[Valid RSS]
November 26, 2022, 7:12 pm
Treanding
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

১৩ জুন এক নজরে বাংলাদেশ 

Bangladesh Beyond
  • Updated on Monday, June 13, 2022
  • 125 Impressed

১৩ জুন এক নজরে বাংলাদেশ 

 

পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণের ফলে দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের অভূতপূর্ব উন্নতি হবে : আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্

 

শিবচর (মাদারীপুর), ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

 

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশকে একটি আধুনিক ও উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরাপদ, টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তুলেছে। দেশে শিল্প ও বাণিজ্য সহায়ক পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়তে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।

 

আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ আজ মাদারীপুর জেলার শিবচরের কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাট সংলগ্ন পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন শেষে সমবেত জনগণের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন উদ্দিন সোহেল ব্যাপারী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও সুদৃঢ় পদক্ষেপের ফলে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের সেতুটি নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে। সেতুটি চালুর ফলে রাজধানীর সাথে দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো সহজ, সাশ্রয়ী ও অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হবে।

 

আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ বলেন, গত তের বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশে রচিত হয়েছে এক স্বর্ণালি অধ্যায়। বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে শান্তি, প্রগতি ও সম্প্রীতির এক মিলনমেলায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান সর্বাত্মক সাফল্যমণ্ডিত করতে দলমত নির্বিশেষে মাদারীপুরবাসীর সহায়তা কামনা করেন।

 

শেখ হাসিনা অর্জন ও উন্নয়নের শেষ ঠিকানা : পানি সম্পদ উপমন্ত্রী

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে রাতদিন নিরলসভাবে কাজ করছেন। সে কারণেই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়িয়েছে।

আজ রাজধানীর উত্তরায় ইনস্টিটিউট অভ্ মডেলিং (আইডব্লিউএম) কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে উপমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

উপমন্ত্রী বলেন, উন্নত বাংলাদেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য দেশ গড়তে ডেলটা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ মহাপরিকল্পনার অধিকাংশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ওপর। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দফতরসমূহ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলছে।

এনামুল হক শামীম বলেন, জাতির পিতার আজন্ম লালিত স্বপ্ন ছিল একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়া। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে দেশের অর্থনীতি আজ সমৃদ্ধ। যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকা পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পানিসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য দেশ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে শতবর্ষী বাংলাদেশ ডেলটা প্লান-২১০০।

উপমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ ডেলটা প্ল্যান-২১০০’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের একটি অন্যতম দৃষ্টান্ত, যা বর্তমান প্রজন্মের কাছে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য সেরা উপহার। এ মহাপরিকল্পনায় ২০৩০ সালে আমাদের কী অর্জন করতে হবে; ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে করণীয় এবং ২০৫০ সাল পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

উপমন্ত্রী বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের পানি এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। আমাদের দেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ইতোমধ্যে বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছে। নানাবিধ উন্নয়ন ধারায় আমাদের পানির ওপর নির্ভর করতে হয়। সকল ক্ষেত্রে পানির সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে আমাদের টেকসই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আবু সালেহ খান, জহুরুল এইচ খান, এসএম মাহবুবু রহমান, মোঃ আমিরুল ইসলাম, মোঃ সোহেল মাসুদ, সারোয়ার জাহান, আশরাফ আলী খান, সামিউন নবী, গৌতম চন্দ্র মৃধা প্রমুখ।

 

উপবৃত্তির অর্থ বিতরণে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা

 

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প-৩য় পর্যায়ের আওতায় গত ২০২০-২১ অর্থবছরের উপবৃত্তি ও কিটসের  অবিতরণকৃত ৮৬৪ কোটি, ২০ লাখ, ৩ হাজার, ৫ শত টাকা (EFT) প্রকৃত সুবিধাভোগীদের মোবাইল একাউন্টে প্রেরণের কাজ অতিশীঘ্রই শুরু হচ্ছে।

টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে সুবিধাভোগী অভিভাবকগণ কোনোরকম ভুলভ্রান্তি ও প্রতারণার শিকার যাতে না হন সে জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর অভিভাবকদের নিম্নোক্ত নির্দেশনা দিয়েছেন-

নগদ একাউন্টটি (যেটি ২০২০-২১ অর্থবছরে খোলা হয়েছিলো) সচল এবং পিন রিসেট করে গোপন রাখতে হবে। একাউন্ড হোল্ডার/সুবিধাভোগী কোনো অবস্থায়ই তাঁর পিন নম্বর অন্যের সাথে শেয়ার করবে না।

অভিভাবকগণ তাঁর নগদ একাউন্ট নম্বরের মোবাইলটি নিজের কাছে রাখবেন এবং মেসেজ দেখবেন। সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে অবশ্যই টাকা ক্যাশ আউট করবেন।

সুবিধাভোগীর মোবাইল অথবা সিমকার্ড হারিয়ে গেলে বা একাউন্ট হ্যাক হয়ে থাকল তা দ্রুত বন্ধ করে সিম কার্ড পরিবর্তনের বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগে জানাতে হবে।

যে কোনো সমস্যায় অভিভাবক/সুবিধাভোগীগণ সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে।

 

আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি : মোস্তাফা জব্বার

 

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ২০২১ সালে শুধু ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন না, আমরা অনুকরণীয় হতে পেরেছি। এখন আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সফলতার গল্প বলে শেষ করা যাবে না। আমাদের যে সক্ষমতা রয়েছে, তাতে আমরা ইতোমধ্যে যা অর্জন করেছি তার থেকে কয়েক লক্ষগুণ সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদেরকে রোবট ব্যবস্থাপনা করতে হবে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব‌্যবহার করতে হবে, হার্ডওয়্যার ব্যবস্থাপনা করতে হবে। এজন্য নিজেদেরকে নতুন প্রযুক্তিতে দক্ষ করতে হবে। শুধু সফটওয়্যার রফতানিই আমাদের বাজার নয়, সকল ধরনের ডিজিটাল পণ‌্য ও কার্যক্রমই আমাদের বাজার। এক‌দিন আমরা রোবটও রপ্তা‌নি কর‌বো। আমাদের সবগুলো তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে সহায়ক সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী গতকাল রবিবার রাতে ঢাকায় হোটেল রেডিসনে বেসিস আয়োজিত স্মার্ট বাংলাদেশ : আইসিটি ইন্ডাস্ট্রি‘র ভূমিকা এবং বেসিস শর্টকোডের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বেসিস সভাপতি রাসেল টি আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, তথ‌্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ভাইস চ্যান্সেলর ড. রুবানা হক প্রমুখ বক্তৃতা করেন। প্যানেল আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন বেসিস ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু দাউদ খান।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, এখন আমাদের সন্তানদেরকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থাপনায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি আমরা তৈরি করতে পারি এমন বিদেশি সফটওয়্যার যেনো আগামীতে আর দেশে না আসে সেটি নিশ্চিত করতে হবে। আমার দেশে আমার দেশের ছেলে-মেয়েদের তৈরি সফটওয়্যারই আমরা দেখতে চাই। সফটওয়্যারের সঙ্গে আইটি অ্যানাবল সার্ভিস থেকেও আমরা রপ্তানি আয় বাড়াতে চাই। আমি মনে করি, আমাদের রপ্তানি হিসাবে আমাদের সকল ডিজিটাল পণ্যকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ‘যন্ত্র মানুষের বিকল্প নয়’ উল্লেখ করে এ জন্য মানুষের পাশাপাশি ‘যন্ত্র পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা, আইওটি, রোবট ম্যানেজমেন্ট করতে শিখতে হবে’ বলে উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতাদের তাগিদ দেন

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, স্বপ্নকে সক্ষমতার চেয়ে বড় করতে হবে। এটাই সফলতার মূল। এ জন্য প্রায়োরিটি ফোকাস করতে হবে। এক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষির পরই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে প্রযুক্তিকে।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে আমাদের শ্রমনির্ভর অর্থনীতি আজ শিল্প, সেবা ও প্রযুক্তি নির্ভরতায় রূপান্তরিত হয়েছে। তিনি আরো বলেছেন, সরকার আজকে নিজেই ক্রেতা হয়ে ৯৯৯; ৩৩৩; ১৬২৬৩, ১০৯; ১০৬ কলসেন্টারসহ ২০টি মন্ত্রণালয়ের কলসেন্টার করেছে।

পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ‘বেসিস কনট্যাক্ট সেন্টার’ উদ্বোধন করেন। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠনটির সদস্যরা যাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে ও দ্রুততার সাথে বেসিসের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ও সদস্যসেবা উন্নত ও কার্যকরী হয়, সেই লক্ষ‌্যে বেসিস কনট্যাক্ট সেন্টারের জন্য বিটিআরসি অনুমোদিত শর্ট কোড (১৬৪৮৮) চালু করা হয়।

 

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির আগেই নিয়ম মেনে মাস্ক পড়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

                

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘দেশে নতুন করে আবারো করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে। গত প্রায় ৮০ দিনের পর গতকাল (১২ জুন) করোনায় সংক্রমন ১০০ জনের বেশি হয়েছে। একারণে দেশের সকল মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে সচেতন থাকতে হবে যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকা করোনা পরিস্থিতি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়ে উল্টো দিকে না চলে যায়। দেশে এই মুহূর্তে অর্থনীতির চাকা ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। করোনার মধ্যেই একটি সুদূরপ্রসারী বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য খোলা রয়েছে। দেশের এই স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে ধরে রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

আজ সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এমবিবিএস ভর্তি সংক্রান্ত একটি সভায় সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন ।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ এনামুর রহমান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মোঃ সাইফুল হাসান বাদল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি মুবিন খান, মহাসচিব আনোয়ার খান এমপি, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীরসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রাইভেট মেডিকেলের পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে সরকারি মেডিকেল কলেজের মতো অটোমেশন পদ্ধতি চালু করা প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। আলোচনায় স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, স্বাচিব সভাপতিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ অটোমেশন পদ্ধতিতে বা মেধা তালিকার ভিত্তিতে ভর্তির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।

 

অগ্নিকাণ্ডে নাশকতার যোগ থাকতে পারে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

সীতাকুণ্ডের বিএম ডিপো এবং পরবর্তীতে একাধিক ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের পেছনে নাশকতার বিষয়টি স্পষ্টতর হচ্ছে বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএম ডিপোর অগ্নিকাণ্ডের ব্যাপারে আমি প্রথম থেকেই বলে এসেছিলোম যে, সেখানে নাশকতা ছিলো কি না সেটা খতিয়ে দেখা দরকার, আস্তে আস্তে বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছে। আপনারা জানেন, সিলেটের ট্রেনে আগুন লেগেছে টয়লেট থেকে, তারপর দাঁড়ানো অবস্থায় খুলনাগামী ট্রেনে আগুন লেগেছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এগুলোর সাথে নাশকতার যোগ আছে। আসলে সারাদেশে যে আনন্দ-উল্লাস, তা ম্লান করার জন্য, দেশে একটি আতঙ্ক তৈরি করার জন্য এগুলো করা হচ্ছে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি।’

‘যারা অগ্নিসন্ত্রাস করেছে, মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে, গুজব রটিয়েছে, বিভিন্ন সময় গুজব রটায় তারাই এই কাজগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘তদন্ত হচ্ছে, তদন্তের মাধ্যমে সেটি আরো স্পষ্ট হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এগুলোর সাথে নাশকতার যোগ আছে।’

বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের বিষয়ে প্রশ্ন করলে ড. হাছান বলেন, ‘তিনি যাতে সুস্থ হয়ে ওঠেন সেটি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি। কিন্তু বিএনপির লোকজন চায় না বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ হোক। তিনি অসুস্থ থাকলে তাদের রাজনীতি করতে সুবিধা হয়। আজ দেখলাম বিএনপির একজন নেতা এমনভাবে বক্তৃতায় বলছেন- বেগম খালেদা জিয়া কাতরাচ্ছে, তাতে মনে হয় তিনিই কাতরাচ্ছেন। বেগম জিয়াকে আগেও আমাদের দেশীয় চিকিৎসকরা তাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছেন। সুতরাং এবারও তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।’

এর আগে দেশের বেসরকারি টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন এসোসিয়েশন অভ্‌ টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স -এটকো’র পক্ষ  থেকে সহসভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদকে ছয় দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকপত্র হস্তান্তর করেন। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খাদিজা বেগম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পত্রিকার অনলাইনে ভিডিও প্রচার বন্ধ, আইপি টিভিতে সংবাদ প্রচার বন্ধ, ক্লিনফিড পূর্ণ বাস্তবায়ন, টিআরপি সার্ভিস চালু করা, কেবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল করা ও বিদেশি মডেল দিয়ে বিজ্ঞাপন নির্মাণে বিশেষ কর নির্মাতা সংস্থার ওপর আরোপের লিখিত দাবি প্রদানের সময় এটকো সহসভাপতি বলেন, ‘অনলাইন পত্রিকা ও সংবাদপত্রে যে ডিজিটাল কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছে সেটি নিয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম এবং বলেছিলাম যে, এটি পত্রিকার ডিক্লারেশনের আইনের বরখেলাপ। এমনকি এগুলো সম্প্রচার আইনেরও পরিপন্থি। পাশাপাশি যে অনলাইন নীতিমালা আছে, নীতিমালাতেও এটি অনুমোদন নেই। যারা এ ধরনের কাজ করছে, তাদের ব্যাপারে মন্ত্রণালয় পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করি।’

ইকবাল সোবহান বলেন, ‘দুই দিন আগে আমাদের সম্পাদক পরিষদ একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তাদের বিবৃতি সংবাদপত্রের পক্ষে, কিন্তু ব্যাখ্যা সত্য নয়। পত্রিকার ডিক্লারেশন দেয়া হয় পত্রিকা প্রকাশ করার জন্যে। পত্রিকার যে অনলাইন আছে সে অনলাইনে পত্রিকাতে যে সংবাদ আছে, ছবি আছে, সম্পাদকীয় আছে, মতামত আছে সেগুলো ই-পেপার হিসেবে আপলোড করতে পারে। এবং সারাদিন ইচ্ছে করলে ২৪ ঘণ্টায় সংবাদ আপলোড করতে পারে। কিন্তু কোনো ডিজিটাল কনটেন্ট আপলোডের কথা এই ডিক্লারেশনের মধ্যেও নেই, অনলাইনের আইনের মধ্যেও নেই।’

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘সিডান গাড়ির অনুমতি নিয়ে কি আমি বাস-ট্রাক চালাতে পারি? অথবা বাস -ট্রাক চালানোর অনুমতি নিয়ে আমি তো লঞ্চ-স্টিমার চালাতে পারি না। তাই আমি মনে করি, সবারই আইনগতভাবে এবং আইন মেনে চলা উচিত। আজকে লিখিতভাবে আমরা এটকোর পক্ষ থেকে আমাদের দাবিগুলো দিতে চাচ্ছি। আশা করি মন্ত্রণালয় এর ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেবে।’

দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, এটকো বিভিন্ন বিষয় আমাদেরকে অবহিত করেন। আজকে তারা তাদের দাবিগুলো লিখিতভাবে আমাদের দিয়েছেন। আমরা আইনকানুন ঘেঁটে প্রচলিত বিধিবিধান দেখেছি যে, পত্রিকার অনলাইন ভার্সনকে নিবন্ধন দেয়ার ক্ষেত্রে শর্ত ছিলো যে পত্রিকার কনটেন্টই তারা আপলোড করবে। আর অনলাইন সংবাদ পোর্টাল এবং পত্রিকার অনলাইন ভার্সন টক শো কিংবা নিউজ বুলেটিন প্রচার আইন অনুমোদিত নয়। এটকোর অন্যান্য দাবি মন্ত্রণালয় পরীক্ষা করে দেখছে।

 

জাতীয় ফল মেলা ১৬-১৮ জুন

বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিশ্বে সফলতার উদাহরণ : কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিশ্বে সফলতার উদাহরণ হয়ে উঠেছে। এ মুহূর্তে বিশ্বে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির সর্বোচ্চ হারের রেকর্ড বাংলাদেশের, বছরে সাড়ে ১১ শতাংশ হারে ফল উৎপাদন বাড়ছে। কাঁঠাল উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয়, আমে সপ্তম, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম, পেঁপেতে ১৪তম স্থানে আছে বাংলাদেশ। আর মৌসুমি ফল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ। নিত্যনতুন ফল চাষের দিক থেকেও বাংলাদেশ সফলতা পেয়েছে। ২০ বছর আগে আম আর কাঁঠাল ছিল এই দেশের প্রধানফল। এখন বাংলাদেশে ৭২ প্রজাতির ফলের চাষ হচ্ছে, যা আগে হতো ৫৬ প্রজাতির ফল চাষ।

আজ সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় ফল মেলা-২০২২’ উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় কৃষিসচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও সংস্থাপ্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ২০০৮-০৯ সালে দেশে ফলের উৎপাদন ছিল প্রায় ১ কোটি টন, আর বর্তমানে ফলের উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ টন। বিগত ১২ বছরে ফলের উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি ২২ শতাংশ। এর ফলে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু দানাজাতীয় শস্য গ্রহণের পরিমাণ কমেছে এবং মাথাপিছু ফল গ্রহণের পরিমাণ বেড়েছে। ২০০৬ সালে মাথাপিছু ফল গ্রহণের হার ছিল ৫৫ গ্রাম যা বেড়ে এখন হয়েছে ৮৫ গ্রাম।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারের সময়োপযোগী নীতি প্রণয়ন এবং তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ফলে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ হ্রাস, জনসংখ্যার আধিক্য, জমিতে লবণাক্ততা ইত্যাদি চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশ আজ দানাদার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। পাশাপাশি ফল উৎপাদনেও এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বর্তমান সরকার এখন সকল মানুষের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এক্ষেত্রে ফল ও ফলদ বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষের পুষ্টিচাহিদা পূরণে ফলের উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি করতে হবে তেমনি নিরাপদ ফল চাষে গুরুত্ব দিতে হবে। একইসাথে, ফলমূলকে পচনের (২৫-৪০% হার) হাত থেকে বাঁচাতে আমাদেরকে সংগ্রহত্তোর ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাত সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে। এসব বিষয়ে ফলের উৎপাদনকারী বা চাষি, পরিবহণকারী, প্রক্রিয়াজাতকারী, ভোক্তাসহ সকলের সচেতনতা অত্যন্ত প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই কৃষি মন্ত্রণালয় জাতীয় ফল মেলার আয়োজন করে থাকে।

মন্ত্রী জানান, গত ২ বছর করোনা মহামারির কারণে জাতীয় ফল মেলা করা সম্ভব হয়নি। এ বছর  রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ চত্বরে আগামী ১৬ জুন থেকে জাতীয় ফল মেলা শুরু হবে। মেলা চলবে ১৮ তারিখ পর্যন্ত।  এবারের প্রতিপাদ্য ‘বছরব্যাপী ফল চাষে, অর্থ পুষ্টি দুই-ই আসে’। মেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় আগত দর্শনার্থীরা ফল চাষের বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে এবং রাসায়নিকমুক্ত বিভিন্ন জাতের ফল ক্রয় করতে পারবেন। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আম,লিচু, কাঁঠালসহ বিভিন্ন দেশি ফলের প্রদর্শনীর মাধ্যমে মেলায় অংশগ্রহণ করবে।

বর্তমানে একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক ফলের চাহিদা ২০০ গ্রামের বিপরীতে প্রাপ্যতা হলো ৮৫ গ্রাম। সেজন্য ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশসম্মত নিরাপদ ফল উৎপাদনেও গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন,  ইতোমধ্যে আমাদের বিজ্ঞানীরা দেশে চাষোপযোগী ৩০টি বিভিন্ন প্রজাতির ফলের ৬৫টি উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছেন।  দেশীয় ফলের সাথে স্ট্রবেরি, রাম্বুটান, ড্রাগনফল, এভোকেডো প্রভৃতি  বিদেশি ফলের চাষে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। দেশের পাহাড়ি অঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের অনেক জায়গায় কাজুবাদাম ও কফি চাষের সম্প্রসারণ হচ্ছে।

যেকোনো দুর্যোগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ এনামুর রহমান বলেছেন, যেকোনো দুর্যোগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা ও সাড়া প্রদান সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে বিদ্যালয়সমূহে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হবে । বিদ্যালয়সমূহে দুর্যোগ নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক তৈরিতে প্রণোদনা দেওয়া হবে । দুর্যোগ সচেতন ও মোকাবিলায় সক্ষম একটি প্রজন্ম তৈরি করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্তর্ভুক্ত করে দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে একটি উত্তম চর্চা সৃষ্টিতে কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় একটি হোটেলে সিপিপি (ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি) আয়োজিত “খেলায় খেলায় দুর্যোগ প্রস্তুতি- স্কুল শিক্ষার্থীদের করণীয়” শীর্ষক সচেতনতামূলক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভৌগলিক অবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, ঘনবসতি ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশকে প্রতিনিয়ত কোনো না কোনো প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট দুর্যোগের মোকাবিলা করতে হয়। দারিদ্র্য বিমোচনসহ সামাজিক নিরাপত্তা অর্জনে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। এসব কারণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে পরিচিত।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে শিক্ষার্থীরা দুর্যোগ ঝুঁকিসমূহ ও করণীয় সম্বন্ধে আরো  বেশি সচেতন হবে । শিক্ষার্থী, শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও প্রতিবেশীগণের মাধ্যমে সমাজে এই সচেতনতা ছড়িয়ে পড়বে। সমাজে স্বেচ্ছাসেবী মনোভাব বৃদ্ধি পাবে, একটি  সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্খাপনা সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। প্রয়োজনের সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ অতি দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হবে। এই উন্নত চর্চাটি প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার মাধ্যমে বৃহত্তর শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে বলে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।

 

২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি হচ্ছে : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ অর্থনীতির প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ধারণা অনুযায়ী নারী কিংবা শারীরিকভাবে অক্ষম কেউই পিছিয়ে থাকবে না।

আজ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে “গার্লস ইন আইসিটি দিবস”উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিনিয়র সচিব এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মাদ আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর মহাপরিচালক কে এম তরিকুল ইসলাম, সিএসআইডি নির্বাহী পরিচালক খন্দকার জহুরুল আলম এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের ডিরেক্টর ডেনিস ও প্রায়ান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব বলেন, নারীদের প্রযুক্তিতে অন্তর্ভুক্তির অনেক সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে  শিক্ষা ব্যবস্থায় অধিক অন্তর্ভুক্তি প্রয়োজন। আর যেহেতু নারীরা হ্যাকারদের প্রধান টার্গেট; তাই মেয়েদের অনলাইন সেফটি নিয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এ সময় গার্লস ইন আইসিটি দিবসকে জাতীয়ভাবে পালনের উদ্যোগ নিতে প্রয়োজনীয় গাইডলাইন তৈরির আগে দিবস উদ্‌যাপনে তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ সবসময় তাদের পাশে থাকবে বলেও জানান তিনি। নারীদের নিয়েই বাংলাদেশ ২০৪১ সালের আগেই স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আলোচনা সভা শেষে সিএসআইডির প্রশিক্ষণ বিভাগের সহকারী পরিচালক আনিকা রহমান লিপি, স্টারটেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজওয়ানা খান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যলায়ের অধ্যাপিকা লাফিফা জামালকে বর্ষসেরা প্রযুক্তি নারী ব্যক্তিত্বের সম্মাননা দেয়া হয়।

 

বালু উত্তোলন নীতিমালা হচ্ছে : জাহিদ ফারুক

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, দারিদ্র্য বিমোচনে ও নির্মাণ সামগ্রীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে বালুর। তবে পরিকল্পনাহীন বালু উত্তোলনের রয়েছে নানা ক্ষতিকর প্রভাব। অবৈধভাবে বেপরোয়া বালু উত্তোলনের কারণে ভয়াবহ ভাঙনের কবলে পড়ে নদীর তীরের বসতবাড়ী ও ফসলের জমি। সঠিকভাবে বালু উত্তেলন করলে ভাঙ্গন অনেকাংশে কমে আসবে। এ ব্যাপারে তিনি মিডিয়ার দায়িত্বশীল ভূমিকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অবৈধভাবে বালি উত্তোলন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে এবং এ ব্যাপারে স্হানীয় প্রশাসনকে জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয়পূর্বক বালুমহল লিজ/ইজারা দেয়ার সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতামত নেয়া প্রয়োজন। অতি শীঘ্রই বালু উত্তোলন সংক্রান্ত নীতিমালা মন্ত্রিপরিষদে উপস্থান করা হবে।

আজ সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি তপন বিশ্বাস। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত বারো বছরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বার বার  আঘাত সত্ত্বেও কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য এবং জনশক্তি রপ্তানি করে বৈদেশিক অর্জন দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথকে মসৃন করেছে। সরকারের একারপক্ষে সবকিছু করা সম্ভব না জনগণেরও সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। তিনি জানান, দায়িত্ব নেয়ার পর হতে এ পর্যন্ত ৪৩০টি এলাকা পরিদর্শন করেছি। ভাঙ্গনকবলিত মানুষের দুঃখ দুর্দশা নিজ চোখে দেখে যেখানে যা করা প্রয়োজন তাৎক্ষণিক সে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছি। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এ প্রর্যন্ত ১৭ হাজার কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করেছে। এই বাঁধগুলোর রক্ষা ও যত্ন প্রয়োজন, তা করতে সরকারের পাশাপাশি জনগণের এগিয়ে আসতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি কার্যক্রম চিহ্নিত করা হয়েছে যার ৪৫টি কার্যক্রম এককভাবে বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ এর অর্ন্তভুক্ত ২৫টি কার্যক্রম ৫০টি প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা প্রদানসহ প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও পানি দূষণ কমাতে সক্ষম হবে।  ব-দ্বীপ পরিকল্পনার আওতায় ৬৪টি জেলায় অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন (১ম পর্যায়)” প্রকল্পটির আওতায় প্রায় ৫২৬২ কিঃমিঃ নদী, খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন করা হচ্ছে। ফলে ১০৯টি ছোট নদী, ৫৩৩টি খাল ও ২৬টি জলাশয় পুনরুজ্জীবিত হবে। জলাশয়, খাল ও নদীর মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপিত হবে। এ প্রকল্পের ৭০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ২০২২ সালের সংঘটিত আগাম বন্যায় হাওড়ের ৭টি জেলার আওতাধীন ৪,৭২,৭৬৬ হেক্টর ধানি জমির মধ্যে ৩,৩০৩ হেক্টর ধানি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (সুনামগঞ্জ-৩,৩০০ হেক্টর এবং নেত্রকোনা- ৩ হেক্টর)। হাওড় অঞ্চলে সংস্কার ও মেরামতকৃত ৮,৬২ কিলোমিটার বাধেঁর মধ্যে মাত্র ৩,১৫ মিটার বাঁধ ভেঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (সুনামগঞ্জ- ২৮৫ মিটার এবং নেত্রকোনা- ৩০ মিটার)। সুনামগঞ্জ এলাকায় ১,৫৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪টি নদী খনন এবং বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সুনামগঞ্জ এলাকায় আগাম বন্যা হতে ফসলাদি ও জানমালের ক্ষতির পরিমাণ সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে  আসা সম্ভব হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের দখলকৃত জায়গা উদ্ধার চলমান রয়েছে। এছাড়া কোথাও কোথাও কৃষিকাজ ও মৎস্য চাষের জন্য জমি লিজ দেয়া হচ্ছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একই ঠিকাদারের ৫০-৬০ টি কাজ পাওয়ার আর সুযোগ নেই। যারা একাধিক কাজ পেয়েছেন তাদের কাজ শেষ না হলে নতুন করে কাজ দেয়া হচ্ছে না। তিস্তা চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আছে, আমরা আশাবাদি এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী মন্ত্রণালয় কাজ করবে।

এ সময় বিএসআরএফ সহ-সভাপতি মোতাহার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী আজাদ মাসুম, অর্থ সম্পাদক মোঃ শফিউল্লাহ সুমন, কার্যনির্বাহী সদস্য ইসমাইল হোসাইন রাসেল, শাহজাহান মোল্লা, হাসিফ মাহমুদ শাহ, শাহাদাত হোসেন (রাকিব), মোঃ বেলাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

বাংলাদেশের সাথে আইডিটিপি তৈরি করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারত

 

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন):

বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল এডুটেইনমেন্ট সেন্টার স্থাপনের পাশাপাশি সাইবার সুরক্ষা এবং উভয় দেশের আর্থিক লেনদেনে ইন্টার অপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেকশন প্ল্যাটফর্ম (আইডিটিপি) তৈরিতে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারত। ইতোমধ্যেই দ্বিপাক্ষিক আইডিটিপি বাস্তবায়নের প্রস্তাবনাটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আজ আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে বাংলাদেশ হাইটেক কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সাথে বৈঠককালে ভারতের হাই-কমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী এ আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চলমান প্রকল্পগুলোর সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষের সঞ্চালনায় বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো নিবিড় করতে নানা বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। এছাড়া হাইটেক পার্কগুলোর কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। এসময় দেশের ৬৪টি জেলায় বাংলাদেশ-ভারত এডুটেইনমেন্ট সেন্টার স্থাপন এবং স্টার্টআপ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালুর বিষয়ে ঐক্যমত প্রকাশ করা হয়।

এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে আগরতলা সফরের ইতিবাচক অভিজ্ঞতার জন্য ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন সময় পারস্পরিক সহযোগিতার। আমি চাই আগামীতে উভয় দেশের আইসিটি খাতে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় আরো বাড়বে। অংশীদারিত্ব আরো সুদৃঢ় হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ বন্ধুপ্রতিম পরীক্ষিত দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সফটওয়্যার কমিউনিকেশন ও ডিজিটাল ট্রানজেকশন ও স্টার্টআপ এবং এডুকেশনের ক্ষেত্রে যোগাযোগ আরো বাড়ানো প্রয়োজন।

ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, আমাদের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে বাংলাদেশের সঙ্গে স্টার্টআপ, সাইবার সুরক্ষা এবং ইন্টারঅপারেবল ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের মতো ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তি এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল সল্যুশন নিয়ে একসঙ্গে কাজ করে অনেকদূর এগিয়ে যেতে চাই।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমসহ আইসিটি বিভাগ ও হাইটেক পার্কের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগে ভূমিকা রাখবে গ্রিন বন্ড : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন):

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবিলা এবং পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগে গ্রিন বন্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ডেল্টা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশ গড়ার লক্ষ্য পূরণে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি দেশে গ্রিন বন্ডের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

আজ রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে বিশ্বব্যাংক আয়োজিত ‘গ্রিন বন্ড অপরচুনিটি ফর মিউনিসিপ্যাল অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়েস্ট ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন সারাবিশ্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধরিত্রীকে রক্ষার জন্য প্রতিটি দেশ এবং পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো নানা উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমান সরকারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশকে রক্ষায় কাজ করছে। উন্নত দেশে গ্রিন বন্ড নিয়ে কাজ করলেও আমাদের দেশে এখন এটি চালু করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ইতোমধ্যে নতুন এ বন্ডের অনুমোদন দিয়েছে।

মো. তাজুল ইসলাম জানান, দেশের মানুষ এই বন্ড সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত নয়। আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষ গ্রিন বন্ড সম্পর্কে জানবে এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে। বাংলাদেশ ডেল্টাপ্ল্যান থেকে শুরু করে টেকসই উন্নয়ন ও অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বিষয়গুলো গ্রিন বন্ড ট্যাক্স গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, উদ্যোক্তাদের গ্রিন বন্ডের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে প্রজেক্ট জমা দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর সেই প্রজেক্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেয়া হবে। যেকোনো দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী এখানে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এখানকার বিনিয়োগে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা হবে অন্যদিকে বিনিয়োগকারীরা লাভবানও হবেন।

মন্ত্রী জানান, পরিবেশ দূষণে গৃহস্থালি, শিল্প-কলকারখানা ও কঠিন বর্জ্য বিরূপ প্রভাব ফেলে তাই এসব ময়লা-আবর্জনা পুড়িয়ে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সরকার দূষিত পানি রিসাইক্লিং করে ব্যবহারযোগ্য করার কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন জাপান, কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরসহ উন্নত দেশসমূহ পানি রিসাইক্লিং করছে। বাংলাদেশও তাদের মত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে পানি ব্যবহার উপযোগী করতে কাজ করছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম এবং ২০৩০ ওয়াটার রিসোর্সেস গ্রুপের প্রোগ্রাম ম্যানেজার পরমেশ্বর আইয়ার। এছাড়া, কর্মশালায় ঢাকা ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী তাকসিম এ খান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুজ্জামান কিরণ, স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি, পৌরসভার মেয়র অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

 

ডব্লিউটিও’র এমসি-১২তে বাণিজ্যমন্ত্রী

এলডিসি’র পক্ষ থেকে ডব্লিউটিও’তে দেয়া শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধার অনুমোদন চায় বাংলাদেশ

 

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী খাদ্য ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্যের ওপর হঠাৎ করে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ ঠিক হবে না। রপ্তানি বন্ধ করতে হলে আমদানিকারক দেশকে অবশ্যই নির্দিষ্ট একটা সময়ের আগে তা জানানো উচিত। হঠাৎ করে খাদ্যজাত পণ্য রপ্তানি বন্ধ করার কারণে অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হওয়ার পর বাংলাদেশসহ অন্যান্য এলডিসিভুক্ত দেশ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাচ্ছে, সেটা আরো কয়েকবছর অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

বাণিজ্যমন্ত্রী গতকাল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সদরদপ্তরে সংস্থাটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের প্রথম দিনের বৈঠকে এসব কথা বলেন। এটি মন্ত্রী পর্যায়ের ১২তম সম্মেলন।

মন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের বের হওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর বাংলাদেশ আর শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাবে না। তাই এলডিসির পক্ষ থেকে ডব্লিউটিওতে দেওয়া শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, মৎস্যখাতে ভর্তুকি প্রদানের সুযোগ চায় বাংলাদেশ। আমরা মনে করি, উন্নয়নশীল দেশের মৎস্যখাতের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এই খাতে ভর্তুকি দেয়া জরুরি। অনেক উন্নয়নশীল দেশের বিপুল সংখ্যক গরীব মানুষ তাদের জীবিকার জন্য মৎস্যখাতে জড়িত। তাই স্বল্পোন্নত দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবিকা টিকিয়ে রাখার জন্য মৎস্যখাতে ভর্তুকি প্রদানের সুযোগ রাখার প্রয়োজন।

মন্ত্রী আরো বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি হ্রাসে এলডিসিভুক্ত দেশকে সরকারি পর্যায়ে বড় আকারে খাদ্য মজুদ করার মত সুযোগ রাখতে হয়। কৃষিসহ ডব্লিউটিও’র অন্যান্য যেকোন সংস্কার বাংলাদেশ সমর্থন করবে।  সংস্কার অবশ্যই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বচ্ছ হতে হবে, যেখানে সবার মতামত দেয়ার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি সদস্যের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিতে হবে।

ডব্লিউটিও’র ১৬৪ দেশের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

 

একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়তে সরকার কাজ করছে  : রেলপথ মন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জ, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন) :

রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বর্তমান সরকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সড়ক, রেল, নৌ ও বিমান পথের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আজ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সেকশনে বিদ্যমান মিটারগেজ রেললাইনের সমান্তরাল একটি ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মাণ নারায়ণগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

রেলপথ মন্ত্রী বলেন, নারায়ণগঞ্জে রেলের উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি নৌপথ ও সড়কের‌ও অনেকগুলো প্রকল্প আছে। এছাড়া পৌরসভার আওতায় রাস্তা, ব্রিজ নির্মাণসহ অনেক প্রকল্প বিদ্যমান। নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের সাথে রেলওয়ে নতুন স্টেশন, প্ল্যাটফর্ম নির্মিত হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, সমন্বিতভাবে একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। উন্নয়নকাজে জমি যার যেরকম প্রয়োজন সেরকমভাবেই ব্যবহার করবে। এ ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, অতীতের সরকারগুলোর ভ্রান্তনীতির কারণে বিভিন্ন সংস্থাগুলোর মধ্যে কোনো সমন্বয় ছিল না। একসময় কলকাতা থেকে ট্রেনে করে মালামাল গোয়ালন্দ ঘাটে আসতো, সেখান থেকে ফেরির মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছালে আবার ট্রেনের মাধ্যমে ঢাকায় মাল পরিবহণ করা হতো। এখন পদ্মা নদীর ওপর রেল যোগাযোগ সংযোগ হচ্ছে। যমুনা নদীর ওপর দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু রেল সেতু হচ্ছে। রেল ব্যবস্থা ইতোমধ্যে অনেকদূর এগিয়ে গেছে।

পরিদর্শনের সময় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার, বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

১২ বছরের নিচে হজযাত্রীদের করোনা ভ্যাকসিনের প্রয়োজন নেই

 

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন):

এ বছর সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনাধীন ১২ বছরের নিচে হজযাত্রীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে না।

সম্প্রতি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

হজ এজেন্সিসমূহকে নির্ধারিত তারিখে বিমান টিকিট বুকিং এর নির্দেশনা

 

ঢাকা, ৩০ জ্যৈষ্ঠ (১৩ জুন):

২০২২ সালে হজ কার্যক্রম পরিচালনাকারী এজেন্সিসমূহকে নির্ধারিত তারিখে দ্রুত বিমান টিকিট বুকিং নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- ১২ জুন ১টি মাত্র ফ্লাইটে আসন সংখ্যা-৩৯৫টি, এর মধ্যে খালি সিট রয়েছে ৯৬টি এবং ফিরতি ফ্লাইট ১৮-১৯ জুলাই। ১৪ জুন ১টি ফ্লাইটে আসন সংখ্যা-৩৯৫, এর মধ্যে খালি সিট রয়েছে ১৫৮টি এবং এর ফিরতি ফ্লাইট-১৮-১৯ জুলাই। ১৭ জুন ৪টি ফ্লাইট রয়েছে যার মোট আসন সংখ্যা ১ হাজার ৫৭২টি, এ পর্যন্ত ফ্লাইটগুলোতে খালি সিট রয়েছে-৬১৪টি এবং এসব ফ্লাইট ফিরবে ১৮-২০ জুলাই। ১৮ জুন ফ্লাইট রয়েছে ৪টি যাতে মোট আসন-১ হাজার ৫৯৬টি, এরমধ্যে খালি সিট রয়েছে ১ হাজার ৫৫৭টি, এসব ফ্লাইট ১৮-২১ জুলাই ফিরবে। ১৯ জুন ফ্লাইট সংখ্যা-৪, মোট আসন-১ হাজার ৬০৪, খালি সিট-১ হাজার ৪১৩, ফিরতি ফ্লাইট ১৮-২১ জুলাই। সর্বশেষ ২০ জুন ফ্লাইট সংখ্যা-৩টি, এর আসন সংখ্যা-১ হাজার ৫৯৬টি খালি সিট-১ হাজার ৫৫৭টি  রয়েছে এবং ১৮-২১ জুলাই এসব ফ্লাইট দেশে ফিরবে।

উল্লেখ্য, সরকারের সাথে চুক্তি মোতাবেক সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স এবছর ২৩ হাজার ৫৪৫ জন হজযাত্রী বহন করবে।

Read us@googlenews

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond