শিক্ষামন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ঢাকা, ১৪ ভাদ্র (২৯ আগস্ট) :
বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত LEE Jang-Keun আজ সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে তাঁর অফিসে সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম উন্নয়ন পার্টনার। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বর্তমানে অতীতের সকল সময়ের চেয়ে বেশি। রাষ্ট্রদূত এ সময় দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়নে উপজেলা পর্যায়ে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) এর আওতাধীন Upazila ICT Training and Resource Centre for Education (UITRCE) এর তৃতীয় ফেইজ চালু করার আগ্রহ ব্যাক্ত করেন। প্রথম পর্যায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়নে ইতোমধ্যে ১০০টি উপজেলায় UITRCE নির্মাণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় ফেইজে ১৬০টি নির্মাণাধীন রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়নের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এই সহযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশে মানবাধিকারের সুরক্ষা : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
ঢাকা, ১৪ ভাদ্র (২৯ আগস্ট) :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু পরবর্তী সরকারে মানবাধিকারের সুরক্ষা একমাত্র শেখ হাসিনাই করেছেন। সাংবিধানিকভাবে যার যে আইনগত অধিকার সেটা তিনি নিশ্চিত করেছেন। মানবাধিকারের লঙ্ঘন যারা করেছে তাদের বিচার করা যাবে না এই আইন অন্যরা করেছে। তাই শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশে মানবাধিকারের সুরক্ষা।
আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম আয়োজিত ‘রক্তাক্ত আগস্ট ও মায়ের কান্না’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানবাধিকারের ফেরিওয়ালা মাঠে নেমেছেন। তারা বলেন মানবাধিকার সাংঘাতিকভাবে লঙ্ঘন হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছিল ১৯৭১ সালে। ত্রিশ লাখ মানুষকে হত্যা করা, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম নেয়া, জোর করে ধর্মান্তরিত করা, দেশ ত্যাগে বাধ্য করা ছিল মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় লঙ্ঘন। সেই লঙ্ঘনকারীদের বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন করেছেন বঙ্গবন্ধু। এরপর সবচেয়ে বড় মানবাধিকারের লঙ্ঘন হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।
বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সবচেয়ে বড় বিচার শেখ হাসিনার হাতে হয়েছে উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম আরো যোগ করেন, ১৯৭১ সালে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে জঘন্য অপরাধ করেছে তাদের বিচার শেখ হাসিনা করেছেন। দেশের রাষ্ট্রপতি, তার স্ত্রী, শিশু পুত্র ও অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ অন্যদের হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে এদেশে দ্বিতীয়বার মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছিল। সেটার বিচার শেখ হাসিনার হাতে হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনার বিচার শেখ হাসিনার হাতে হয়েছে। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের অপরাধীদের বিচার শেখ হাসিনার হাতে হয়েছে। দেশে যত বড় বড় রাজনৈতিক অপরাধের ঘটনা ঘটেছে, তার বিচার শেখ হাসিনার হাতে হয়েছে।
১৯৭৯ সালে যেদিন পার্লামেন্টে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না এই আইন পাস করা হয়েছিল সেদিন মানবাধিকারের ফেরিওয়ালাদের ভূমিকা কি ছিল? শেখ হাসিনাকে দেশে আসতে দেওয়া হবে না যেদিন এই সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছিল সেদিন এদেশে মানবাধিকারের কথিত ফেরিওয়ালাদের ভূমিকা কি ছিল?-প্রশ্ন রাখেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের সত্য উদঘাটনের ধারাবাহিক যোগসূত্রে দেখা যায় জিয়াউর রহমান পূর্বাপর সবকিছুর সাথে জড়িত। বঙ্গবন্ধু হত্যার বেনিফিশিয়ারিও তিনি। তিনি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশের বাইরে ১২টি হাইকমিশনে চাকরি দিয়েছেন। খুনিদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করেছেন। এভাবে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের পথ রুদ্ধ করার আইন করেছিলেন জিয়াউর রহমান।
বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক স্বদেশ রায়, লেখক ও গবেষক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ নবী নেওয়াজ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য মনিরুজ্জামান মনির এবং লেখক ও গবেষক নিঝুম মজুমদার।
শিখন দক্ষতা যাচাই কার্যক্রমের শুরু করলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব
ঢাকা, ১৪ ভাদ্র (২৯ আগস্ট) :
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান রংপুর সদর উপজেলার রঘু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফকরকুঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে অনলাইনে যুক্ত হয়ে শিখন দক্ষতা যাচাই কার্যক্রম শুরু করেছেন।
সিনিয়র সচিব বিভিন্ন শ্রেণির শিশুদের শিখন দক্ষতা যাচাইকালে তাদের মেধা, দক্ষতা, মনোযোগ, আগ্রহ, কৌতুহল প্রভৃতি বিষয় নিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং তাদের বিভিন্ন গাণিতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয়ের সমাধান করে দেন। তিনি শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করে বলেন, শিশুরা আমাদের জাতির আলোকিত আগামী, আজকের শিশু আগামীর বাংলাদেশ। তাই সমৃদ্ধ স্বদেশ গড়তে হলে শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। আর এ দায়িত্ব শিক্ষকদের। তাই শিক্ষকদের নিজেকে প্রতিনিয়ত সময়ের পরিবর্তিত চাহিদানুসারে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। শেখানোর জন্য শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্ম হয়ে যেতে হবে।
এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সিনিয়র সচিবের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রংপুর প্রান্তে রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা উপপরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম এসময় উপস্থিত ছিলেন।
Call for scripts and screenplays for govt. funded full length movie and short film
Dhaka, 14 Bhadra (August 29):
To encourage talent and creativity in the film industry and to uphold the prevailing culture of Bangladesh, the Ministry of Information and Broadcasting has called for script and stories for production of government-funded full length movies and short films in the fiscal 2022-23. The government will provide fund for life oriented and artistic movies that contain the spirit of liberation war and human values.
Package proposals from producers, directors, filmmakers, film personality or relevant professional organizations, writers and script writers should reach the Ministry of Information and Broadcasting by 4 pm on October 31.
Detailed information regarding this is available on ministry’s website : www.moi.gov.bd.
It may be noted that the government provides grants for 10 full length and 10 short films every year.
বঙ্গবন্ধু একটি জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং স্থপতি : এনামুল হক শামীম
ত্রিশাল, ময়মনসিংহ, ১৪ ভাদ্র (২৯ আগস্ট) :
পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরঞ্জীব। একটি জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং স্থপতি। যতদিন এ রাষ্ট্র থাকবে, ততদিন অমর থাকবেন তিনি।
আজ ত্রিশালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
উপমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে দৈহিকভাবে হত্যা করা হলেও তাঁর মৃত্যু নেই। ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও বাঙালির হৃদয় থেকে সরাতে পারেনি। তাই তো আজও আগস্ট এলেই এই বাঙালি জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে তার পিতাকে। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের উত্তাল সমুদ্রে বঙ্গবন্ধু বজ্রদীপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ এই ঘোষণায় উদ্দীপ্ত, উজ্জীবিত জাতি স্বাধীনতার মূলমন্ত্র পাঠ করে পাকহানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ছিনিয়ে আনে দেশের স্বাধীনতা। মুক্তিযুদ্ধ শেষে বাঙালির প্রাণপ্রিয় নেতাকে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। বীরের বেশে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধু। দেশে ফিরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখার পাশাপাশি দেশের মানুষকে উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করেন বঙ্গবন্ধু।
এনামুল হক শামীম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে তারা একের পর এক চক্রান্তের ফাঁদ পেতেছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর বিপথগামী উচ্চাভিলাষী কয়েকজন সদস্যকে ষড়যন্ত্রকারীরা ব্যবহার করেছে ওই চক্রান্তেরই বাস্তব রূপ দিতে। এরাই স্বাধীনতার সূতিকাগার বলে পরিচিত ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িটিতে হামলা চালায় গভীর রাতে। হত্যা করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশে সামরিক শাসন জারি হয়। গণতন্ত্রকে হত্যা করে মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। শুরু হয় হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। কেড়ে নেওয়া হয় জনগণের ভাত ও ভোটের অধিকার। বিশ্বে মানবাধিকার রক্ষার জন্য হত্যাকারীদের বিচারের বিধান রয়েছে কিন্তু বাংলাদেশে জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচারের হাত থেকে রেহাই দিতে সামরিক অধ্যাদেশ জারি করে খুনি জিয়া চক্র। খুনিরা বিচারের পরিবর্তে পেয়ে যায় পুরস্কার।
উপমন্ত্রী শামীম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এখনো বিশ্বের নির্যাতিত-নিপিড়িত মানুষের নেতা। তিনি বলেছিলেন বিশ্ব আজ দুই ভাগে বিভক্ত। একভাগ শাসক আরেক ভাগ শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে।
এনামুল হক আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাথমিক শিক্ষা থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। প্রতিটি উপজেলা শহরে থাকা মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণ করছেন। তিনি প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করেছেন। পুরাতন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন নতুন ভবন করে দিচ্ছেন। এজন্য জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলছেন।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম, ডিন প্রফেসর ড. আহমেদুল বারী, রেজিস্ট্রার ড. হুমায়ুন কবীর, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ মাসুম হাওলাদার প্রমূখ।
আপীল বিভাগে অবকাশকালীন বিচারপতি মনোনীত
ঢাকা, ১৪ ভাদ্র (২৯ আগস্ট) :
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী আগামী ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটি ও বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত ছুটিসহ আসন্ন কোর্টের অবকাশকালীন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, আপীল বিভাগের মামলা সংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত Vacation Judge হিসেবে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এবং ১ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত বিচারপতি বোরহান উদ্দিনকে মনোনীত করেছেন।
বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার (আগামী ৬, ১৩, ২০ ও ২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টা থেকে Vacation Judge হিসেবে শারীরিক উপস্থিতিতে আপীল বিভাগের চেম্বার কোর্টে শুনানি গ্রহণ করবেন।
বিচারপতি বোরহান উদ্দিন সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার (আগামী ৪ ও ১১ অক্টোবর) সকাল ১১ টা থেকে Vacation Judge হিসেবে শারীরিক উপস্থিতিতে আপীল বিভাগের চেম্বার কোর্টে শুনানি গ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ আজ এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সংক্রান্ত তথ্য জানিয়েছে।
সরকারি অনুদানে পূর্ণ ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রস্তাব আহ্বান
ঢাকা, ১৪ ভাদ্র (২৯ আগস্ট) :
চলচ্চিত্র শিল্পে মেধা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং বাংলাদেশের আবহমান সংস্কৃতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং মানবীয় মূল্যবোধসম্পন্ন জীবনমুখী, রুচিশীল ও শিল্পমানসমৃদ্ধ পূর্ণ ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারি অনুদান প্রদানের উদ্দেশ্যে কাহিনি ও
চিত্রনাট্যের প্যাকেজ প্রস্তাব আহ্বান করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। প্রযোজক, পরিচালক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পেশাদার প্রতিষ্ঠান, লেখক ও চিত্রনাট্যকারদের নিকট থেকে প্যাকেজ প্রস্তাব আগামী ৩১ অক্টোবর বিকাল ৪টার মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে পৌঁছাতে হবে।
এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.moi.gov.bd থেকে।
উল্লেখ্য, সরকার প্রতিবছর ১০টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে অনুদান প্রদান করে থাকে।
শুধু বাংলাদেশ নয় বঙ্গবন্ধু বিশ্বময় : শিক্ষামন্ত্রী
ঢাকা, ১৪ ভাদ্র (২৯ আগস্ট) :
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনীতি ছিলো শোষিতের পক্ষে। সাম্রাজ্যবাদী ও পরাজিত শক্তি স্বাধীন বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি তাই তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলা যায়নি, বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলা নয়, আজ সারা বিশ্বময়।
মন্ত্রী গতকাল জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির (এপিইউবি) সভাপতি শেখ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন কাজী আনিস আহমেদ। অনুষ্ঠানে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. দীল আফরোজা বেগম, বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. গোলাম শাহি আলম এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির বিপরীত ধারা সামরিক স্বৈরাচার, অপরাজনীতি, ধর্মকে ক্ষুদ্র ও হীনস্বার্থে ব্যবহার করার রাজনীতি। রাজনীতি একটি ইতিবাচক বিষয়। কিন্তু রাজনীতির এই ভিন্ন ধারায় আদর্শিক কিছু খুঁজে পাওয়া যায়না।
দীপু মনি বলেন, আওয়ামী লীগ যে আদর্শের রাজনীতি করে, তা উদার মানবতাবাদী, অসাম্প্রাদায়িক রাজনীতি। সেই রাজনীতির বিরোধীতা করা ভিন্ন ধারার রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। তাদের নিজস্ব কোনও আদর্শিক অবস্থান খুঁজে পাওয়া যায় না। কারণ মানুষ হত্যা করা, ষড়যন্ত্র করা, ক্যু করা, অগ্নিসন্ত্রাস করা এগুলো কোনও আদর্শ হতে পারে না, এগুলো রাজনীতির উপাদান হতে পারে না। বঙ্গবন্ধু এই অপরাজনীতির বিপক্ষে দাঁড়িয়ে মানুষের অধিকারের পক্ষে, অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রের পক্ষে রাজনীতি করেছেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যখন পাকিস্তান তৈরি হলো, পাকিস্তান কাঠামোর মধ্যে বাঙালির অধিকার কখনো বাস্তবায়িত হবে না, এটি বঙ্গবন্ধু একেবারে গোড়াতেই বুঝেছিলেন। বাঙালির স্বাধীন রাষ্ট্রের চিন্তা গোড়া থেকেই তাঁর মনের মধ্যে ছিলো। বাঙালির স্বাধীন রাষ্ট্রের চেহারা কেমন হবে সেটির রূপরেখা আমরা বঙ্গবন্ধুর মধ্যে দেখতে পাই।