[Valid RSS]
August 15, 2022, 1:48 pm
Treanding
Surge in EU exports to Russia Russia announces capture of strategic settlement in Donbass  Lithuania’s FM wants visa ban for anti-Putin Russians More US lawmakers visit Taiwan 12 days after Pelosi trip Russia President greeted President & Prime Minister of Pakistan   Training and Awareness Programme on Sustainable Financing ৮ম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডের টাইটেল স্পন্সরের চেক হস্তান্তর করল আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক Russia boosts gas supply to EU nation OPPO ColorOS 12 won four design awards at the Red Dot Award More attention needed for quality education, social dev, gender equality & decent employment : CPD  Russia President greeted athletes on their professional holiday Moscow names condition for ‘normalization’ with USA Reduce electricity consumption this season with energy-efficient ACs  Call to Make Youth Free from Risks of Hypertension and Heart Diseases : speakers প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়ে স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং ফলো-আপ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   Death toll in city’s Turag blast rises to 8 FBI seized top secret documents in Trump estate search realme offers fans to mega discount Lawmaker views Russia’s control of Zaporozhye NPP as key to regional nuclear security World on the brink of nuclear catastrophe : Moscow

পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রমে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ সমূহ উত্তরণে টিআইবির ১০ দফা সুপারিশ

Bangladesh Beyond
  • Updated on Wednesday, January 5, 2022
  • 332 Impressed

পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রমে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ সমূহ উত্তরণে টিআইবির ১০ দফা সুপারিশ

 

ঢাকা ০৫ জানুয়ারি ২০২২ :

 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে।

টিআইবি জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাত ও প্রতিষ্ঠান নিয়ে গবেষণা ও অধিপরামর্শ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। টিআইবি’র অগ্রাধিকার খাতগুলোর মধ্যে পরিবেশ অন্যতম।

পরিবেশ উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, পরিবেশ সংক্রান্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চুক্তি বাস্তবায়নসহ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের মুখ্য প্রতিষ্ঠান পরিবেশ অধিদপ্তর।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানের উপস্থিতে পরিবেশ অধিদপ্তরে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়” শীর্ষক গবেষণাপত্র প্রকাশ উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আজ গবেষণার সার্বিক পর্যবেক্ষণ সমূহ তুলে ধরা হয় :

পরিবেশ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন, বিধিমালাসহ সম্পূরক আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগে ব্যর্থ হয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। কর্মীদের একাংশের অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বড় অংকের নিয়ম-বহির্ভূত আর্থিক লেনদেন এবং তা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ঘাটতির ফলে পরিবেশ অধিদপ্তরে দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ হয়েছে।

অধিদপ্তরের কর্মীদের একাংশের সাথে পরিবেশ দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকদের একাংশের যোগশাজস; এবং তাদের প্রভাবের কাছে আত্মসমর্পণ করার কারণে অধিদপ্তরের কার্যকরতা ব্যাহত হয়েছে।
অধিদপ্তরের কার্যক্রমে সুশাসনের বিভিন্ন নির্দেশকে- যেমন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা, জনসম্পৃক্ততা এবং কার্যকর সমন্বয়ে ঘাটতি বিদ্যমান।

একদিকে সামর্থ্যরে ঘাটতি এবং অন্যদিকে সরকারের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রভাবিত হয়ে বস্তুনিষ্ঠ অবস্থান গ্রহণে ঘাটতির কারণে পরিবেশ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ সরকারি বিভিন্ন বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং শিল্প কারখানা স্থাপনই মূলত পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী হলেও এক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ অগ্রাধিকার কার্যক্রমের অংশ হওয়ার কথা থাকলেও পরিবেশ অধিদপ্তরের বিদ্যমান ক্ষমতা প্রয়োগে ব্যর্থতা লক্ষনীয়।

আমলা-নির্ভরতা, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ঘাটতি, নীরিক্ষায় ঘাটতি, পেশাগত দক্ষতার ঘাটতি এবং অনেক ক্ষেত্রে সৎ সাহস ও দৃঢ়তার ঘাটতির কারণে পরিবেশ অধিদপ্তর একটি দুর্বল, দুর্নীতিগ্রস্ত এবং অনেকাংশে অক্ষম ও অকার্যকর একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিনত হয়েছে।

 

পরিবেশ আইন বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারের ফোকাল প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও এগুলো কতটুকু কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ প্রেক্ষিতে পরিবেশ রক্ষা এবং দূষণ রোধে পরিবেশ অধিদপ্তরকে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগসহ অর্পিত দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা ও কার্যকরতার দিকসমূহ সুশাসনের দিক থেকে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার প্রয়োজনীয়তা থেকে বর্তমান গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়েছে।

গবেষণায় একদিকে যেমন পরিবেশ সংক্রান্ত আইনের কিছু দুর্বলতা চিহ্নিত হয়েছে এবং অন্যদিকে বিদ্যমান আইন, বিধিমালাসহ সম্পূরক আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগে পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যর্থতার চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। অধিদপ্তরের কার্যক্রমে সুশাসনের বিভিন্ন নির্দেশকে, যেমন স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা, জনসম্পৃক্ততা এবং কার্যকর সমন্বয়ে ঘাটতি বিদ্যমান।

অধিদপ্তরের কর্মীদের একাংশের অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বড় অংকের নিয়মবহির্ভূত আর্থিক লেনদেন এবং তা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ঘাটতির ফলে পরিবেশ অধিদপ্তরে দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ হয়েছে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ সরকারি বিভিন্ন বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং শিল্প কারখানা স্থাপনই মূলত পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী। কিন্তু পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ অগ্রাধিকার কার্যক্রমের অংশ হওয়ার কথা থাকলেও এক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের বিদ্যমান ক্ষমতা প্রয়োগে ব্যর্থতা লক্ষণীয়।

সরকারি বিভিন্ন বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং শিল্প কারখানা স্থাপন, সংকটাপন্ন এলাকা, বন ও এর আশেপাশে বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, ত্রুটিপূর্ণ সামাজিক ও পরিবেশ সমীক্ষা সম্পাদন এবং এসবের অনুমোদনের ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তর বিদ্যমান আইনি ক্ষমতা প্রয়োগে ব্যর্থতার প্রমাণ দিয়েছে। এছাড়া একদিকে সক্ষমতার ঘাটতি এবং অন্যদিকে সরকারের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রভাবিত হয়ে বস্তুনিষ্ঠ অবস্থান গ্রহণে অনেকক্ষেত্রে ব্যর্থতার কারণে দূষণমুক্ত পরিবেশ রক্ষা করতে পারছে না পরিবেশ অধিদপ্তর।

গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল ও তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রমে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ সমূহ চিহ্নিত করে তা থেকে উত্তরণে টিআইবি ১০ দফা সুপারিশ প্রস্তাব করে।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে-

১. আইনের যথার্থ প্রয়োগে ভয়, চাপ ও আর্থিক প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থেকে দৃঢ়তার সাথে পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং শিল্প কারখানাগুলোকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে।
২. প্রেষণে পদায়ন না করে অধিদপ্তরের নেতৃত্বে বিশেষায়িত জ্ঞানসম্পন্ন ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে হবে।
৩. যথাযথ চাহিদা নিরূপণসাপেক্ষে সকল কার্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ, পর্যাপ্ত অবকাঠামো, কারিগরি ও লজিস্টিক্যাল সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. ওয়েবসাইটকে আরও তথ্যবহুল (যেমন নিরীক্ষা প্রতিবেদন, পূর্ণাঙ্গ বাজেট, প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তথ্য, বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানকে করা জরিমানা ও আদায়ের পরিমাণের ওপর পূর্ণাঙ্গ তথ্য, সব প্রকল্পের ইআইএ প্রতিবেদন ইত্যাদি) ও নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে।
৫. পরিবেশ সংক্রান্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্ত করে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী ত্রুটিমুক্ত পরিবেশগত সমীক্ষা সম্পন্ন নিশ্চিত করতে হবে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অধিদপ্তরের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
৬. প্রকল্প বাস্তবায়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের সাথে জড়িত সকল কর্মীর বাৎসরিক আয় ও সম্পদের বিবরণী বছর শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়াসহ তা প্রকাশ করতে হবে।
৭. পরিবেশ ছাড়পত্র-কেন্দ্রিক অনিয়ম-দুর্নীতি এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তি প্রদানের নজির স্থাপন করতে হবে।
৮. ইটিপির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং ইআইএ প্রতিবেদন অনুযায়ী মিটিগেশন প্ল্যান ও ইএমপি তদারকি বৃদ্ধিসহ পরিবেশগত নিরীক্ষার (এনভায়রনমেন্টাল অডিট) ব্যবস্থা করতে হবে।
৯. দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রম তদারকি ও পরিবীক্ষণে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও এর কার্যকর ব্যবহার করতে হবে।
১০. আইন সংশোধনীর মাধ্যমে পরিবেশ আদালতে সাধারণ মানুষের সরাসরি মামলা করার সুযোগ রাখতে হবে।

টিআইবি’র উপদেষ্টা- নির্বাহী ব্যবস্থাপনা, প্রফেসর ড. সুমাইয়া খায়ের এবং গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান এই গবেষণা কার্যক্রমের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এ গবেষণার পরিকল্পনা ও প্রতিবেদন প্রণয়ন করেছেন গবেষণা ও পলিসি বিভাগের জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসন বিষয়ক রিসার্চ ফেলো মো. নেওয়াজুল মওলা।

টিআইবি’র গবেষণা ও পলিসি বিভাগের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো, শাহজাদা এম আকরাম প্রতিবেদনটি সম্পাদনা করেছেন। এই গবেষণার কারিগরি নানা বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছেন জলবায়ু অর্থায়নে পলিসি ও ইন্টিগ্রিটি প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. মাহ্ফুজুল হক। এছাড়াও টিআইবি’র গবেষণা ও পলিসি এবং সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সহকর্মীগণ গবেষণায় বিভিন্নভাবে পরামর্শ ও সহায়তা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক শেখ মন্‌জুর-ই-আলম।  

প্রতিবেদনে উপস্থাপিত তথ্য, বিশ্লেষণ ও সুপারিশসমূহ পরিবেশ রক্ষা এবং দূষণ রোধে পরিবেশ অধিদপ্তরের সক্ষমতা ও কার্যকরতা বৃদ্ধিসহ সার্বিকভাবে সুশাসন ও শুদ্ধাচার বৃদ্ধির সহায়ক হবে বলে মনে করে টিআইবি।

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond