[Valid RSS]
December 6, 2022, 1:28 pm
Treanding
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

২ আগস্ট এক নজরে বাংলাদেশ

Bangladesh Beyond
  • Updated on Tuesday, August 2, 2022
  • 108 Impressed

২ আগস্ট এক নজরে বাংলাদেশ

 

রাষ্ট্রপতির কাছে জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ

 

ঢাকা, ১৮ শ্রাবণ (২ আগস্ট) :

 

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী আজ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের কাছে জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন- ২০২১ পেশ করেছেন।

এ সময় কমিশনের সদস্য বিচারপতি মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার, অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মোঃ গোলাম সারওয়ার এবং জেলা ও দায়রা জজ এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে প্রধান বিচারপতি ও জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম এবং বার্ষিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপতি বিচারকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জনগণ যাতে দ্রুত সময়ে ন্যায় বিচার পায় সে ব্যাপারে বিচারকদের আরো সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ।

রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন এবং সচিব সংযুক্ত মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে মার্কিন ডেপুটি কোঅর্ডিনেটর লরা স্টোনের সাক্ষাৎ

 

ঢাকা, ১৮ শ্রাবণ (২ আগস্ট) :

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অভ্ স্টেটের ডেপুটি কোঅর্ডিনেটর ফর গ্লোবাল কোভিড রেসপন্স এন্ড হেলথ সিকিউরিটি লরা স্টোন আজ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলমের সাথে তাঁর অফিসে সাক্ষাৎ করেন। দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসে লরা স্টোন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। তাঁরা বাংলাদেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিবিড় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা করেন।

করোনা মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের ভূয়সী প্রশংসা করে ডেপুটি কোঅর্ডিনেটর লরা স্টোন বলেন, বিপুল জনসংখ্যার ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের সাফল্য অভূতপূর্ব এবং বিশ্বের অনেক দেশের জন্যই এটি একটি রোল মডেল। কোভিড ভ্যাক্সিন অনুদান দেয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সামনের দিনগুলোতে সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ বিস্তৃত করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। লরা স্টোন আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল একশন প্ল্যান ফর কোভিড-১৯ রেসপন্সের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক বাংলাদেশ কর্তৃক যৌথ আয়োজনের বিষয়টি আলোচনা করেন। এই বৈঠকে বাংলাদেশ সক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া, বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যা, জলবায়ু পরিবর্তন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা হয়।

এর আগে ডেপুটি কোঅর্ডিনেটর লরা স্টোন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পশ্চিম) শাব্বির আহমদ চৌধুরীর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা করেন। উভয় বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ হওয়া বাঞ্ছনীয় : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৮ শ্রাবণ (২ আগস্ট) :

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ হওয়া বাঞ্ছনীয়। প্রযুক্তির ব্যবহার উত্তরোত্তর বাড়ছে। ই-বর্জ্যও বাড়বে। ভবিষ্যতে এটা সারা বিশ্বের একটি সমস্যায় পরিণত হতে পারে। এখন থেকেই সচেতন হতে হবে।

 

আজ অনলাইনে ই-বর্জ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘নব প্রজন্মের সবুজ পৃথিবী’ শিরোনামে ওয়ালটন ল্যাপটপ কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ই-বর্জ্য অনেক দেশ রপ্তানিও করছে। রিসাইকেল করেও অন্যান্য যন্ত্রাংশ তৈরি করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২১ বাংলাদেশেও প্রণয়ন করেছে। ওয়ালটনের এই উদ্ভাবনী কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, সর্বাধুনিক পদ্ধতিতেই ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা উচিত।

 

এ সময় অন্যান্যের মাঝে ওয়ালটন ডিজিটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম ও ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোরশেদ বক্তব্য রাখেন।

 

দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্যই ভোলার ঘটনা ঘটিয়েছে বিএনপি, পুলিশের প্রতিও গুলি ছুঁড়েছে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ শ্রাবণ (২ আগস্ট) :

‘দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বিএনপি ৩১ জুলাই ভোলার ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা পুলিশের প্রতি গুলি ছুঁড়েছে এবং সেই গুলিতে একজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন’ বলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

 

মন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা একজন পুলিশ সদস্যকে স্থানীয় বিএনপি অফিসে ধরে নিয়ে গিয়ে মারধর করেছে। এবং বিএনপির সহযোগী সংগঠনের সদস্য যে যুবক মারা গেছেন, ডাক্তার বলছেন যে প্রাথমিক রিপোর্টে হেড ইনজুরির কারণে অর্থাৎ ইট-পাটকেলের আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন, তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে। তবে বিএনপি লাশ সৃষ্টি করতে চায়, লাশ সৃষ্টি করার অংশ হিসেবে ভোলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’

 

আজ সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ড. হাছান বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেব যে উস্কানিমূলক এবং অশোভন ভাষায় কথা বলেছেন এজন্য আপনাদের সামনে কথা বলার জন্য হাজির হয়েছি। প্রকৃতপক্ষে বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে দেশে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা, মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির জন্য সময়ে সময়ে গুজব রটানো এবং ক্রমাগতভাবে মিথ্যাচার করা। এই হচ্ছে বিএনপির রাজনীতির মূল প্রতিপাদ্য। এবং যখন আগস্ট মাস আসে, তাদের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টাগুলো বেড়ে যায়।

 

মন্ত্রী বলেন, ‘আগস্ট মাস শুরুর আগে গত ৩১ জুলাই ভোলায় বিএনপি যে সেখানে মিছিল সমাবেশ করবে সেটি পুলিশকে আগে থেকে অবহিত করেনি। এরপরও তারা যাতে মিছিল সমাবেশ করতে পারে সেজন্য পুলিশ সহযোগিতা করেছে। যখন তারা দোকানপাট ভাঙচুর করা শুরু করলো এবং পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা শুরু করলো তখন পুলিশকে টিয়ার গ্যাস ছুঁড়তে হয়েছে। শুধু ইট-পাটকেল নিক্ষেপ নয়, বিএনপি পুলিশের প্রতি গুলি ছুঁড়েছে। বিএনপির ছোঁড়া গুলিতে ভোলায় কর্মরত ওয়াচার কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া একজন পুলিশ সদস্যকে ধরে পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে তারা মারধর করে।’

 

আজকে মির্জা ফখরুল সাহেব উস্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এখনো রাস্তায় নামেনি উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, তাদের রাজপথ দখল করার কথা আমরা বহু আগে থেকে শুনে আসছি। আমরা সবাই রাজপথে নামলে কি দাঁড়াবে সেটিই হচ্ছে প্রশ্ন। আমরা এখনো আমাদের নেতাকর্মীদের সেই আহ্বান জানাইনি। তবে আমি নেতাকর্মীদেরকে অনুরোধ জানাই বিএনপি দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

 

বিএনপির হরতাল ডাকার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, বিএনপি অতীতেও হরতাল ডেকেছিল, তখন দেশব্যাপী যানজট হয়েছে। হরতাল ডেকে তারা বুঝতে পেরেছে তাদের ডাকে কেউ সাড়া দেয় না। আর আগের মতো তারা অবরোধ ডেকে দিনের পর দিন মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখার অপচেষ্টা চালালে মানুষই বরং তাদেরকে প্রতিহত করবে।

 

ঢাকা, ১৮ শ্রাবণ (২ আগস্ট) :

সরকারি-বেসরকারি টিভি চ্যানেলসহ সকল ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো :

মূলবার্তা :

 ‘সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাধীন টোল প্লাজাসমূহে ফাস্ট ট্র্যাক বা দ্রুতগতির লেন ব্যবহার করলে নির্ধারিত টোল থেকে ১০% ছাড়।’ : সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ

 

একনেকে প্রায় ২ হাজার ৭ কোটি টাকার ৭ প্রকল্প অনুমোদন

ঢাকা, ১৮ শ্রাবণ (২ আগস্ট):

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় ২ হাজার ৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ৭ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ৮৩১ কোটি ৪১ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৫৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ১২২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক-এর চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ গণভবনের সাথে সংযুক্ত হয়ে ভিডিও কনফারেন্স-এর মাধ্যমে শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক-এর সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত প্রকল্পসমূহ হলো: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের “কক্সবাজার জেলার বাংলাদেশ-মায়নমার-এ সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদী বরাবর পোল্ডারসমূহের (৬৭/এ, ৬৭, ৬৭বি এবং ৬৮) পুনর্বাসন (১ম সংশোধিত)” প্রকল্প; কৃষি মন্ত্রণালয়ের “বিনা’র গবেষণা কর্মক্রম শক্তিশালীকরণ” প্রকল্প; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে “Procurement of Equipment and Machineries from Belarus for Selected Municipalities and City Corporations” প্রকল্প; গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের “উত্তরা লেক উন্নয়ন (১ম সংশোধিত)” প্রকল্প; ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের “ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় টেলিটকের নেটওয়ার্ক বাণিজ্যিকভাবে ৫জি প্রযুক্তি চালুকরণ” প্রকল্প;  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের “ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় সদর দপ্তর স্থাপনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ভূমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসন” প্রকল্প; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প যথাক্রমে “ঢাকা কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ” প্রকল্প এবং “কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রাজশাহী” প্রকল্প।

পরিকল্পনা কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান; কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম; শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন; বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি; ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী; এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, এসডিজি’র মুখ্য সমন্বয়ক, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের সিনিয়র সচিব ও সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

টিসিবির পণ্য বিক্রয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের নিম্নআয়ের এক কোটি পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রয় অব্যাহত থাকবে

 

ঢাকা, ১৮ শ্রাবণ (২ আগস্ট) :

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, সরকার দেশের ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্নআয়ের এক কোটি পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবি’র পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। শোকাবহ আগষ্ট মাসে চিনি, মশুর ডাল, সয়াবিন তেল এবং পেঁয়াজ নির্ধারিত মূল্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য বিক্রয় শুরু করা হলো। এ সকল পণ্য এক কোটি কার্ড হোল্ডারের কাছে বিক্রয় করা হচ্ছে। পণ্য বিক্রয়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এখন আর ট্রাক সেলে এ সকল পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে না। নিয়োগকৃত ডিলারগণের নির্ধারিত দোকান বা স্থাপনা হতে দেশব্যাপী এ পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের নিম্নআয়ের মানুষের কাছে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবি’র পণ্য বিক্রয় করে সহযোগিতা করা হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টিসিবি’র পণ্য বিক্রয়ের ফলে প্রকৃত নিম্নআয়ের মানুষ এ সকল পণ্য ক্রয়ের সুযোগ পাবেন। এতে সুবিধাভোগীগণ খুশি। টিসিবি’র পণ্য বিক্রয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ ঢাকায় মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে শোকাবহ আগষ্ট মাসে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্নআয়ের এক কোটি পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবি’র পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা মোতাবেক দেশের এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে চিনি প্রতি কেজি ৫৫ টাকা, মশুর ডাল প্রতি কেজি ৬৫ টাকা, সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১১০ টাকা এবং পিঁয়াজ প্রতি কেজি ২০ টাকা দরে (ভর্তুকি মূল্যে) টিসিবি’র পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে। প্রতি কার্ডধারীর কাছে এক কেজি চিনি, দুই কেজি মশুর ডাল, দুই লিটার সয়াবিন তেল এবং দুই কেজি পেঁয়াজ বিক্রয় করা হচ্ছে। নিয়োগকৃত ডিলারগণের মাধ্যমে দেশব্যাপী নির্ধারিত দোকান বা স্থাপনা হতে এ সকল পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে। সিটি করপোরেশন এবং উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্ধারিত তারিখ এবং সময়ে এ সকল পণ্য বিক্রয় অব্যাহত থাকবে। তবে, পেঁয়াজ শুধু মহানগরী এবং জেলায় টিসিবি’র আঞ্চলিক কার্যালয় সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহে বিক্রয় করা হবে।

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আলী আহাদ খানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও টিসিবির কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

বিজিবি’র অভিযানে জুলাই মাসে প্রায় ১৩৭ কোটি টাকার চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য জব্দ

ঢাকা, ১৮ শ্রাবণ (২ আগস্ট):

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জুলাই মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ অন্যান্য স্থানে অভিযান চালিয়ে সর্বমোট ১৩৭ কোটি ৩০ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকারের চোরাচালান পণ্য সামগ্রী, অস্ত্র ও গোলাবারুদ এবং মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে।

জব্দকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে ১১ লাখ ২৬২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১২ কেজি ৪০০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ৩ কেজি ১৪৭ গ্রাম হেরোইন, ৩১ হাজার ১৭৪ বোতল ফেনসিডিল, ১৪ হাজার ৬৩৩ বোতল বিদেশি মদ, ৪ হাজার ৭২১ ক্যান বিয়ার, ৩৪৪ লিটার বাংলা মদ, ২ হাজার ৫৩৮ কেজি গাঁজা, ৪ লাখ ১৬ হাজার ৩০১ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেট, ১৯ হাজার ২৭২টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন, ৬ হাজার ৭১৪টি ইস্কাফ সিরাপ, ৫৩৬ কেজি তামাক পাতা, ১ হাজার বোতল এমকেডিল/কফিডিল, ৪ লাখ ৩০ হাজার ৪১৪ পিস বিভিন্ন প্রকার ঔষধ, ১৬ হাজার ৬৯৫টি এ্যানেগ্রা/সেনেগ্রা ট্যাবলেট এবং ৭৭ হাজার ৮০০টি অন্যান্য ট্যাবলেট। জব্দকৃত অন্যান্য চোরাচালান দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে  ৫৮২ দশমিক ৬৮ গ্রাম স্বর্ণ, ২৬ কেজি রূপা, ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬৪৬টি কসমেটিক্স সামগ্রী, ৩ হাজার ৮১৪টি ইমিটেশন গহনা, ১০ হাজার ৭৬টি শাড়ী, ১ হাজার ৩৯৭টি থ্রিপিস/শার্টপিস/চাদর/কম্বল, ১ হাজার ৯২টি তৈরি পোশাক, ১ হাজার ২৭ ঘনফুট কাঠ, ১ হাজার ৮১৬ ঘনফুট পাথর, ৮ হাজার ৩৫৯ কেজি চা পাতা, ১ লাখ ৩১ হাজার ৭০০ কেজি কয়লা, ৪৪১ কেজি কারেন্ট জাল, ১৫টি কষ্টি পাথরের মূর্তি, ৫টি ট্রাক/কাভার্ডভ্যান, ৫টি প্রাইভেটকার/মাইক্রোবাস, ৬টি পিকআপ, ৩২টি সিএনজি/ইজিবাইক এবং ৭০টি মোটরসাইকেল। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৬টি পিস্তল, ৭টি রাইফেল, ১০টি বন্দুক, ১টি গান, ৫টি ম্যাগাজিন, ১টি মর্টাল শেল, ১টি রাইফেলের ব্যারেল, ৩১টি খালি খোসা এবং ২৮ রাউন্ড গুলি।

এছাড়া সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৬০ জন চোরাচালানীকে এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৩৬২ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও ২৩ জন ভারতীয় নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পরমাণু অস্ত্রের হুমকি থেকে বিশ্বকে মুক্ত রাখার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিউইয়র্ক, ২ আগস্ট:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আমরা আশা করি পারমাণবিক বিস্তাররোধ চুক্তি (এনপিটি) এর দশম পর্যালোচনা সম্মেলন থেকে এমন সিদ্ধান্ত বের হয়ে আসবে যা বিশ্বকে পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকি থেকে মুক্ত করতে চুক্তিটির সার্বজনীনতা এবং বাস্তবায়নকে আরো সহজ করবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ঐতিহাসিক প্রথম ভাষণে বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের কবল থেকে মুক্তির যে আহ্বান জানিয়েছিলেন তা উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, এই আহ্বানকে ভিত্তি করেই পারমাণবিক অস্ত্রের সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পূর্ণ প্রতিশ্রুতির ভিত্তি তৈরি হয়েছে যা আমাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।

গতকাল জাতিসংঘ সদর দফতরের সাধারণ পরিষদ হলে অনুষ্ঠিত দশম এনপিটি পর্যালোচনা সম্মেলনে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মানবতার নিরাপত্তাকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করে মুষ্টিমেয় কয়েকটি রাষ্ট্র স্থায়ীভাবে যে পারমাণবিক অস্ত্র মজুদ রেখেছে তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান । ড. মোমেন এনপিটি এর তিনটি স্তম্ভ-পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ, এর বিস্তাররোধ এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যকর বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। এক্ষেত্রে, তিনি চুক্তির ধারা-৪ এর বৈষম্যহীন বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন, স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষিসহ শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তির বিকাশ, গবেষণা, উৎপাদন এবং ব্যবহার করার জন্য সকল রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারমাণবিক প্রযুক্তির গবেষণায় বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং মানবজাতির স্বার্থে এর শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের সম্ভাবনা অন্বেষণের আহ্বান জানান। কোভিড অতিমারির মধ্যেও পারমাণবিক অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ২০২১ সালে ৮২.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি রাষ্ট্রগুলিকে ধ্বংসাত্মক পারমাণবিক অস্ত্রে অর্থহীন বিনিয়োগ বন্ধ করে স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, এসডিজি, শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য ব্যয় করারও আহ্বান জানান।

এনপিটি রিভিউ কনফারেন্স যোগদানের পাশাপাশি জাতিসংঘ মহাসচিবের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা সমস্যাসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিয়োগ প্রদানের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ মহাসচিব জানান, অচিরেই আফ্রিকার বিভিন্ন শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশ থেকে আরো শান্তিরক্ষী ও অস্ত্র সরঞ্জাম নেওয়া হবে। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ  সদরদপ্তরের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামরিক উচ্চপদে আরো বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য মহাসচিবের নিকট অনুরোধ জানান। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান এবং অব্যাহতভাবে মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কৃতজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন জাতিসংঘ মহাসচিব। ইউক্রেন যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গঠিত গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপে যোগ দিতে সম্মত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

জাতিসংঘ মহাসচিব ছাড়াও এনপিটি কনফারেন্সে যোগদান উপলক্ষে জাতিসংঘে আগত বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এদের মধ্যে রয়েছেন স্লোভেনিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী তানজা ফাজন, হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার সিজিজারতো, আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী সান্তিয়াগোক্যাফিরো। এ সকল বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

 

Read us@googlenews

 

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond