[Valid RSS]
September 24, 2022, 6:55 pm
Treanding
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

২ সেপ্টেম্বর এক নজরে বাংলাদেশ

Bangladesh Beyond
  • Updated on Friday, September 2, 2022
  • 52 Impressed

২ সেপ্টেম্বর এক নজরে বাংলাদেশ

 

বিএনপির সকল ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে আওয়ামী লীগ প্রস্তুত : পানিসম্পদ উপমন্ত্রী

 

শরীয়তপুর, ১৮ ভাদ্র (২ সেপ্টেম্বর) :

 

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম বলেছেন, দেশকে অস্থিতিশীল করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বিএনপি। তিনি বলেন, বিএনপি ও তাদের দোসরদের যে কোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে জনগণ প্রস্তুত রয়েছে। বিএনপি যদি আবারও ২০১৩-১৪ সালের মতো সহিংস ও জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি করে তাহলে জনগণের জান-মাল রক্ষায় জনগণকে সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগ রাজপথে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

 

আজ শরীয়তপুরের সখিপুর থানার চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

উপমন্ত্রী শামীম বলেন, বিএনপির ঐক্য অতীতে যেমন জনগণকে বিভ্রান্ত করতে পারেনি তেমনি ভবিষ্যতেও পারবে না। দুঃশাসনের কথা যখন বিএনপি বলে তখন দেশের মানুষ হাসে। দুঃশাসন বলতে যা বুঝায়, বিএনপির আমলেই সেটার বিশ্ব রেকর্ড হয়েছে। এদেশের মানুষ তা ভোলে নাই। বিএনপি নেতাদের দুঃশাসনের কথা বলার আগে আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখা উচিত। দেশের মানুষ বিএনপির সেই অপশাসন ও দুঃশাসনে আর ফিরে যেতে চায় না। জনগণ এখন বুঝে গেছে নেতিবাচক রাজনীতি বিএনপিকে জনবিচ্ছিন্ন ও গণধিকৃত দলে পরিণত করেছে।

 

উপমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার প্রশ্নে কখনোই তৃণমূল নেতাকর্মীরা আপস করেন না। দেশের জনগণই আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে পঞ্চমবারের মতো আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করবেন।

 

চরসেনসাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওয়াদুদ বালার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মফিজ মাদবরের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ভেদরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও সখিপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির মোল্যা, সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক সরকার, সহ-সভাপতি এমএ কাইউম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপকমিটির সদস্য জহির সিকদার, থানার সহ-সভাপতি জিতু মিয়া বেপারী, সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বালা প্রমুখ।

 

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করুন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

সিলেট, ১৮ ভাদ্র (২ সেপ্টেম্বর) :

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

আজ সিলেটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ মুজতবা আলী হলের বর্ধিতাংশের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সকলের প্রতি মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের এই দেশটা দিয়ে গেছেন। তিনি শুধু একটা ভূখণ্ড দিয়ে যান নাই- জাতির পিতা হিসেবে যা যা করার, তিনি তা করেছেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরে বাংলাদেশের পক্ষে ১২৬টি দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। জাতিসংঘসহ পৃথিবীর বড় বড় সকল সংস্থার সদস্যপদ অর্জন করেছিলেন। মাত্র ৯ মাসের মাথায় তিনি আমাদের একটি শক্তিশালী সংবিধান দিয়ে গেছেন। ড. মোমেন বলেন, এসব সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বের জন্য। শুধু তাই নয়- তিনি আমাদের একটি স্বপ্ন দেখিয়েছেন- সোনার বাংলার স্বপ্ন। একটা উন্নত, সমৃদ্ধশালী, অসাম্প্রদায়িক অর্থনীতি গড়ে তোলার স্বপ্ন। এখন আমাদের সবার দায়িত্ব হচ্ছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ভাগ্যবান যে আমাদের নেত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের হাল ধরেছেন। পিতার এবং বাংলাদেশের জনগণের সেই স্বপ্নের সোনার বাংলা অর্জনের জন্য তিনি একটা রোডম্যাপ দিয়েছেন। আমরা আশা করছি ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ‘সোনার বাংলা’ অর্থাৎ একটা সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত হবে। আর এটি করার জন্য শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাই।

 বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি ও পড়াশোনার ফাঁকে কীভাবে কর্মসংস্থানের জন্য নিজেদের উপযুক্ত করে গড়ে তোলা যায় সেদিকেও বিশেষ নজর দেয়ার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় সৈয়দ মুজতবা আলীর বই থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের বই কেনা ও বই পড়ার প্রতি মনোযোগী হতেও আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ড. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, সৈয়দ মুজতবা আলীর ভ্রাতুষ্পুত্র সৈয়দ রুহুল আমীন।

 

ঢাকা শহরে পানিতে ভর্তুকি দেওয়া হবে না : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৮ ভাদ্র (২ সেপ্টেম্বর) :

 

ঢাকা ওয়াসার পানিতে ভর্তুকি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মোঃ তাজুল ইসলাম। রাজধানীতে জোনভিত্তিক পানির দাম নির্ধারণ করে বস্তিতে বসবাসরত নিম্ন আয়ের মানুষকে কম দামে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

 

আজ রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) মিলনায়তনে সিটি রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত ‘নগর সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

 

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরে বসবাসরত বেশিরভাগ মানুষই বিত্তবান। গরিব মানুষের নিকট থেকে রাজস্ব আদায় করে সেই টাকা দিয়ে ধনীদের ভর্তুকি দেয়া নৈতিকভাবে কতটা সমর্থনযোগ্য প্রশ্ন তোলেন মন্ত্রী। গুলশান-বনানীতে বসবাসকারীরা যে হারে পানির বিল দেন, বস্তিতে থাকা অথবা যাত্রাবাড়িতে থাকা মানুষ কেন সমান পানির মূল্য পরিশোধ করবে-প্রশ্ন রাখেন মন্ত্রী।

 

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘ঢাকায় জোনভিত্তিক পানির দাম আলাদা করে বাড়ানো হবে। গুলশান-বনানীর অভিজাত এলাকায় পানির দাম বেশি থাকবে। নিম্ন আয়ের মানুষ বসবাসরত এলাকায় পানির দাম অপেক্ষাকৃত কম থাকবে। তবে ঢাকা শহরে পানিতে ভর্তুকি দেওয়া হবে না।’ এ সময় শুধু পানি নয় হোল্ডিং ট্যাক্স, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য ইউটিলিটি সার্ভিসের মূল্য জোনভিত্তিক নির্ধারিত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, অনেক পরিশ্রমের ফলে ড্যাপ গেজেট প্রকাশ হয়েছে। এখন বাস্তবায়ন করতে হবে। এজন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। ঢাকাকে বাসযোগ্য, আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলতে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অনেক দেশের তুলনায় আমরা সফল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে এই সফলতা অর্জিত হয়েছে।

 

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার মূল শক্তি হলো জনগণ। গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক দলের আন্দোলন করার অধিকার রয়েছে। নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও তাদের আছে। কিন্তু আন্দোলনের নামে সহিংসতা, জ্বালাও-পোড়াও করবেন, আইন-শৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটাবেন রাষ্ট্র তো এটা করতে দেবে না। জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব। তারা সে দায়িত্ব পালন করবেই।

 

সিটি রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি আদিলুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিআইবি’র মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব দীপ আজাদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু প্রমুখ।

 

 

‘বিতর্ক’ ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা গঠনে সহায়ক : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

 

চট্টগ্রাম, ১৮ ভাদ্র (২ সেপ্টেম্বর) :

 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ন্যায় এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন করতে চান। ন্যায়, জ্ঞান এবং যুক্তিভিত্তিক সমাজ গঠন করতে হলে সমাজে বিতর্ক থাকতে হয়। বিতর্ক থাকলে ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা গঠন সহজ হয়। 

 

আজ বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রে তাদের আয়োজিত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রথম জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সারা দেশ থেকে ১০৪টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

 

বিটিভি’র মহাপরিচালক সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক দৈনিক আজাদী পত্রিকার সম্পাদক এমএ মালেক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক মাহফুজা আক্তার।

 

বিটিভি’র ধারাবাহিকভাবে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতা যুক্তিভিত্তিক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে সহায়ক হবে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘বিটিভি অনেকদিন বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেনি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়ার পর আমি জিজ্ঞাসা করায় কর্মকর্তারা বললেন, সরকারেরও অনেক সমালোচনা হয়, সেজন্য বন্ধ করা হয়েছে। আমি বললাম, সমাজ সমালোচনাবিহীন হতে পারে না। সমাজে সমালোচনা থাকতে হবে, দায়িত্বে যারা থাকবে তাদের সমালোচনা অবশ্যই হবে। দায়িত্বে না থাকলে তো সমালোচনা নাই। বিতর্ক হতে হবে, তাহলেই সমাজ এগিয়ে যাবে। তখন আমি বিটিভি’র দু’টি কেন্দ্রে বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের  সিদ্ধান্ত দিলাম।’

 

শুদ্ধাচার ও নৈতিকতা গঠনে পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে চূড়ান্ত পর্বের বিতর্ক আয়োজনের জন্য বিটিভিকে ধন্যবাদ জানিয়ে সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, নৈতিকতা এবং শুদ্ধাচার সুষ্ঠু সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তবিক অর্থে বিশ্বব্যাপী মানুষ প্রচণ্ডভাবে যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছে। মানুষ যদি যন্ত্রের মতো জড় পদার্থ হয়ে যায়, নৈতিকতা এবং মানবিকতা হারিয়ে ফেলে, তাহলে তো মানুষ আর মানুষ থাকে না। এই ক্ষেত্রে পরিবার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দু’টিরই ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারো চেয়ে কারো ভূমিকা কম নয়।

 

অনুষ্ঠান শেষে বিতর্ক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের বিজয়ী বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ও রানার-আপ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রতিযোগীদের হাতে ট্রফি ও সম্মাননা চেক তুলে দেন মন্ত্রী। পরে পুনঃসংস্কারশেষে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ক্যাফেটেরিয়ার উদ্বোধন করেন হাছান মাহ্‌মুদ।

 

শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে সবাইকে সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করতে হবে :  ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

 

নেত্রকোণা, ১৮ ভাদ্র (২ সেপ্টেম্বর) :

 

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাল শিক্ষা হচ্ছে ডিজিটাল যন্ত্রে পাঠদানের জন্য প্রচলিত পাঠ্যসূচির মানসম্মত ইন্টারঅ্যাক্টিভিটি, ছবি, অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন, টেক্সট ও অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টের মাধ্যমে প্রোগ্রামিং করা সফটওয়্যার দিয়ে ডিজিটাল ডিভাইসে শিক্ষার প্রবর্তন করা। তিনি ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে শিক্ষাবিদ, প্রযুক্তিবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

মন্ত্রী গতকাল নেত্রকোণা জেলা সদরে পিটিআই মিলনায়তনে সুবিধাবঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা ডিজিটালকরণ প্রকল্পের অধীনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। সুবিধাবঞ্চিত প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলের ৬৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে বিটিআরসি’র এসওএফ (সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল) তহবিলের অর্থায়নে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

 

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগত কারণে ডিজিটাল শিক্ষা শিশুদের জন্য যতটা বোধগম্য হয়, প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা তা হয় না। প্রচলিত শিক্ষা ডিজিটাল শিক্ষায় রূপান্তর না হলে কঠিন চ্যালেঞ্জ আমাদেরকে মোকাবেলা করতে হবে। যে শিশুরা পড়তে চায় না তাদের আগ্রহ সৃষ্টিতে ডিজিটাল কনটেন্টে পাঠ প্রদানের ফলপ্রসূ অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, শিশুরা খেলার ছলে তাদের এক বছরের সিলেবাস ২ মাসের মধ্যে শেষ করতে সক্ষম হয়। মন্ত্রী প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকরা ডিজিটাল মানবসম্পদ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুল মোকাদ্দেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডিজিটাল কনটেন্ট বিষয়ক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিজয় ডিজিটাল-এর সিইও জেসমিন জুই। অনুষ্ঠানে  বিটিআরসি’র মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ,  নেত্রকোণা পিটিআইয়ের অধ্যক্ষ জাহানারা খাতুন, নেত্রকোণার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মনির হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদ ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ  বক্তৃতা করেন।

পরে মন্ত্রী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন।

 

গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষে সকল সহযোগিতা দেয়া হবে: কৃষিসচিব

 

ঢাকা, ১৮ ভাদ্র (২ সেপ্টেম্বর) :

 

গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চাষ সম্প্রসারণের জন্য কৃষকদের বীজ, সারসহ প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিসচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম। তিনি বলেন, টমেটোর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে ভরা মৌসুমে ভারত থেকে আমদানি বন্ধ রাখা হবে। এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 

আজ সাতক্ষীরার কলারোয়ার বাটরা গ্রামে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

মাঠ দিবসে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাবিহা পারভীন। বারির মহাপরিচালক দেবাশীষ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বারির পরিচালক অপূর্ব কান্তি চৌধুরী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ফজলুল হক, সাতক্ষীরার উপপরিচালক জামাল উদ্দীন, কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনি বিশ্বাস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 

মাঠ দিবসে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষিরা উপস্থিত ছিলেন। বাজারজাতে সমস্যা, ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, কোল্ড স্টোরেজ না থাকাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা এ সময় কৃষকেরা জানালে কৃষিসচিব বলেন, বাটরা গ্রামে একটি বিপণন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হবে। এছাড়া, শিগগিরই মাল্টি চেম্বার কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়া হবে, যেখানে টমেটোর পাশাপাশি  সবজি, আলু প্রভৃতি সংরক্ষণ করা যাবে। এছাড়া, কৃষিসচিব এ সময় সারের কারসাজি রোধে কঠোরভাবে নজরদারি অব্যাহত রাখার জন্যও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

 

উল্লেখ্য, সাতক্ষীরায় বারি উদ্ভাবিত গ্রীষ্মকালীন হাইব্রিড টমেটোর চাষ দিন দিন বাড়ছে। গত বছর জেলায় ৭০ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছিল, এ বছর হয়েছে ৯৫ হেক্টর জমিতে।

 

 

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

 

ঢাকা, ১৮ ভাদ্র (২ সেপ্টেম্বর) :

 

          স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২১৪ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এ সময় ৩ হাজার ৭৬৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেছে ১ জন। এ পর্যন্ত ২৯ হাজার ৩২৬ জন করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭৫ জন। 

 

নতুন প্রজন্মকে ডিজিটাল দক্ষতা দিতে না পারলে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে না : মোস্তাফা জব্বার

 

                

নেত্রকোণা, ১৮ ভাদ্র (২ সেপ্টেম্বর) :

          ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, নতুন প্রজন্মকে ডিজিটাল দক্ষতা দিতে না পারলে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে না। এক সময় টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সংযোগ পর্যাপ্ত ছিলনা। আমরা সে বিষয়টি সমাধান করেছি। ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের এমন কোন জায়গা থাকবে না যেখানে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট  সংযোগ থাকবে না বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। 

মন্ত্রী গতকাল নেত্রকোনা পাবলিক হলে  বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি নেত্রকোনা জেলা ইউনিট আয়োজিত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে জরুরী খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ৬০০ পরিবারের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

মন্ত্রী সরকারের গৃহীত বিভিন্ন  কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, হাওরের সাম্প্রতিক বন্যাকবলিতদের জন্য আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করেছি। মদন, মোহসগঞ্জ, খালিয়াজুরী ও সুনামগঞ্জের শাল্লায় খাদ্যসামগ্রী, টিন ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। তিনি বন্যার্তদের সহায়তার জন্য রেডক্রিসেন্টের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে রেডক্রিসেন্ট জেলা ভাইস প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা ওসমান গণি তালুকদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মনির হোসেন, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার ফকরুজ্জামান প্রমুখ বক্তৃতা করেন। 

এর আগে মন্ত্রী ময়মনসিংহ টেলিফোন এক্সচেঞ্জ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বেসরকারি আইএসপি’র চাইতেও কমমূল্যে আমরা ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি, যেন গ্রাহকরা সহজেই বিটিসিএল’র জিপন সার্ভিস সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন। প্রতিটি অফিসের সক্ষমতা অনুযায়ী ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন মন্ত্রী। 

 

আইনজীবীরা সমাজের স্বাভাবিক নেতা : তথ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ১৮ ভাদ্র (২ সেপ্টেম্বর) :

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিজ্ঞ আইনজীবীরা সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে এবং সমাজকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করার ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখতে পারেন। আইনজীবীরা হচ্ছেন সমাজের স্বাভাবিক নেতা। সে কারণে তাদের পক্ষে রাজনীতি করা সহজ। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ গঠনের দাবি দীর্ঘদিনের। এটার প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর সাথে কথা হয়েছে। আগামী দু’এক মাসের মধ্যে চট্টগ্রামে সার্কিট বেঞ্চ হবে।

গতকাল রাতে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রামে জিইসি কনভেনশন সেন্টারে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ হাশেমের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরশাদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে  প্রধান বক্তা শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং সম্মানিত অতিথি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এ. এম আমিন উদ্দিন অনলাইনে বক্তব্য দেন।

ড. হাছান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও আইনজীবী হতে চেয়েছিলেন। তিনি আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার বাবাও চাইতেন তিনি আইনজীবী হোন। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী যারা পড়েছেন তারা জানেন। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে বহিষ্কার করার কারণে তিনি আইনজীবী হতে পারেননি।

তিনি বলেন, পৃথিবীর বড় বড় রাজনীতিবিদদের দিকে যদি তাকাই তাহলে দেখা যায় ভারতবর্ষের মহাত্মা গান্ধী, জহরলাল নেহেরু আইনজীবী ছিলেন। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তারাও আইনজীবী ছিলেন।

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, আইনজীবী পেশা রাজনীতির জন্য সহায়ক। আমাদের দেশের প্রথম যে পার্লামেন্ট, ৭০ এর নির্বাচনের যে পার্লামেন্ট এবং দেশ স্বাধীন হবার আগে পূর্ব পাকিস্তানের যে আইনসভা ছিল, পাকিস্তানের যে আইনসভা ছিল, ভারতবর্ষের বাংলার যে আইনসভা ছিল সেদিকে যদি তাকাই, সেখানে মেজরিটি ছিল আইনজীবী। পরে অর্থের দাপটের কাছে অনেকে টিকতে পারেননি। আমাদের মন্ত্রিসভায়ও পেশাগত দিক দিয়ে এখনো সবচেয়ে বেশি হচ্ছে আইনজীবী। কারণ আইনজীবীরা হচ্ছে সমাজের স্বাভাবিক নেতা। সে কারণে তাদের পক্ষে রাজনীতি করা সহজ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, চট্টগ্রাম বার এসোসিয়েশনের অনেক সদস্য ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে ভূমিকা রেখেছেন। সেই বিবেচনায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি বাংলাদেশের জেলা বারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বার। বারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলেই সেটি সবচেয়ে সমৃদ্ধ বার হয়না। যদি চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির অতীত সদস্যদের কথা চিন্তা করেন, তারা এই দেশের স্বাধিকার আদায়ের সংগ্রাম, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম, সেই বিবেচনা যদি করেন, যারা নেতৃত্ব দিয়েছে অনেকেই চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সদস্য ছিলেন।

তিনি বলেন, বিজ্ঞ আইনজীবীরা এই সমিতির সদস্য ছিলেন। এখনো অনেক সদস্য আছেন যারা অনেক বড় বড় আইনজীবীর চেয়েও অনেক জ্ঞান রাখেন। সেই বিবেচনায় চট্টগ্রাম বার এসোসিয়েশন বাংলাদেশের যত জেলা বার আছে সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ বলে আমি মনে করি।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমদ ভুঞা, মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছা, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য এ. এস. এম বদরুল আনোয়ার, সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ফকির, সাধারন সম্পাদক আবদুন নুর দুলাল, চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রবিউল আলম ভুঁইয়া, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম জিয়াউদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি শফিক উল্লাহ, সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজ উদ্দিন হায়দার, সাবেক সভাপতি এনামুল হক প্রমুখ। 

 

টেকসই শান্তি ও উন্নয়নে জাতিসংঘ পুলিশে অবদান রাখতে  বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পূনর্ব্যক্ত করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

নিউইয়র্ক, ২ সেপ্টেম্বর :

 জাতিসংঘ পুলিশ (UNPOL) এর গর্বিত সদস্য হিসেবে, টেকসই শান্তি ও উন্নয়নের জন্য এর যেকোনো উদ্যোগে অবদান রাখতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। গতকাল নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘ সদরদপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের সম্মেলন -২০২২ উপলক্ষ্যে আয়োজিত জাতিসংঘ পুলিশ এর অংশগ্রহণে টেকসই শান্তি ও উন্নয়ন শীর্ষক বৈঠকে এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

নিরাপত্তা ও উন্নয়ন পরস্পর নির্ভরশীল এবং এটি পারস্পরিকভাবেই শক্তিশালী উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সুবিধার্থে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সুসংগত দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে এগিয়ে নিতে হবে।

সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর ভঙ্গুরতার মূল কারণ চিহ্নিত করে ঐসকল দেশে মৌলিক সেবা প্রদান, অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সংস্কার বাস্তবায়নে দেশসমূহের সরকারি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জাতিসংঘকে সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতিসংঘ পুলিশ, জাতিসংঘের কান্ট্রি টিম ও সংস্থা এবং জাতীয় কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে একটি সুসংগত ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন।

মন্ত্রী নিরাপত্তা খাত সংস্কারে জাতিসংঘ পুলিশিং এর ভূমিকা এবং ম্যান্ডেট অনুযায়ী আইনের শাসন জোরদার ও বিশেষায়িত পুলিশ টিমের (এসপিটি) উপর গুরুত্বরোপ করেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় মাঠ পর্যায়ে আরও অধিক নারী পুলিশ মোতায়েন এবং সিনিয়র পদে নারী পুলিশ কর্মকর্তা বৃদ্ধির প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। এই লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে দক্ষ নারী পুলিশ অফিসার এবং সুসজ্জিত পুলিশ ইউনিটগুলোতে অবদান রাখতে বাংলাদেশ পুলিশের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করেন তিনি।

আসাদুজ্জামান খান শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে পরিবেশগত ঝুঁকি কমাতে নবায়নযোগ্য শক্তি এবং প্রাকৃতিক আঁশ-ভিত্তিক পণ্য ব্যবহারের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, শান্তিরক্ষীগণ মোতায়েন রয়েছে এমন দেশগুলোতে এই পদক্ষেপ টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ইতালির সাথে এমন একটি গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস এর নেতৃত্ব দেয় যারা জাতিসংঘের পরিবেশগত কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিবেশগত নেতিবাচক দিক হ্রাস করার পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।

সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিত এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল স্থায়ী মিশনে ইউএন উইমেন এর ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অনিতা ভাটিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠকে নারী শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এবং লিঙ্গ সংবেদনশীল বাজেট প্রবর্তনের ক্ষেত্রে নারী উন্নয়নে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ভাটিয়া বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। তারা উভয়েই সক্ষমতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির কর্মসূচির মাধ্যমে সাইবার সহিংসতাসহ নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন।

 

Read us@googlenews

 

 

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond