January 17, 2022, 10:28 am
Headlines
আলুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে রপ্তানির পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নের ধারা চলমান রাখতে বাংলাদেশকে সার্কুলার ইকোনমি মডেল অনুসরণ করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী     GP STAR customers to enjoy extra discounts on Shwapno online shopping Ekushey Book Fair postponed for two weeks বোরো ধান  উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার/কেজি : ব্রির গবেষণা Five-member panel chairman in JS nominated Govt’s goal to build modern, technology-knowledge based nation: PM President urges all to work together on basic issues ডিজিটাল প্রযুক্তিতে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার আহ্বান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর ই-বর্জ্য এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী ১৬ জানুয়ারি কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন চলচ্চিত্র একটি প্রজন্মের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুষ্টিয়াতে বেপরোয়া ড্রাম ট্রাকের চাপায় ধারাবাহিক হতাহতের ঘটনায় কুষ্টিয়া স্টাডি গ্রুপ-এর উদ্বেগ প্রকাশ Samsung Galaxy S21FE 5G has officially hit stores realme set to break into premium segment in 2022 কৃষিমন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ : শাস্তি নয়, সতর্ক করতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বিদেশে বসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন -ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের প্রতি তথ্যমন্ত্রী President to address maiden JS session of 2022 on 16 Jan MetLife Bangladesh launches ‘360Health’ mobile app to help people manage serious illnesses ১৫ জানুয়ারি কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন
Treanding
আলুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে রপ্তানির পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নের ধারা চলমান রাখতে বাংলাদেশকে সার্কুলার ইকোনমি মডেল অনুসরণ করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী     GP STAR customers to enjoy extra discounts on Shwapno online shopping Ekushey Book Fair postponed for two weeks বোরো ধান  উৎপাদনে প্রকৃত পানির প্রয়োজন হয় ৫৫০-৬৫০ লিটার/কেজি : ব্রির গবেষণা Five-member panel chairman in JS nominated ডিজিটাল প্রযুক্তিতে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার আহ্বান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর ই-বর্জ্য এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী চলচ্চিত্র একটি প্রজন্মের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুষ্টিয়াতে বেপরোয়া ড্রাম ট্রাকের চাপায় ধারাবাহিক হতাহতের ঘটনায় কুষ্টিয়া স্টাডি গ্রুপ-এর উদ্বেগ প্রকাশ Samsung Galaxy S21FE 5G has officially hit stores realme set to break into premium segment in 2022 কৃষিমন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ : শাস্তি নয়, সতর্ক করতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বিদেশে বসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন -ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের প্রতি তথ্যমন্ত্রী MetLife Bangladesh launches ‘360Health’ mobile app to help people manage serious illnesses নারায়ণগঞ্জে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে: কৃষিমন্ত্রী বর্তমান সরকার দেশে ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩৭৮ হেক্টর ব্লক বাগান এবং ২৬ হাজার ৪৫৩ কি.মি. স্ট্রিপ বাগান সৃজন করেছে :  পরিবেশ ও বনমন্ত্রী লঞ্চে ধুমপান না করতে সতর্কীকরণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ভূমি ব্যবস্থাপনা সেবা এখনো শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত নয় : ভূমি সচিব ঢাকার চারপাশের ভাটাসমূহ পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেয়ার লক্ষ্যে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা প্রয়োজন : পবা

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

Bangladesh Beyond
  • Updated on Sunday, January 9, 2022
  • 47 Impressed

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

 

ঢাকা ৯ জানুয়ারি ২০২২ :

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন  দিবস উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেন:

“বাঙালির মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসে এক কালজয়ী মহাপুরুষ, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে ফিরে পায়। মহান নেতার আগমনে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের আনন্দ পরিপূর্ণতা লাভ করে।

জাতির পিতা পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য দীর্ঘ ২৪ বছর সংগ্রাম করেছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রাম সকল ক্ষেত্রেই তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, সব সময় দূরদর্শী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এবং ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে গিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেছেন। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৭০ এর নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। কিন্তু পাকিস্তানি সামরিক জান্তা পূর্ব বাংলার জনগণের এ রায়কে উপেক্ষা করে, শুরু করে প্রহসন। বাংলার নিরস্ত্র মানুষকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। চূড়ান্ত স্বাধীনতা  অর্জনের লক্ষ্যে  জাতির পিতা ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানের এক জনসমুদ্রে ঘোষণা করেন ‘….প্রত্যেক ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলো।…. এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম; এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী বাঙালি নিধন শুরু করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

স্বাধীনতা ঘোষণা করার পরপরই পাকিস্তানি বাহিনী জাতির পিতাকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের নির্জন কারাগারে প্রেরণ করে এবং তাঁর ওপর অবর্ননীয় নির্যাতন চালাতে থাকে। তিনি ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। পাকিস্তানের সামরিক আদালতে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামী হিসেবে মৃত্যুর প্রহর গুণতে গুণতেও তিনি বাঙালির জয়গান  গেয়েছেন। তিনি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণশক্তি। তাঁর অবিচল নেতৃত্বে বাঙালি জাতি মরণপণ যুদ্ধ করে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে আনে। পরাজিত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। একই দিন সকালে তিনি লন্ডনে অবতরণ করেন। সেখানে কমনওয়েলথ মহাসচিবের আহ্বানে বাংলাদেশের সদস্যপদ গ্রহণে তাৎক্ষণিক সম্মতি জানান, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সংবাদ সম্মেলন করেন। জাতির পিতা ১০ জানুয়ারি সকালে দিল্লীতে যাত্রা বিরতি দিয়ে দুপুরে তাঁর প্রিয় মাতৃভূমিতে পদার্পণ করেন। ঐ দিন রেসকোর্স ময়দানে বিশাল জনসমুদ্রে এক ভাষণে তিনি পাকিস্তানি সামরিক জান্তার ভয়াবহ ও নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা দেন, সেই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা সংগঠনের দায়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে বিচারের মুখোমুখী করতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানান।

জাতির পিতা ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী’র দায়িত্ব গ্রহণ করে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর বলিষ্ঠ পদক্ষেপে ভারতীয় মিত্রবাহিনী ১৫ মার্চ এর মধ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করে। তিনি একই বছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। জাতির পিতার সফল দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক তৎপরতায় বাংলাদেশ বিশ্বের ১২৩টি দেশ এবং ১৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে মাত্র সাড়ে তিন বছরেই স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী চক্র জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে  এদেশে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি চালু করে। তারা ’৭৫ এর ২৬ সেপ্টেম্বর দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করে দেয়। মোস্তাক-জিয়া চক্র খুনিদের বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে কূটনীতিকের চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করে, রাজনৈতিক ভাবেও প্রতিষ্ঠিত করে। মার্শাল ল’ জারির মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে বিকৃত করে। সংবিধানকে ক্ষত-বিক্ষত করে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা রুদ্ধ করে। বিএনপি- জামাত সরকার এই ধারা অব্যাহত রাখে।

 

 

২১ বছরের  দীর্ঘ সংগ্রাম ও অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। আমরা একই বছর ১২ নভেম্বর ‘ দায়মুক্তি অধ্যাদেশ বাতিল আইন, ১৯৯৬’ প্রণয়ন করে জাতির পিতা হত্যার বিচার কার্যক্রম শুরু করি। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড পুস্তকসমূহে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরি। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে ‘ দিনবদলের সনদ’ ঘোষণা  দিয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করি এবং পরপর তিন দফা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করি। আমরা জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচারের রায় কার্যকর করেছি। ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি। সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছি, ফলে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ হয়েছে।

গত তের বছরে আমরা উন্নয়নের সকল সূচকে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছি। অর্থনৈতিক অগ্রগতির মানদণ্ডে বিশ্বের প্রথম ৫টি দেশের মধ্যে স্থান করে নিয়েছি। আমাদের সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে এবং ‘ এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছে। আমরা দারিদ্র্যের হার ২০.৫ শতাংশের নীচে নামিয়ে এনেছি। মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৫৫৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত করেছি। প্রায় শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধা দিচ্ছি। চলমান করোনা মহামারি থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে ২৮টি প্যাকেজের আওতায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছি। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও এক্সপ্রেসওয়ে এবং কর্ণফুলি নদীর  তলদেশে টানেল নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশ যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নবযুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। আমরা সড়ক, রেল ও বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক করেছি। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি। রূপকল্প-২০২১ অর্জন করেছি, দেশকে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করেছি। মুজিববর্ষে আমরা অঙ্গীকার করেছি কেউ গৃহহীন থাকবে না। শহরের সকল সুযোগ-সুবিধা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও পৌঁছে দিচ্ছি। ২০৩০ সালের মধ্যে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট’ অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন শুরু করেছি। ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ নামে একটি যুগান্তকারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। নানা প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে আমরা বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করছি। ২০২১ সালের মার্চে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ১০-দিনব্যাপী  অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করি, যেখানে সার্কভুক্ত ৫টি দেশের রাষ্ট্র প্রধান বা সরকার প্রধানগণ সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানমালায় যোগ দিয়েছিলেন। তাছাড়া বিশ্বের ৭৭টি দেশের রাষ্ট্র প্রধান বা সরকার প্রধানগণ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানগণ ভিডিও বার্তা ও অভিনন্দন পত্র প্রেরণ করেছেন। আমাদের সরকারের উদ্যোগে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের রাজধানী এবং গুরুত্বপূর্ণ শহরে জাতির পিতার নামে স্মারক ভাস্কর্য স্থাপন, সড়ক ও পার্কের নামকরণ করা হয়েছে। ইউনেস্কো জাতির পিতার ‘৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ’-কে বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং তাঁর জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে সৃজনশীল অর্থনীতিতে আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।

জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে  আসুন আমরা প্রতিজ্ঞা করি- ত্রিশ লাখ শহিদ ও দু’লাখ নির্যাতিত মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখবো। সকল আশু ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতির পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে কার্যকরি ভূমিকা রাখব।

আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গৃহীত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

                                                                                  জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

                                                                                 বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond