[Valid RSS]
October 1, 2022, 3:28 pm
Treanding
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

২৮ আগস্ট এক নজরে বাংলাদেশ

Bangladesh Beyond
  • Updated on Sunday, August 28, 2022
  • 98 Impressed

২৮ আগস্ট এক নজরে বাংলাদেশ

 

হাওয়া’ সিনেমার বিষয়ে বন বিভাগের দায়েরকৃত মামলাটি সমঝোতার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির উদ্যোগ

 

ঢাকা, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

          বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অবগত না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে ‘হাওয়া’ সিনেমার পরিচালক কর্তৃক আপস নিষ্পত্তি করার আবেদনের প্রেক্ষিতে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট কর্তৃক দায়েরকৃত মামলাটি সমঝোতার ভিত্তিতে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

          বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২  এর ধারা ৪৩ মোতাবেক মামলাটি আপসযোগ্য হওয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা মোতাবেক আজ বিজ্ঞ মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। মাননীয় আদালত মামলা  প্রত্যাহারের আবেদনের বিষয়টি গ্রহণপূর্বক শুনেছেন এবং পরবর্তী তারিখে রায় ঘোষণার জন্য ধার্য করেছেন।

 

ন্যাপ বাস্তবায়নে ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন : ব্রিটেনের নিকট পরিবেশমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা

 

ঢাকা, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

          পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, নতুন জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ)-এ চিহ্নিত ৮টি বিষয়ভিত্তিক এলাকায় ১১৩টি কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। আমরা অবশ্যই অভ্যন্তরীণ সম্পদ ব্যবহার করব, তবে আন্তর্জাতিক এবং দ্বিপাক্ষিক সমর্থন ছাড়া, জলবায়ু সহিষ্ণুতা বাস্তবায়ন এবং অর্জন করা আমাদের পক্ষে খুব কঠিন হবে।  তাই আমরা যুক্তরাজ্যের মতো উন্নত দেশ থেকে সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি।

          আজ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিনের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসনের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেন।

          সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন,  বাংলাদেশ সরকার তার সীমিত সম্পদ দিয়ে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। হালনাগাদ এনডিসিতে, বাংলাদেশ ২০৩০ সাল নাগাদ ১৫ শতাংশ থেকে ২১ দশমিক ৮৫ শতাংশ স্বাভাবিক স্তরের কম পরিমণ নির্গমন হ্রাস লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়েছে। আমরা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অপেক্ষায় রয়েছি।

          ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম, চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কারিগরি ও গবেষণা ক্ষেত্রে ব্রিটেন বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। বাংলাদেশ-ব্রিটেন ঘনিষ্ঠ মিত্র উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, ব্রিটেনের চলমান সহযোগিতা ক্রমবর্ধমান গতিতে অব্যাহত থাকবে।

          দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার,  সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব সঞ্জয় কুমার ভৌমিক এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের জলবায়ু ও পরিবেশ প্রোগ্রামের সিনিয়র উপদেষ্টা আনা ব্যালান্স, জলবায়ু ও পরিবেশ টিমের টিম লিডার এলেক্স হারভেসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

বাংলাদেশের টার্নিং পয়েন্টে আছি আমরা : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

 

চট্টগ্রাম, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

           নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী  বলেছেন, বাংলাদেশ এখন টার্নিং পয়েন্টে আছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

          মন্ত্রী আজ চট্টগ্রামে হোটেল রেডিসন ব্লুতে বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডস এসোসিয়েশন (বাফা) ও ইউএসএআইডি যৌথভাবে আয়োজিত ‘এন আই অন ভিশন-২০৪১ অভ্ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং-এন্ড লজিস্টিকস সেক্টরস স্কিল ডেভেলপমেন্ট’ বিষয়ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দক্ষ জনগোষ্ঠী দরকার। বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে এটা বাস্তবতা। চট্টগ্রাম বন্দর এখন শুধু দেশের নয়, রিজিওনাল কানেকটিভিটির জায়গা হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পিত উন্নয়ন করছেন দেশের। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মানবাধিকার নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশের টার্নিং পয়েন্টে আছি আমরা। বাংলাদেশকে সোনার বাংলা বানানো আমাদের টার্গেট। আমাদের প্রচুর তরুণ জনশক্তি আছে। আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড নিয়ে নীরবে কাজ করেছ বাফা। তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলব।

          বাফার সভাপতি ড. কবির আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশেষ অতিথীর বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান। ইউএসএআইডি এবং বাফা পরিচালিত ডিপ্লোমা কোর্স ইন লজিস্টিকস সেক্টরের প্রি লঞ্চিং উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

চাল বিতরণে অনিয়ম সহ্য করা হবে না : খাদ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

          খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএসের চাল বিতরণে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে উল্লেখ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

          মন্ত্রী আজ নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার এবং বিএডিসি ও বিসিআইসি সার ডিলারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

          মন্ত্রী বলেন, দেশে সব রকম সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। প্যানিক সৃষ্টি করে কিছু অসাধু ডিলার সুযোগ নিচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অহেতুক অস্থিরতা তৈরি করলে কেউই রেহাই পাবে না। যিনি যে এলাকায় ডিলারশিপ নিয়েছেন তাকে সে এলাকায় সার বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিদিন কতটুকু বিক্রি হলো, কতটুকু অবশিষ্ট থাকলো তা নিয়মিতভাবে রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

          খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যবান্ধব ও ওএমএস কার্যক্রম সেপ্টেম্বর মাসের ১ তারিখ জেলা, উপজেলা ও পৌর এলাকায় শুরু হবে। এ সময় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএস এর চাল বিতরণে যেন কোনো অনিয়ম না হয় তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

          মন্ত্রী আরো বলেন, বিরূপ আবহাওয়া হলে আমনের উৎপাদন কম হতে পারে সে জন্য আমরা সতর্কতা হিসেবে বিদেশ থেকে চাল আমদানি করছি। ইতোমধ্যে বেসরকারি চাল আমদানির ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ রেগুলেটরি ট্যাক্স কমিয়েছি, খুব শীঘ্রই গেজেট জারি হবে। এছাড়া খাদ্য মজুতও পর্যাপ্ত রয়েছে। বর্তমান সরকার সারে ভর্তুকি দিচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কৃষক যাতে ভর্তুকির সুবিধা পায় তা নিশ্চিত করা হবে। কোথাও অবৈধ সারের মজুত পাওয়া গেলে সেই সার প্রকৃত কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে বলেও ঘোষণা দেন মন্ত্রী।

          জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদি হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার রাশিদুল হক। এছাড়া রাজশাহী আঞ্চলিক খাদ্য কর্মকর্তা ফারুখ হোসেন পাটোয়ারী, নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু হাসান ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আলমগীর কবির।

          সভায় জানানো হয়, নওগাঁ জেলায় ১ লাখ ১৯ হাজার ভোক্তা খাদ্যবান্ধব ও ওএমএস কর্মসূচির আওতায় স্বল্প মূল্যে চাল ক্রয়ের সুবিধা পাবেন।

          অনুষ্ঠানে নওগাঁ জেলার সকল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার এবং বিএডিসি ও বিসিআইসি সার ডিলারগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

ডাক বিভাগের নগদএর সাফল্যে একটি মহল বরাবরই নাখোশ : টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ সম্পর্কে মহল বিশেষের অপতৎপরতার বিষয়ে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।

এ বিষয়ে মন্ত্রী প্রতিক্রিয়া ব‌্যক্ত করে বলেন, “২৬শে মার্চ ২০১৯ থেকেই একটা বিষয় লক্ষ্য করে আসছি, ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’ এর সাফল্যে একটি মহল বরাবরই নাখোশ। যেখানে নগদ এর কারণে দেশের মোবাইল আর্থিক সেবার মান বেড়েছে এবং খরচ গত এক দশকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে সেখানে কার স্বার্থে আঘাত লাগছে সেটি অনুমেয়? যেখানে নগদ এর কারণে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের কোটি কোটি মানুষ অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিতে আসতে পারল, যার ফলশ্রুতিতে আজ দেশের শিশু-মহিলা-বয়স্ক- বিধবাসহ নিম্ন আয়ের মানুষেরা ঘরে বসে সমস্ত সরকারি ভাতা পাচ্ছে ডিজিটালি, ১০০ ভাগ স্বচ্ছতার সাথে, তাহলে এতে কার ক্ষতি হলো?”

মন্ত্রী বলেন, “এটি স্পষ্ট করে বলা দরকার যে নগদ এর জন্য ডাক বিভাগের কোনো ক্ষতি হয়নি বা হবেও না। ডাক বিভাগের সেবা হিসেবে নগদ তার জাতীয় দায়িত্ব পালন করছে। অনুগ্রহ করে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না বা গুজবে কান দেবেন না। তিনি আরো বলেন, নগদ এর প্রতিটি পদক্ষেপ রাষ্ট্রের সমস্ত আইন এবং নিয়ম মেনেই পরিচালিত হচ্ছে, এতে কোনো অনিয়মের স্থান নেই, তাই নিজ স্বার্থে কেউ জল ঘোলা করার চেষ্টা করবেন না।”

 

গণতন্ত্র ও ন্যায়ের ভিত্তিতে দেশ চালাচ্ছে সরকার : আইনমন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটের সর্বশেষ প্রতিবেদনে মানবাধিকার বা অন্যান্য বিষয়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়নি-এ প্রসঙ্গে  আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক জানান, এ বছরের মার্চ মাসে জেনেভায়  মিশেল ব্যাচেলেটের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছিল। সাক্ষাৎকালে  মিশেল ব্যাচেলেট বাংলাদেশ এবং এখানকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো  দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি মিশেল ব্যাচেলেটকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এরপর চলতি মাসে  হাইকমিশনার বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো দেখে গেছেন। মন্ত্রী বলেন, হাইকমিশনার যখন দেশে এসেছিলেন তখন বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিগণ তাঁর সাথে দেখা করেছেন,  কথা বলেছেন  এবং  হাইকমিশনারও সব কিছু দেখে  মন্তব্য করেছেন। এ থেকে বোঝা যায় তাঁর মন্তব্যে নেতিবাচক কোনো কিছু না আসার বিষয়টা অত্যন্ত ‘ডিপ রুটেড এবং ওয়েল আন্ডারস্ট্যুড’। এ থেকে  বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার  যে গণতন্ত্র এবং ন্যায়পরায়ণতার  উপরে বিশ্বাস করে দেশ চালাচ্ছেন সেটাও বোঝা যায়।

আজ রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অভ্‌ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধুর দর্শন: একুশ শতকের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক একটি মিশ্র সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর সংকল্প, দূরদৃষ্টি, সাহসিকতার ফলেই পাকিস্তানি অত্যাচার-অবিচার থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, যা এখনো এদেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করছে। 

এ সময় বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতির প্রশংসা করে আইনমন্ত্রী বলেন, তৎকালীন দ্বিমেরু বিশ্বে জাতির পিতা সফলভাবে নিরপেক্ষতার নীতি সমুন্নত রেখেছিলেন। তাঁর স্মরণীয় নীতি, ‘সকলের প্রতি বন্ধুত্ব, কারো প্রতি শত্রুতা নয়’ বাংলাদেশের পরারাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি এবং শান্তি, সহযোগিতা, উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে একটি উত্তম বিশ্ব গড়ার জন্য সম্পূর্ণ উপযোগী। মন্ত্রী বলেন, তাঁর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পররাষ্ট্রনীতিই বাংলাদেশকে ‘কোল্ড ওয়ার’ থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিআইআইএসএস- এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

সেমিনারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বৈদেশিক দূতাবাসের প্রতিনিধি, সাবেক কূটনীতিক, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, একাডেমিয়া, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষণা সংস্থার প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের প্রতিনিধি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব অংশগ্রহণ করেন ।

 

সার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে

ঢাকা, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

সার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ কক্ষ আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কাজ করবে।

কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণের সমন্বয়ে এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। সার বিষয়ক যে কোনো প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সাথে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ফোন নম্বর ব্যস্ত থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দেয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

 নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদের নাম ও ফোন নম্বর হলো: কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান শেখ বদিউল আলম-০১৭১৩৫৯৩৪৮৭, গবেষণা কর্মকর্তা মোঃ নূরুন্নবী-০১৭১৬৪৬২২৭৭, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম-০১৭২৪২৪৫৩৫৪ এবং অতিরিক্ত উপপরিচালক খন্দকার রাশেদ ইফতেখার-০১৮১৪ ৯৪৭০৫৪।

   উল্লেখ্য, চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বর্তমানে ইউরিয়া সারের মজুত ৬ লাখ ৫৬ হাজার মেট্রিক টন, টিএসপি ৩ লাখ ৯৪ হাজার টন, ডিএপি ৮ লাখ ২৩ হাজার টন, এমওপি ২ লাখ ৭৩ হাজার টন। সারের বর্তমান মজুতের বিপরীতে আমন মৌসুমে সারের চাহিদা হলো ইউরিয়া ৬ লাখ ১৯ হাজার টন, টিএসপি ১ লাখ ১৯ হাজার টন, ডিএপি ২ লাখ ২৫ হাজার টন, এমওপি ১ লাখ ৩৭ হাজার টন। বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় সারের বর্তমান মজুত বেশি। বিগত বছরে এই সময়ে ইউরিয়া সারের মজুত ছিল ৫ লাখ ৮৯ হাজার মেট্রিক টন, টিএসপি ২ লাখ ২৭ হাজার টন, ডিএপি ৫ লাখ ৫৬ হাজার টন এবং এমওপি ১ লাখ ৯৬ হাজার টন।

 বিসিআইসির প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি বছর ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ইউরিয়া সার বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৯ মেট্রিক টন, যা বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২ হাজার ৬০০ টন বেশি। বিগত বছর এই সময়ে ইউরিয়া সার বিক্রি হয়েছিল ৩ লাখ ৬৫ হাজার ১৭৯ টন।

 

খাগড়াছড়িতে সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া মাকে সরকারি সহায়তা প্রদানের নির্দেশ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর

ঢাতা, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

          পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং খাগড়াছড়িতে সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া মাকে সরকারি সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেছেন। 

আজ ঢাকায় মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষ থেকে টেলিফোনে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষকে বিপদগ্রস্ত মা ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। 

এ সময় গত ২৭ আগস্ট দৈনিক সমকাল পত্রিকায় ‘এক অভাবি মায়ের সন্তান বিক্রি’ শীর্ষক ফিচারের বিষয়ে মন্ত্রী খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাসের কাছে জানতে চান। জেলা প্রশাসক মন্ত্রীকে অবহিত করে বলেন, ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিপদগ্রস্ত মা ও তার পরিবারের সদস্যদের সরকারি সহায়তা প্রদানসহ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরে মন্ত্রী খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে এ বিষয়ে ফোনে কথা বলেন এবং বিপদগ্রস্ত মাকে সরকারিভাবে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের নির্দেশ দেন।

 

প্রাণিসম্পদ খাতকে গণমাধ্যমে ভালোভাবে তুলে ধরলে দেশ জাতি উপকৃত হবে : মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

প্রাণিসম্পদ খাতকে গণমাধ্যমে ভালোভাবে তুলে ধরলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জার্নালিস্ট ফেলোশিপ প্রোগ্রামের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ সেক্টর দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি সেক্টর। এই সেক্টরকে গণমাধ্যমে ভালোভাবে তুলে ধরে, এই সেক্টরের ত্রুটি-বিচ্যুতি তুলে ধরে সংশোধন হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায় সাংবাদিকরা শুধু প্রাণিসম্পদ খাতেরই উপকার করছেন না, দেশের উপকার করছেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, সাংবাদিকদের ফেলোশিপ দিয়ে তাদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে পারস্পরিকভাবে উন্নয়ন করা এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির লক্ষ্য। ফেলোশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাত সমৃদ্ধ হতে পারে, আবার এ খাতে যে সাংবাদিকরা কাজ করবেন তাদেরও জ্ঞানের পরিসর বাড়তে পারে। তিনি বলেন, মেধার পরিচর্যা ও সৃজনশীলতা বাড়াতে যে পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা রয়েছে, তার সাথে প্রাণিসম্পদ খাত ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ খাতের বিকাশে আমরা সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করতে চাই।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে ও পরিপ্রেক্ষিতের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ বোরহান কবীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ তৌফিকুল আরিফ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, গ্লোবাল টেলিভিশনের সিইও সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, ডিবিসি নিউজের সম্পাদক প্রণব সাহা। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমের মোট ২০ জন সাংবাদিক এ ফেলোশিপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করছেন।

 

পোরশায় প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক বিতরণ

পোরশা (নওগাঁ), ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তহবিল থেকে ১৯জন দরিদ্র ব্যক্তি চিকিৎসা সহায়তার চেক পেয়েছেন। নওগাঁর পোরশায় অসহায়, দরিদ্র ১৯ জন নারী-পুরুষের মাঝে চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ৯ লাখ ১০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

মন্ত্রী আজ পোরশা উপজেলা পরিষদ হল রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ অনুদানের চেক প্রদান করেন।

এছাড়াও পোরশার ৬ টি প্রতিষ্ঠানের মাঝে মন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিল হতে ১ লাখ ৮ হাজার টাকার চেক ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়বর্ধক (আইজিএ) প্রশিক্ষণ প্রকল্পের আওতায় ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) জাকির হোসেন, পোরশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার, থানা অফিসার ইনচার্জ জহুরুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 

সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তামাকের ব্যবহার অর্ধেকে কমিয়ে আনা সম্ভব : বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তামাকের ব্যবহার অর্ধেকে কমিয়ে আনা সম্ভব। তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার স্বাস্থ্য, জাতীয় অর্থনীতি ও পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করেছে এবং আইন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে ঢাকা আহছানিয়া মিশন আয়োজিত “প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালের ৩০-৩১ জানুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন শীর্ষক সাউথ এশিয়ান স্পিকারস সামিটের সমাপনী অনুষ্ঠানে আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে তামাকের ব্যবহার সম্পূর্ণ নির্মূল করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ ঘোষণা বাস্তবায়নে কাজ চলছে। তিনি বলেন, তামাক সেক্টর থেকে সরকার যে পরিমাণ রাজস্ব পেয়ে থাকে, তারচেয়েও অনেক বেশি ক্ষতি হচ্ছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তামাক শিল্পের সাথে অনেক মানুষ জড়িত আছে, এ মানুষগুলোর বিকল্প কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যা করণীয় সেগুলো করা হবে। তামাকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টির জন্য দেশের প্রচার মাধ্যমগুলোকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

ঢাকা আহছানিয়া মিশনের নির্বাহী পরিচালক সাজেদুল কাইয়ুম দুলালের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী এবং বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও সংসদ সদস্য
ডা. প্রান গোপাল দত্ত। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহছানিয়া মিশন হেলথ সেন্টারের উপ-পরিচালক মোখলেছুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিসিআইসি’র অবসরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ক্যাম্পেইন ফর টোবাকো ফ্রি কিডস এর লিড পলিসি এডভাইজার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সমন্বয়কারী হোসেন আলী খন্দকার প্রমুখ।

 

 

৬ষ্ঠ এডিনবার্গ সামিটে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিবৃন্দের সঙ্গে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ গতকাল স্কটল্যান্ডের রাজধানী এডিনবার্গের স্কটিশ পার্লামেন্টের ডিবেটিং চেম্বারে ৬ষ্ঠ এডিনবার্গ আন্তর্জাতিক কালচারাল সামিটের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনে যোগদান করেন। অধিবেশনের পাশাপাশি ডিবেটিং চেম্বার লবিতে তিনি ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সামিটে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় প্রতিনিধিদলের প্রধান হরিয়ানা রাজ্যের শিক্ষা ও পর্যটন মন্ত্রী কানওয়ার পাল এর সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় দু’দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদারকরণসহ সংস্কৃতি ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এছাড়া সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী স্কটল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আনিস চৌধুরীসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এসময় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্কটিশ পার্লামেন্ট মেম্বার ও ছায়া সংস্কৃতি মন্ত্রী ফয়সল চৌধুরী, যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাঈদা মুনা তাসনিম এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন অফিস ম্যানচেস্টারের সহকারী হাইকমিশনার কাজী জিয়াউল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ‘Culture and a Sustainable Future’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী (২৬-২৮ আগস্ট) এ আন্তর্জাতিক কালচারাল সামিটে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

 

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রত‍্যেক গেইটে স্ক‍্যানার বসানো হবে : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

 

চট্টগ্রাম, ১৩ ভাদ্র (২৮ আগস্ট) :

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন। এর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার জন‍্য স্ক‍্যানার বসানোর কার্যক্রম চলমান আছে। বন্দরের প্রত‍্যেক গেইটে আমদানি-রপ্তানির জন‍্য স্ক‍্যানার বসানো হবে। চট্টগ্রাম বন্দরকে বিশ্বমানের ডিজিটাল করার জন‍্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যা যা করণীয় তা করা হবে। শুধু চট্টগ্রাম বন্দর নয়, মোংলা বন্দরসহ স্থলবন্দরগুলোতেও স্ক‍্যানার বসানোর কাজ চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন। এসময় অন‍্যান‍্যের মধ‍্যে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম‍্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান, সদস‍্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো: জাফর আলম, সদস‍্য (প্রকৌশল) ক‍্যাপ্টেন মো: মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের সাথে চুক্তি অনুসারে তাদের দেশের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর ব‍্যবহার করতে পারবে এবং সেখান থেকে সড়ক পথে ভারতের অন‍্যান‍্য রাজ‍্যে মালামাল নিয়ে যেতে পারবে। এজন‍্য চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের জাহাজের ট্রায়াল রান হয়েছে, আরো ট্রায়াল হবে। চট্টগ্রাম বন্দরকে আরো আপগ্রেড করে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল, ওভারফ্লো ইয়ার্ড নির্মিত হয়েছে। অধিক জাহাজ বাড়ার চাপ সামাল দেয়ার জন‍্য চট্টগ্রাম বন্দর প্রস্তুত আছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে এসআরও হয়ে গেলে নিয়মিতভাবে ভারতীয় জাহাজ আসা শুরু করবে।

ভারতের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর ব‍্যবহার করা এবং সেখান থেকে পণ‍্য ভারতের অন‍্যান‍্য রাজ‍্যের পাঠানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ মানবিক রাষ্ট্র। ৩০ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে এ দেশ পেয়েছি। আমরা সবসময় মানবিক পদক্ষেপ নিয়েছি। বঙ্গবন্ধুর বিদেশ নীতি হলো-সকলের সাথে বন্ধুত্ব। সে অনুযায়ী আমরা মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। 

 

Read us@googlenews

 

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond