহত হয়েছে, যা মোট নিহতের ১৮.৫৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৯১ জন, অর্থাৎ ১৪.১৯ শতাংশ।

এই সময়ে ৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছে এবং ২ জন নিখোঁজ রয়েছে। ১৩টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের চিত্র:

দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ২৭৯ জন (৪৩.৫২%), বাস যাত্রী ৫৭ জন (৮.৮৯%), ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি-ক্রেনগাড়ি আরোহী ৩৯ জন (৬.০৮%), মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-পুলিশ জীপ যাত্রী ২৩ জন (৩.৫৮%), থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-অটোরিকশা-অটোভ্যান-টেম্পু-লেগুনা) ৯৪ জন (১৪.৬৬%), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-মাহিন্দ্র-টমটম)১৩ জন (২.০২%) এবং বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা-প্যাডেল ভ্যান আরোহী ১৭ জন (২.৬৫%) নিহত হয়েছে।

দুর্ঘটনা সংঘটিত সড়কের ধরন:

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ২১৭টি (৪১.০৯%) জাতীয় মহাসড়কে, ১৯১টি (৩৬.১৭%) আঞ্চলিক সড়কে, ৭৪টি (১৪%) গ্রামীণ সড়কে এবং ৪৬টি (৮.৭১%) শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে।

 দুর্ঘটনার ধরন:

দুর্ঘটনাসমূহের ১১১টি (২১.০২%) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২১৪টি (৪০.৫৩%) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১২৩টি (২৩.২৯%) পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া, ৬১টি (১১.৫৫%) যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ১৯টি (৩.৫৯%) অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহন:

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে- ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ ২২.৯৭%, ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি-তেলবাহী ট্যাঙ্কার ২.৯৫%, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-জীপ-পুলিশ পিকআপ ৪.৫৯%, যাত্রীবাহী বাস ১৫.৯৭%, মোটরসাইকেল ২৯.২১%, থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-লেগুনা-টেম্পু) ১৫.৭৫%, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন-(নসিমন-ভটভটি-আলমসাধু-মাহিন্দ্র-টমটম) ৩.৬১%, বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা-প্যাডেল ভ্যান ৩.৮২% এবং অন্যান্য (পাওয়ারটিলার-ধানমাড়াইয়ের মেশিন গাড়ি-ডাম্পার-ক্রেনগাড়ি-ট্রেন) ০.৯৮%।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা:

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা ৯১৪ টি। (ট্রাক ১৫২, বাস ১৪৬, কাভার্ডভ্যান ১৯, পিকআপ ৩৯, ট্রলি ৮, লরি ৪, ট্রাক্টর ১৪, তেলবাহী ট্যাঙ্কার ১, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ময়লাবাহী ট্রাক ১, মাইক্রোবাস ১৮, প্রাইভেটকার ১৩, অ্যাম্বুলেন্স ৪, জীপ ৬, পুলিশ পিকআপ ১, মোটরসাইকেল ২৬৭, থ্রি-হুইলার ১৪৪ (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-টেগুনা-টেম্পু) স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ৩৩ (নসিমন-ভটভটি-আলমসাধু-মাহিন্দ্র-টমটম), বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা-প্যাডেল ভ্যান ৩৫ টি এবং অন্যান্য ৯ টি (পাওয়ারটিলার-ধানমাড়াইয়ের মেশিন গাড়ি-ডাম্পার-ক্রেনগাড়ি-ট্রেন)।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণ:

সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুর্ঘটনাসমূহ ঘটেছে ভোরে ৫.৩০%, সকালে ২৯.৩৫%, দুপুরে ২২.৫৩%, বিকালে ১৭.৮০%, সন্ধ্যায় ১১.১৭% এবং রাতে ১৩.৮২%।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান:

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনা ২৪.০৫%, প্রাণহানি ২৪.৮০%, রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১৬.০৯%, প্রাণহানি ১৮.০৯%, চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ২১.৭৮%, প্রাণহানি ২০.১২%, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ১২.৫%, প্রাণহানি ১১.৭০%, বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৭.৯৫%, প্রাণহানি ৮.৭৩%, সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ৪.১৬%, প্রাণহানি ৩.৫৮%, রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ৭.৫৭%, প্রাণহানি ৭.৮০% এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৫.৮৭%, প্রাণহানি ৫.১৪% ঘটেছে।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে, ১২৭ টি দুর্ঘটনায় ১৫৯ জন নিহত। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২২ টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত। একক জেলা হিসেবে ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ৩২ টি দুর্ঘটনায় ৩৭ জন নিহত। সবচেয়ে কম ঝালকাঠি জেলায়। ৩ টি দুর্ঘটনায় ২ জন আহত হয়েছে, প্রাণহানি ঘটেনি।

 রাজধানী ঢাকায় ২৩ টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত হয়েছে।

দুর্ঘটনায় নিহতদের পেশাগত পরিচয়:

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, নিহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্য ৫ জন, বিমান বাহিনীর সদস্য ১ জন, নৌ-বাহিনীর সদস্য ১ জন, সাবেক সেনা সদস্য ১ জন, সাবেক বিডিআর সদস্য ১ জন, আনসার সদস্য ২ জন, স্কুল-কলেজ-মাদরাসার শিক্ষক ২৩ জন, চিকিৎসক ৪ জন, সাংবাদিক ৬ জন, আইনজীবী ৪ জন, প্রকৌশলী ৩ জন, স্থানীয় পর্যটক ৩ জন, বিভিন্ন ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী ১২ জন, এনজিও কর্মকর্তা-কর্মচারী ১৭ জন, ঔষধ ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বিক্রয় প্রতিনিধি ২৯ জন, স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ৩৭ জন, পোশাক শ্রমিক ৯ জন, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারী ২ জন, রং মিস্ত্রি ২ জন, ধানকাটা শ্রমিক ১৩ জন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ১৬ জন এবং দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০৭ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

দেশে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণসমূহ:

১. ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন;

২. বেপরোয়া গতি;

৩. চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা;

৪. বেতন ও কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট না থাকা;

৫. মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল;

৬. তরুণ ও যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো;

৭. জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা;

৮. দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা;

৯. বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি;

১০ গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।

 সুপারিশসমূহ:

১. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে;

২. চালকের বেতন ও কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট করতে হবে;

৩. বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে;

৪. পরিবহনের মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে;

৫. মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্ব রাস্তা (সার্ভিস রোড) তৈরি করতে হবে;

৬. পর্যায়ক্রমে সকল মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে;

৭. গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে;

৮. রেল ও নৌ-পথ সংস্কার ও সম্প্রসারণ করে সড়ক পথের উপর চাপ কমাতে হবে;

৯. টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে;

১০.“সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮” বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

 দুর্ঘটনা পর্যালোচনা ও মন্তব্য:

সড়ক দুর্ঘটনায় গত মে মাসে প্রতিদিন গড়ে ২০.৬৭ জন নিহত হয়েছে। এপ্রিল মাসে প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিল ১৮ জন। এই হিসাবে এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে প্রাণহানি বেড়েছে ১৪.১৯ শতাংশ।

দুর্ঘটনায় ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষ নিহত হয়েছেন ৪৮৯ জন, অর্থাৎ ৭৬.২৮ শতাংশ।

ট্রাক-সহ পণ্যবাহী দ্রুতগতির যানবাহন ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ড্রাইভারদের বেপরোয়া গতিতে পণ্যবাহী যানবাহন চালানো এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর কারণে তারা নিজেরা দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে এবং অন্যান্য যানবাহনকে আক্রান্ত করছে। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার উর্ধ্বমুখী প্রবণতা আমাদেরকে ভয়াবহ পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। গণপরিবহন সহজ, সাশ্রয়ী ও উন্নত করে, যানজট কমিয়ে মোটরসাইকেল নিরুৎসাহিত করা অতীব জরুরি। কিন্তু এটা না করে মোটরসাইকেল ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

বস্তুত, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। “সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮” বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে সড়ক পরিবহন খাতের নৈরাজ্য ও অব্যস্থাপনার কারণে। এই অবস্থার উন্নয়নে টেকসই সড়ক পরিবহন কৌশল প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা।   

Read us@googlenews

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond