[Valid RSS]
October 1, 2022, 3:15 pm
Treanding
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

৩ সেপ্টেম্বর এক নজরে বাংলাদেশ

Bangladesh Beyond
  • Updated on Saturday, September 3, 2022
  • 92 Impressed

৩ সেপ্টেম্বর এক নজরে বাংলাদেশ

  

ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের মাঠে মোকাবিলা হবে :  শিল্পমন্ত্রী

 

মনোহরদী (নরসিংদী), ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

 

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেছেন, বাংলাদেশে সকলের নিজস্ব মতামত প্রকাশ করার অধিকার আছে। এখানে সবাই যার যার মতাদর্শের রাজনীতি করবে। অস্ত্র দিয়ে নয়, ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের মাঠে মোকাবিলা হবে।

 

আজ নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার শুকুন্দী ইউনিয়নের শেখের বাজার বাজিতপুর রোডের সাভারদিয়া মোড়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল গেইট উদ্বোধন শেষে শিল্পমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, কেউ কারো অনুভূতিতে আঘাত হানবে আমরা তা চাই না। জনগণ আর কোনো প্রকার অপকর্ম এই বাংলার মাটিতে হতে দেবে না বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

 

জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মতিন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল মজিদ মাহমুদ সাদী প্রমুখ।

 

রাষ্ট্রপতির সাথে শ্রীলংকায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত ও ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিনের সাক্ষাৎ

 

ঢাকা, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

 

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের সাথে আজ বঙ্গভবনে শ্রীলংকায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারেক মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত ও ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন আর্চবিশপ জর্জ কোচেরি সাক্ষাৎ করেন।

 

শ্রীলংকায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার শ্রীলংকার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির দিকনির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সাক্ষাৎকালে শ্রীলংকায় বিরাজমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাবনার ক্ষেত্রসমূহকে কাজে লাগানোর নির্দেশ দেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতি বলেন, শ্রীলংকা ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। তিনি এ সম্পর্ককে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরো সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে নির্দেশনা দেন।

 

এরপর সাক্ষাৎ করেন ভ্যাটিকানের বিদায়ি রাষ্ট্রদূত ও ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন আর্চবিশপ জর্জ কোচেরি। তিনি দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রপতি দীর্ঘদিন ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য ভ্যাটিকানের বিদায়ি রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ভ্যাটিকানের সাথে সম্পর্ককে খুবই গুরুত্ব দেয়। তিনি বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কল্যাণে ভ্যাটিকানের বিদায়ি দূতের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের প্রশংসা করেন।

 

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

 

তৃণমূল পর্যায়ের খেলোয়াড় জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসার ক্ষেত্র তৈরি করেছে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট : গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

 

ময়মনসিংহ, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

 

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ বলেছেন, দেশের তৃণমূল পর্যায়ে চৌকস খেলোয়াড় তৈরি এবং তাদের জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসার ক্ষেত্র তৈরি করেছে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট।

 

আজ ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি তরুণ সমাজ বিভিন্ন ক্রীড়াচর্চায় নিয়োজিত থাকলে একদিকে যেমন শারীরিক সক্ষমতা ও সুস্থতা বজায় থাকে অন্যদিকে সমাজের বিভিন্ন কুপ্রভাব থেকে নিজেদেরকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক, জঙ্গিবাদের মতো ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা থেকে দূরে রাখে। বিনোদনের পাশাপাশি তরুণ সমাজের নৈতিক শিক্ষা এবং চরিত্র গঠনেও খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম।

 

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, খেলাধুলার উন্নয়নে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতার কারণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের ক্রীড়াবিদগণ নিজেদের নৈপুণ্য প্রদর্শনে সক্ষম হচ্ছে এবং দেশের সুনাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

অমিত হাবিবের নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিকতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ঢাকা, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

প্রয়াত সাংবাদিক অমিত হাবিবের আদর্শ ও নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিকতা দেশের গণমাধ্যমের  পাতায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ। 

আজ রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে দৈনিক দেশ রূপান্তরের সদ্যপ্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক অমিত হাবিব স্মরণে ‘অসীমে অমিত’ সভায় মন্ত্রী একথা বলেন। আগত অতিথিরা সভায় এক মিনিট নীরবতা পালনের সময় ‘অসীমে অমিত’ স্মারক প্রকাশনাটি হাতে তুলে ধরেন।  

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি মানুষের জীবনের একটা গল্প থাকে। রাস্তার ধারে বিড়বিড় করে চলা পাগল বলে আখ্যায়িত মানুষেরও বেদনার গল্প থাকে। যেদিকে সমাজ-রাষ্ট্র তাকানোর ফুরসৎ পায় না, সেই সব গল্প তুলে এনে যে সাংবাদিকরা আমাদের দৃষ্টি খুলে দেয়, অমিত হাবিব শুধু তাদেরই একজন নন, তিনি ছিলেন তেমন সাংবাদিক তৈরির কারিগরও।’

ড. হাছান বলেন, মানুষের জীবন বুদবুদের মতো হলেও কিছু কিছু মানুষ তাদের কর্ম দিয়ে জগৎ-সমাজকে সমৃদ্ধ করে যান, অমিত হাবিব তাদেরই একজন। অমিত হাবিব আমাদের সাংবাদিকতাকে সমৃদ্ধ করেছেন, সংবাদজগতের প্রেরণা ছিলেন, প্রেরণা হয়েই থাকবেন। আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করি।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ তার বক্তৃতায় বলেন, তরুণ সাংবাদিকরা অমিত হাবিবের কর্মনিষ্ঠার পদাঙ্ক অনুসরণ করলে সাংবাদিক জগৎ আরো সমৃদ্ধ হবে। 

বিশিষ্ট নাট্যজন মামুনুর রশীদ, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের মহাপরিচালক স ম গোলাম কিবরিয়া, সাংবাদিকনেতা মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সুকান্ত গুপ্ত অলক, দেশ রূপান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা মামুন, প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল ও অমিত হাবিবের ছোট ভাই ফয়জুল হক রাঙা প্রমুখ সভায় অমিতের স্মৃতিচারণ করেন। 

১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণকারী ঝিনাইদহের সন্তান অমিত হাবিব ২৫ বছরের নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিকতার জীবন শেষে গত ২৮ জুলাই ৫৯ বছর বয়সে ধরাধাম থেকে অসীমের পথে পাড়ি দেন। ১৯৮৭ সালে খবর গ্রুপ অভ্‌ পাবলিকেশন্সে একই সঙ্গে রিপোর্টার ও সাব-এডিটর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন অমিত হাবিব। দেশ রূপান্তরের সম্পাদকের দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি কালের কণ্ঠ, সমকাল, যায়যায়দিন, আজকের কাগজ ও ভোরের কাগজ, সাপ্তাহিক পূর্বাভাস পত্রিকায় তার কর্মদক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন।

অমিত হাবিবের কবিতা ‘একজন মানুষ আনো’ দিয়ে শুরু হওয়া স্মারক প্রকাশনা ‘অসীমে অমিত’র পাতায় স্থান পেয়েছে আনিসুল হক, মুন্নী সাহা, আন্দালিব রাশদী, মোস্তফা মামুন, রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ লেখক ও সাংবাদিকের নিবন্ধ ও স্মৃতিকথা। 

 

দারিদ্র্য দূর করতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই :  টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ঢাকা, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই। বৈষম্য দূর করার মানে আর্থিক ও সামাজিক বৈষম্যের পাশাপাশি ডিজিটাল বৈষম্যও দূর করতে হবে। মন্ত্রী সামনের দিনের প্রযুক্তিনির্ভর পৃথিবীতে টিকে থাকতে মানুষের ক্ষমতায়নে তাদের ডিজিটাল দক্ষতা নিশ্চিত করতে সরকার গৃহীত কর্মসূচির পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাসমূহকে ভূমিকা গ্রহণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে গেস্ট অভ্‌ অনার হিসেবে তাঁর বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ইন্টারনেটকে ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের জন্য অত্যাবশ্যক উপকরণ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশ বিশেষ করে স্ক্যান্ডেনিভিয়ান দেশগুলোর অনেকেই ইন্টারনেটকে সংবিধানে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তিনি বলেন, অতীতের তিনটি শিল্প বিপ্লবে শরিক না হওয়ায় আমাদের সমাজের রূপান্তরের ভিত্তি ছিলো কৃষি। শত শত বছরের পশ্চাদপদতা দূর করতে বঙ্গবন্ধু বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা আইটিইউ’র সদস্যপদ অর্জন এবং টিএন্ডটি বোর্ড গঠনসহ বৈপ্লবিক বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তৃতীয় শিল্প বিপ্লবের বীজ বপন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাড়ে ১৮ বছরের শাসনামলে বঙ্গবন্ধুর রোপণ করা বীজ অঙ্কুরিত হয়ে আজ মহিরূহে রূপান্তর লাভ করেছে। তিনি দেশের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ডিজিটাল অবকাঠামো পৌছে দিতে, পার্বত্য অঞ্চলের ২৮টি পাড়া কেন্দ্র ডিজিটাইজ করাসহ দেশের অনগ্রসর অঞ্চলে ৬৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের গৃহীত উদ্যোগ তুলে ধরেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, হাওর, দ্বীপ, দুর্গম চর অঞ্চলে ডিজিটাল সংযোগ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কাজ সরকার করছে। ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি জায়গায় উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে। মানুষের সেবায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী বিশ বছরের পথ নকশা তৈরি করে আপনাদের সামনে এগুতে হবে। গত বিশ বছরের মতো আগামী ২০ বছর হবে না। আগামী ২০ বছরে ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর আপনাদের গুরুত্বারোপ করতেই হবে। এখন সময় হয়েছে কাপড় সেলাইয়ের কাজ শেখার দক্ষতার সাথে ই-কমার্স কেমন করে করতে হয়, কেমন করে ঘরে বসে শাড়ি, গয়না বা রান্না করা খাবার ইন্টারনেটে বিক্রি করতে হয় তা মেয়েদেরকে শেখানোর।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চের নির্বাহী সভাপতি ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন, বাংলাদেশে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্দ্রা বার্গ ফন লিন্ডে,  ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় এনজিও ব্যক্তিত্বগণ অনুষ্ঠানে বক্তৃ

 

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সাথে শিক্ষামন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

ঢাকা, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

 

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে আজ ঢাকায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর কাউন্সিল ভবনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটির এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।  বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের  সভাপতি এবং ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায়  বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপাচার্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

 

সভায় দায়িত্ব পালনে উপাচার্যবৃন্দ যে সব সমস্যার সম্মুখীন হন এবং পাবলিক বিশ্ববিদালয়ের বিভিন্ন অসংগতি ও বৈষম্যসমূহ তুলে ধরেন।  শিক্ষামন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে সমস্যাসমূহ শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সকল সমস্যার সমাধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গঠনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : পানি সম্পদ উপমন্ত্রী

 

শরীয়তপুর, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

 

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গঠনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে গণসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে মাদকাসক্ত নিরাময় করতে হবে। সমাজ থেকে কুসংস্কার, অন্যায়-অত্যাচার দূরীকরণে যেমন শিক্ষার বিকল্প নেই, তেমনি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনেও খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা করার সুযোগ করে দিতে হবে।

 

শরীয়তপুরের নড়িয়ার বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত আজ শেখ রাসেল স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী খেলায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

উপমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে একজন ক্রীড়ানুরাগী। দেশের যেখানেই গুরুত্বপূর্ণ খেলা হয়েছে, সেখানেই তিনি ছুটে গেছেন। মূলত ক্রীড়া পরিবারের সন্তান বলেই খেলাধুলার প্রতি তার দুর্বলতা। ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা করা হবে। আমাদের লক্ষ্য ক্রীড়াক্ষেত্রে সারা বিশ্বে বাংলাদেশ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, অসামান্য গৌরব বয়ে আনবে।

 

উপমন্ত্রী আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তরুণ বয়সে ফুটবল পায়ে মাঠ মাতিয়েছেন ঢাকা লিগে। দীর্ঘদিন খেলেছেন ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে। বঙ্গবন্ধুর দুই ছেলে শেখ কামাল ও শেখ জামালও ছিলেন সফল ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক। বর্তমান ঢাকা আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন শেখ কামাল। শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল খুকুও ছিলেন দেশের খ্যাতনামা অ্যাথলেট। বাবা ও ভাইদের দেখানো পথেই বাংলাদেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে একের পর এক অবদান রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। এখনো সেই ধারা বজায় রেখেই দেশের ক্রীড়া এগিয়ে নিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ নুরুল আমীন রতনের সভাপতিত্বে ও টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব আখতারুজ্জামান জীবুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, শরীয়তপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য জহির সিকদার ও নড়িয়ার ইউএনও শেখ রাশেদ উজ্জামান প্রমুখ।

 

গুজব ও অপপ্রচার রোধে মাঠ পর্যায়ে কর্মরতদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির গুজব ও অপপ্রচার রোধে মাঠ পর্যায়ে কর্মরতদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান  জানিয়েছেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য।

আজ আগারগাঁওয়ে সমবায় অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে “বঙ্গবন্ধুর সমবায় দর্শন বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী কর্মকর্তা কর্মচারীদের এই আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে আদর্শ যে চেতনা নিয়ে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে, সেই আদর্শ বাস্তবায়নে আমাদের কাজ করতে হবে। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল একটি সমতাভিত্তিক বৈষম্যহীন ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ।  আজকে আমরা প্রযুক্তিগত শিক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছি, চিকিৎসা, অবকাঠামোসহ সকল সূচকে দেশের উন্নয়ন লক্ষণীয়। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। দেশ যেন কোনোভাবেই দুষ্টুচক্রের হাতে চলে না যায় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান মন্ত্রী। 

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক উন্নতি এখন সারা বিশ্বেই আলোচনার বিষয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে  বাংলাদেশ আজ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। জনসেবায় যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনবান্ধব  নাগরিক সেবা প্রদান প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। দেশটা আমাদের সবার। সমন্বিতভাবে সবার একই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করলে সফলতা আসবেই। 

বাংলাদেশ উপজেলা সমবায় অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি  মোঃ তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোঃ মশিউর রহমান,  সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক ড.তরুণ কান্তি শিকদার, অতিরিক্ত নিবন্ধক মোঃ আহসান কবিরসহ সমবায় অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

খাদের মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে বিএনপি, নির্বাচনে না আসলে আর উঠতে পারবে না : কৃষিমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জ, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, গত ১৩ বছর ধরে আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা আর জ্বালাও-পোড়াও করে বিএনপি এখন খাদের মধ্যে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে। কোনো রকমে তাদের নাকটা ভেসে আছে। এখনো যদি তারা সঠিক পথে না আসে, নির্বাচনে না আসে, মুক্তিযুদ্ধের-স্বাধীনতার চেতনা-আদর্শের রাজনীতি না করে, তাহলে ভেসে থাকা নাকটাও ডুবে যাবে। আর কোনো দিন খাদ থেকে উঠতে পারবে না।

            আজ নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে শেখ রাসেল স্টেডিয়ামে সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

          মন্ত্রী বলেন, বিএনপি নানা রকম ষড়যন্ত্র করছে। তারা আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শেষ লড়াই, মরণপণ লড়াইয়ের হুমকি দিচ্ছেন। আমি বলতে চাই, এখন পর্যন্ত কোনো লড়াইয়ে বিএনপি জিততে পারে নাই, ভবিষ্যতেও আর পারবে না। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ লড়াইয়ে কখনো হারে না।

বিএনপির উদ্দেশে মন্ত্রী আরো বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ হবে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করুন। এছাড়া, ক্ষমতায় আসার দ্বিতীয় কোনো পথ খোলা নেই।

নারায়গঞ্জে দলের নেতা কর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই দলের খুঁটি, নেতৃত্ব নিয়ে কোনো কোন্দল থাকলে তা ভুলে যেতে হবে। দলের আদর্শই আমাদের কাছে সবচেয়ে বড়। আমাদের শক্তি হলো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, ত্যাগ ও সাহস। আর দলের নেতৃত্ব শেখ হাসিনার হাতে। এই দুটিকে আঁকড়ে ধরে আমাদের সকল নেতাকর্মীকে কাজ করতে হবে। তাহলে কোনো শক্তিই আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে হারাতে পারবে না।

 আন্দোলন-সংগ্রামের জন্যও নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী। বিএনপি-জামায়াত যদি দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তাহলে রাজপথে থেকে আমরা তা মোকাবিলা করব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও আমরা সহযোগিতা করব।

সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভি, সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, মৃণাল কান্তি দাস, সানজীদা খাতুন, ও নজরুল ইসলাম বাবু, আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক নজিবুল্লাহ হিরু এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক আনোয়ার হোসেনসহ জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

 

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

 

ঢাকা, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

 

          স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫৫ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ সময় ২ হাজার ৩৮২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১ জন। এ পর্যন্ত ২৯ হাজার ৩২৭ জন করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭ জন। 

 

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে : শিল্প প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

          শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে দেশকে আবারও পেছনের দিকে নিয়ে যেতে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করার অপচেষ্টায় স্বাধীনতাবিরোধীদের নানামুখী ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। তাই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতাবিরোধীদের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যহত রাখতে হবে।

আজ রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় শোক দিবস-২০২২ উপলক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কর্ণফুলি ফার্টিলাইজার কোম্পানি (কাফকো) এর সহযোগিতায় ঢাকা-১৫ আসনের গরিব, অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিল্প প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিনী মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং জাতীয় চার নেতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সকলকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং সকল শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবায় গোটা বিশ্ব আজ বিপর্যস্ত। উন্নত বিশ্ব করোনা দুর্যোগ মোকাবিলায় হিমশিম খেলেও প্রধানমন্ত্রীর সময়োচিত সাহসী সিদ্ধান্ত এবং অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে বাংলাদেশ করোনা পরিস্থিতি সাফল্যের সাথে মোকাবিলা করে যাচ্ছে। কোভিড-১৯ আমাদের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত করলেও থামিয়ে দিতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরকেও গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদেরকে সাধ্যমোতাবেক সাহায্য-সহযোগিতা করতে হবে। আর জনগণের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে যেসব মুনাফাখোর খোঁড়া অজুহাতে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করে তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

কামাল আহমেদ মজুমদার আরো বলেন, বিশেষ কমিশন গঠনের মাধ্যমে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট মানব সভ্যতার ইতিহাসে নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট খুনি জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচারসহ নেপথ্যের কুশীলবদের চিহ্নিত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে প্রায় এক হাজার গরিব, অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি চাউল, ২ কেজি আটা, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি পেঁয়াজ, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি, ২টি লাক্স সাবান এবং ২টি হুইল সাবান সবমিলিয়ে একটি করে প্যাকেট বিতরণ করেন।

আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মইজউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ নূরুল আলম এবং কাফকো’র সিইও সাইয়েদুর রহমান বক্তৃতা করেন। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য জাতীয় কমিটি গঠন

 

ঢাকা, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণ পরবর্তীতে ২০২৬ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে যে চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলা করতে হবে, তার প্রস্তুতি, পরিকল্পনা গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও মনিটরিং বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত কমিটির কাজে সহায়তার জন্য গঠিত বিষয়ভিত্তিক ৭টি সাব-কমিটির মধ্যে একটি হচ্ছে ‘অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও ট্যারিফ যৌক্তিকীকরণ’ বিষয়ক সাব-কমিটি। আজ এ সাব-কমিটির উদ্যোগে একটি জাতীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সাব-কমিটি স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের বেলায় সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গৃহীতব্য কার্যক্রম সম্পর্কে যে খসড়া সুপারিশমালা প্রণয়ন করেছে, তা সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিকট উপস্থাপন এবং তাদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে এই কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।  

 

অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় কর্মশালায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অংশীজনদের পক্ষ থেকে জনাব মোঃ জসিম উদ্দিন, সভাপতি, এফবিসিসিআই এবং ফারুক হাসান, সভাপতি, বিজিএমইএ বক্তব্য রাখেন। এছাড়া বিশেষজ্ঞ/গবেষকগণের পক্ষ হতে বিআইডিএস এর মহা-পরিচালক ড. বিনায়েক সেন ও পিআরআই এর চেয়ারম্যান ড. জাইদী সাত্তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। প্যানেল আলোচক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বক্তব্য রাখেন। জাতীয় কর্মশালায় মূল সুপারিশমালা উপস্থাপন করেন এ সাব-কমিটির অধীনে গঠিত তিনটি স্টাডি গ্রুপের তিন আহ্বায়ক। অর্থাৎ কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান ও পদ্ধতি সংস্কার বিষয়ে উপস্থাপনা করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) ড. সামস উদ্দিন আহমেদ, ট্যারিফ যৌক্তিকীকরণ বিষয়ে উপস্থাপনা করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (শুল্ক নীতি) মোঃ মাসুদ সাদিক এবং রপ্তানি প্রণোদনা বিষয়ে উপস্থাপনা করেন অর্থ বিভাগের মনিটরিং সেল এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) আরফিন আরা বেগম।

 

স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হওয়ার পর বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে রপ্তানির ক্ষেত্রে বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে প্রাপ্ত শুল্কমুক্ত Duty Free & Quota-Free (DFQF) সুবিধা হারাবে এবং আমাদের রপ্তানি পণ্যের জন্য preference erosion ঘটবে। তাই রপ্তানি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন দেশের সাথে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ) অথবা প্রেফারেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) সম্পাদন করতে হবে। এরূপ বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের ফলে রাজস্ব আয় কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। একইসাথে রপ্তানিতে বর্তমানে প্রদত্ত নগদ প্রণোদনা ও ভর্তুকির মধ্যে যেগুলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)-এর বিধিবিধান এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় সেগুলো ক্রমান্বয়ে হ্রাস করে তার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে রপ্তানিকে উৎসাহিত করার পন্থা উদ্ভাবন করা প্রয়োজন।

 

জাতীয় কর্মশালায় ‘কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান এবং পদ্ধতি সংস্কার’ বিষয়ক স্টাডি গ্রুপ তাদের উপস্থাপনায় কর ব্যয় (tax expenditure) সংক্রান্ত গবেষণা সম্পাদনের মাধ্যমে কর অব্যাহতির অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে। রাজস্ব প্রশাসনে অটোমেশন ও ডিজিটাইজেশনের ব্যাপ্তি বৃদ্ধির ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়। রাজস্ব আহরণ সংশ্লিষ্ট আইনসমূহের (যেমন, নতুন কাস্টমস আইন ও নতুন আয়কর আইন) ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ করার সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়াও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন চুক্তি অনুসারে শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজতর করা ও পণ্য খালাস দ্রুততর করার জন্য কর্মপদ্ধতি আধুনিকায়নের সুপারিশ করা হয়।

 

 ‘ট্যারিফ যৌক্তিকীকরণ’ বিষয়ক স্টাডি গ্রুপ যে সকল সুপারিশ উপস্থাপন করে তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: (১) যে সকল পণ্যের ক্ষেত্রে আরোপিত কাস্টমস শুল্ক ডব্লিউটিও-এর Bound Duty হার সীমা অতিক্রম করেছে সেগুলোর ক্ষেত্রে শুল্ক হার উক্ত সীমার মধ্যে নিয়ে আসা; (২) যেহেতু Minimum Import Price ব্যবস্থা WTO Agreement on Customs Valuation এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, সেকারণে আলোচ্য Minimum Import Price কে পর্যায়ক্রমে ফেইজ-আউট করা; এবং (৩) পর্যায়ক্রমে আমদানি পর্যায়ে প্রযোজ্য প্যারা-ট্যারিফ এবং সম্পুরক শুল্ক হ্রাস করা।

 

সাবসিডি বিষয়ক স্টাডি গ্রুপ তাদের উপস্থাপনায় উল্লেখ করে যে, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বর্তমানে নগদ সহায়তা প্রদান করতে কোন অসুবিধা না হলেও উত্তরণ পরবর্তীতে শিল্প পণ্যের রপ্তানির ক্ষেত্রে উহা প্রদান করা যাবে না। এছাড়া, বর্তমানে রপ্তানি প্রণোদনা/নগদ সহায়তা প্রাপ্ত খাতসমূহে স্থানীয় মূল্য সংযোজনের যে শর্ত রয়েছে তা বাদ দিতে হবে। এ স্টাডি গ্রুপ রপ্তানি প্রণোদনা প্রদান করে না এমন একটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি চিত্রের তুলনামূলক পর্যালোচনা করে দেখেছে যে, রপ্তানিতে নগদ সহায়তা না থাকলে দীর্ঘ মেয়াদে নেতিবাচক প্রভাবের মাত্রা কম হবে। তবে, যেহেতু নগদ প্রণোদনা প্রত্যাহার করা হলে রপ্তানি খাতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে, সে কারণে বিকল্প কী ব্যবস্থা/কার্যক্রম গ্রহণ করা যায় তা এ স্টাডি গ্রুপ পর্যালোচনা করে দেখছে।

 

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সঞ্চালনায় মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন চেম্বার বডির সদস্যগণ ও বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পথ মসৃণ করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য রপ্তানিকারক, আমদানিকারকসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ও গবেষকদের বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ জরুরি। বাংলাদেশের উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও ট্যারিফ যৌক্তিকীকরণ’ সাব-কমিটির গৃহীতব্য কার্যক্রম বিষয়ক সুপারিশমালা চূড়ান্ত করার কাজে আজকের জাতীয় কর্মশালায় অংশীজনদের কাছ থেকে প্রাপ্ত মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

শকুন রক্ষায় এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে এগিয়ে : পরিবেশ ও বনমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, শকুন রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণে এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে এগিয়ে। দেশে ২০১০ সালে শকুনের জন্য ক্ষতিকর ঔষধ ডাইক্লোফেনাক নিষিদ্ধ করা হয় যা এশিয়ার মধ্যে প্রথম। এরপর অন্য আরেকটি ক্ষতিকর ঔষধ কিটোপ্রফেনও নিষিদ্ধ করেছে সরকার। কিটোপ্রফেন নিষিদ্ধের পর নিরাপদ ঔষধ মেলোক্সিক্যাম ও টলফামেনিক এসিডির ব্যবহার বাড়তে শুরু করেছে যা শকুন রক্ষায় একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। এ ব্যাপারে সব ঔষধ কোম্পানিকে ক্ষতিকর কিটোপ্রফেন উৎপাদন ও বিপণন বন্ধে সরকারি নির্দেশ মেনে চলার আহবান জানান মন্ত্রী।  তিনি বলেন, শকুন সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি বিজ্ঞানভিত্তিক যে কোন পরিকল্পনা আমাদের মন্ত্রণালয়ে আসলে তা বাস্তবায়নে সহায়তা করা হবে।

‘আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস ২০২২’ উপলক্ষ্যে আজ ঢাকায় বন অধিদপ্তরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় শকুন সংরক্ষণ কমিটি’ গঠন, সরকারিভাবে দুটি শকুন নিরাপদ অঞ্চল ঘোষণা এবং দশ বছর (২০১৬-২০২৫) মেয়াদি ‘বাংলাদেশ শকুন সংরক্ষণ কর্মপরিকল্পনা’ বাংলাদেশের শকুন রক্ষা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো হিসেবে কাজ করছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে শকুন সংরক্ষণ কর্মপরিকল্পনার অনেক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করেছি এবং বাকী কার্যক্রমগুলোও সম্পন্ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আবদুল্লাহ হারুন প্রমুখ।

পরে মন্ত্রী শকুন সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আয়োজিত পোস্টার তৈরি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

 

শক্তিশালী দেশ গঠনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু :পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

সিলেট, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার পর দেশকে শক্তিশালী ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ‘বঙ্গবন্ধু সাড়ে তিন বছরে ১২৬ দেশের স্বীকৃতি আদায়, আড়াই মাসে বন্ধুপ্রতিম দেশের সৈন্য ফেরত পাঠানো, দ্রুত জাতিসংঘসহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সকল সংস্থার সদস্যপদ অর্জন তথা নয়মাসে একটি সংবিধান তৈরি করেছিলেন।

গতকাল সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন সংগ্রামীর গল্প’ শীর্ষক বইয়ের কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্ম- সবক্ষেত্রে কাজ করে গেছেন। কৃষি ক্ষেত্রে যেসব পলিসি, স্ট্র্যাটেজি বঙ্গবন্ধু রেখে গেছেন সেগুলো এখনো আমাদের চলার পথে পাথেয়। বঙ্গবন্ধু পররাষ্ট্র বিষয়ক অপূর্ব একটি নীতি আমাদের দিয়ে গেছেন, আমরা এখনো সেটা অনুসরণ করি, আর সেটা হলো- “সবার সাথে বন্ধুত্ব কারো সাথে বৈরিতা নয়।” ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর এসব অর্জনের কথা শিক্ষার্থীদের জানাতে হবে। 

অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরামর্শক প্রফেসর মুহ. হায়াতুল ইসলাম আকঞ্জি- এর সভাপতিত্বে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন সংগ্রামীর গল্প’ বইয়ের লেখক সেলিনা মোমেন, সম্মানিত অতিথি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সচিব ফাহিমা ইয়াসমিন, বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. কবির এইচ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকার ১৫টি বিদ্যালয়ের অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ৯৭৫ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানে কুইজ প্রতিযোগিতা বিষয়ক একটি অডিও ভিজুয়াল প্রদর্শন করা হয়।

 

সাইবার জগতে নেতৃত্ব দিতে ‘সাইবার সেন্টার ফর এক্সিলেন্স’ উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ : আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৯ ভাদ্র (৩ সেপ্টেম্বর) :

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সাইবার জগতে নেতৃত্ব দিতে ‘সাইবার সেন্টার ফর এক্সিলেন্স’ উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ডিজিটাল সংহতি আরো সুদৃঢ় করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী গতকাল যুক্তরাজ্যের নিউপোর্ট ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বিশ্বনন্দিত কমিউনিটি ইন্টারেস্ট কোম্পানি সাইবার ওয়েলস এর  কো-ফাউন্ডার ও চেয়ারম্যান কর্নেল জন ডেভিস এমবিই এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠককালে একথা বলেন।

          বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাইবার ওয়েলস এর বোর্ড অব ডিরেক্টর জেসন ডেভিস, বোর্ড অব ডিরেক্টর ও ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজার ফাহিম আজহার এবং যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মুনা তাসনিম।

সাইবার সুরক্ষায় বিশ্বে নেতৃত্বে যেতে প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সাইবার ওয়েলসের মতো আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে ‘সাইবার সেন্টার ফর এক্সিলেন্স’ গড়ে তুলবে। এ সকল উদ্যোগ আমাদের দেশে অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একা কোনো দেশের পক্ষে ক্রমবর্ধমান সাইবার নিরাপত্তা মোকাবিলা করা সম্ভব নয়, তাই আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।  তিনি আরো বলেন, আইসিটি বিভাগের বিজিডি ই-গভর্নমেন্ট সার্ট বাংলাদেশে সাইবার সর্বোত্তম অনুশীলন নিশ্চিত ও বাস্তবায়ন করতে যুক্তরাজ্যের সাইবার ওয়েলসের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

এছাড়া বৈঠকে ২০২১ সালে ‘সাইবার ওয়েলস’ এর সাথে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের বিজিডি             ই-গভর্নমেন্ট সার্টের মধ্যে সম্পাদিত ভার্চুয়াল চুক্তিকে আরো একধাপ এগিয়ে নিতে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া  হয়। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী একটি সুদৃঢ় ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে সাইবার দক্ষতায় বিনিয়োগ এবং সাইবার ওয়েলসের সাথে শক্তিশালী সাইবার বাণিজ্যসম্পর্ক গড়ে তুলতে আরো নিবিড়ভাবে বাংলাদেশ সরকার ও সাইবার ওয়েলস একসাথে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অপরদিকে সাইবার সহযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সাইবার ওয়েলসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বাংলাদেশের আইসিটি এবং টেলিকম ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে ঈর্ষণীয় প্রতিভার স্বাক্ষর পেয়েছি।

                                                                                                         

যুক্তরাষ্ট্রে এমআরপি পুনরায় চালুর বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী

ওয়াশিংটন ডিসি, ৩ সেপ্টেম্বর :

বাংলাদেশি নাগরিকদের সুবিধার্থে প্রচলিত e-passport এর পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) পুনরায় চালু করা যায় কি না তা পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, শীঘ্রই ভিসা চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করতে যাচ্ছি এবং স্বাক্ষরিত হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে ই-ভিসা প্রদান শুরু করতে পারব বলে আমি বিশ্বাস করি।

গতকাল ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জাতিসংঘের তৃতীয় চিফ অব পুলিশ সামিট (UNCOPS) ও অন্যান্য কর্মসূচিতে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, দেশের সকল নাগরিক যাতে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সুবিধা পায় সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তা বিতরণ কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি নিয়ে শীঘ্রই পুরোদমে কাজ শুরু করবে এবং প্রবাসীরা যাতে বিদেশে বাংলাদেশ মিশন থেকে এনআইডি কার্ড পেতে পারে তার পরিকল্পনাও হাতে নেবে।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন দূতাবাসের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স মোঃ মেহেদি হাসান। বৈঠকে মিনিস্টার (কনস্যুলার) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও ডিফেন্স অ্যাটাচে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাহেদুল ইসলাম অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। ফার্স্ট সেক্রেটারি (পাসপোর্ট ও ভিসা) মোহাম্মদ আবদুল হাই মিল্টন পাসপোর্ট ও ভিসাসহ সার্বিক কনস্যুলার কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য করণীয় বিষয়ের ওপর একটি উপস্থাপনা পেশ করেন।

এর আগে মন্ত্রী দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু কর্নারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির পিতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতার ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দূতাবাস আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

 

জাতিসংঘ পুলিশ প্রধান ও আইজিপি’র মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

 

নিউইয়র্ক, ৩ সেপ্টেম্বর :

 

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে গতকাল জাতিসংঘ পুলিশ প্রধান লুইস রিবেরিও কারিলহো (Luis Riberio Carrilho) এর সাথে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ এর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশকে অন্যতম প্রধান পুলিশ সদস্য প্রেরণকারী দেশ হিসেবে উল্লেখ করে জাতিসংঘ পুলিশ প্রধান শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অবদানের স্বীকৃতি এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও কর্মনিষ্ঠার প্রশংসা করেন। পূর্ব তিমুর এবং হাইতিতে পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের উচ্চ পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করেন তিনি। এছাড়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন মালি ও ডিআর কঙ্গোতে কর্তব্যরত বাংলাদেশী পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্বেরও প্রশংসা করেন। বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারী পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে আসছে, যা নারীর ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

আইজিপি বেনজীর আহমেদ বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের যে কোনো প্রয়োজনে সাড়া দিতে বাংলাদেশ পুলিশ সবসময় প্রস্তুত। বিশেষ করে আফ্রিকার ঝুঁকিপূর্ণ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষ ও পেশাদারী বিশেষায়িত ইউনিট মোতায়েনের অনুরোধ জানান আইজিপি। এক্ষেত্রে তিনি সোয়াট, ক্যানাইন, রিভারাইন ও গার্ড পুলিশ এবং ফরেনসিক ইউনিটসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিট মোতায়েন এবং জাতিসংঘ পুলিশের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রশিক্ষণ আয়োজনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতার কথা তুলে ধরেন। জাতিসংঘ সদরদপ্তর এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মাঠ পর্যায়ে উচ্চপদে বাংলাদেশী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়োগের অনুরোধ জানান আইজিপি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এসডিজি বাস্তবায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়ন, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের তাৎপর্যপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন বেনজীর আহমেদ। শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী থেকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবারাহের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশকে আগামী দিনগুলোতেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান জাতিসংঘ পুলিশ প্রধান। জাতিসংঘের শান্তি পদক্ষেপ ও বৈশ্বিক সহযোগিতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে ড. বেনজীর আহমেদ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পূনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের সামরিক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: সাদেকুজ্জামান ও পুলিশ সদরদপ্তরের ওভারসিজ এন্ড ইউএন অপারেশন শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি নাসিয়ান ওয়াজেদ উপস্থিত ছিলেন।

 

Read us@googlenews

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond