[Valid RSS]
September 24, 2022, 7:45 pm
Treanding
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

333 workers killed in workplace accidents on last six months : survey

Bangladesh Beyond
  • Updated on Thursday, June 30, 2022
  • 133 Impressed

333 workers killed in workplace accidents on last six months : survey

 

Dhaka June 30 2022 :

 

A survey conducted by the non-governmental organization Safety and Rights Society (SRS) based on newspaper reports found that 333 workers (including 49 killed in Sitakunda accidents) were killed in 241 workplace accidents across the country in the last six months (January 1-June 30, 2022). In 2021, at the same time, 306 workers were killed in 220 workplace accidents across the country.

SRS prepared this report with monitoring closely 26 daily newspapers (15 national and 11 local newspapers) from January 01 to June 30 of 2022. This report didn’t include deaths of workers outside the workplace, or in road accidents occurred back and forth.

The survey found that in this first six months, the highest number of worker fatality is at transport sector. 138 transport-workers were killed in road crashes. Next number goes for the service sector. There 100 workers were killed at the workplaces like hotels, automobile servicing workshops and power supply sector. Besides, 48 workers killed in construction sector, 26 workers were killed in manufacturing sector (like garment, plastic factory, ship breaking, steel/re-rolling mill, etc) and 21 in the agriculture sector.

The analysis shows that road accident is top among the causes of workplace accidents with 153 workers death. It found that 57 in fire incidents,  25 workers died from electrocution, 23 died after being crushed into falling machinery or by heavy load or hard objects, 19 died after falling from heights (i.e. from scaffolds). 15 workers died cause of lightning/ thunder strikes. 15 workers died in explosions, 9 workers died in building/ wall/ roof collapses and 9 were suffocated to death by inhaling poisonous gas at septic or water tanks. The rest of the 8 workers died of drowning. 

Executive director of SRS, Sekender Ali Mina said death in workplace accidents was not desirable. We have only observed deaths of drivers and helpers in road accidents. The authorities concerned with controlling the transport sector would have to step up surveillance otherwise accidents would continue to increase.

One of the reasons for the increase in accidents is the negligence of employers in the safety of workers in the workplace and the lack of proper inspection of government departments. We have seen the negligence of the concerned authorities in the Shitakunda accident.

I hope that the concerned authorities will soon take action on how to identify the causes of these accidents and reduce them. Decent working environment is must for a sustainable development and every expenditure for ensuring safety of workers should be treated as an investment.

According to the survey, uncontrolled transportation system, obstruction of law enforcement, reckless driving and incompetent drivers are the main causes of transport accidents.

The company cited lack of firefighting system in the factory, inefficiency and negligence in chemical storage, lack of emergency exit in the factory building, non-receipt of permission from the concerned department for construction of the factory and non-training of the workers as the reasons for the recent increase in fire deaths.

The company has identified the cause of the accident as electrical connection without any safety measures such as turning on the motor with wet hands, working under the overhead power line, lifting the iron rod along the side of the electric wire flowing through the building. Moreover, these accidents are happening due to not using Personal Protective Equipment (PPE).

Safety and Rights Society has proposed that safety measures should be extended to all the sectors with proper enforcement of the laws by government regulatory bodies which include RAJUK, Department of Inspection for Factories & Establishment, as well as to the garment sectors Employers.

Industrial employers must establish health and safety policies for their respective organizations; make a safety plan before undertaking construction work; provide proper PPE at free of cost and ensure holding of a regular fire drill and health and safety training irrespective to all the industrial-workers.

 

৬ মাসে কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনায় নিহত ৩৩৩ জন শ্রমিক : সেইফটি এন্ড রাইটস জরিপ

ঢাকা ৩০ জুন ২০২২:

সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের ওপর ভিত্তি করে বেসরকারি সংস্থা সেইফটি এন্ড রাইটস সোসাইটি (এসআরএস) কর্তৃক পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায় বিগত ৬ মাসে (১ জানুয়ারী – ৩০ জুন, ২০২২) সারাদেশে ২৪১টি কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনায় ৩৩৩ জন (সীতাকুন্ড দুর্ঘটনায় নিহত ৪৯ জনসহ) শ্রমিক নিহত হয়েছে। ২০২১ সালে একই সময়ে সারাদেশে ২২০টি কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনায় ৩০৬ জন শ্রমিক নিহত হয়েছিল।

মোট ২৬টি দৈনিক সংবাদপত্র (১৫টি জাতীয় এবং ১১টি স্থানীয়) পর্যবেক্ষণ করে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। যেসকল শ্রমিক কর্মক্ষেত্রের বাহিরে অথবা কর্মক্ষেত্র থেকে আসা-যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় অথবা অন্য কোন কারণে মারা গিয়েছেন তাদের এই জরিপের মধ্যে অর্ন্তভুক্ত করা হয়নি।

জরিপে প্রাপ্ত কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক নিহত হয়েছে পরিবহন খাতে যাদের সংখ্যা মোট ১৩৮ জন, এর পরেই রয়েছে সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে (যেমন- ওয়ার্কশপ, গ্যাস, বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি) ১০০ জন, নির্মাণ খাতে নিহত হয়েছে ৪৮ জন, কল-কারখানা ও অন্যান্য উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানে এই সংখ্যা ২৬ জন এবং কৃষি খাতে ২১ জন।

মৃত্যুর কারণ পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫৩ জন, আগুনে পুড়ে ৫৭ জন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২৫ জন; ছাদ, শক্ত বা ভারী কোন বস্তুর দ্বারা আঘাত বা তার নিচে চাপা পড়ে ২৩ জন; মাঁচা বা ওপর থেকে পড়ে মারা গেছে ১৯ জন; বজ্রপাতে ১৫ জন; বয়লার বিস্ফোরণে ১৫ জন; রাসায়নিক দ্রব্য বা সেপটিক ট্যাঙ্ক বা পানির ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ জন; পাহাড় বা মাটি, ব্রিজ, ভবন বা ছাদ, দেয়াল ধসে ৯ জন। এছাড়া পানিতে ডুবে ৮ জন শ্রমিক নিহত হয়।

জরিপ তথ্য প্রকাশ কালে এসআরএস এর নির্বাহী পরিচালক সেকেন্দার আলী মিনা বলেন কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনায় মৃত্যু কাম্য নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় শুধু চালক ও হেলপার মৃত্যুর ঘটনাগুলো আমরা পর্যবেক্ষণ করেছি। তিনি বলেন পরিবহন খাতকে নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরো নজরদারী বাড়াতে হবে। তা না হলে দুর্ঘটনা বাড়তেই থাকবে।

কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের নিরাপত্তা নিয়ে মালিকদের অবহেলা এবং সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর যথাযথ পরিদর্শনের ঘাটতি কর্মদুর্ঘটনা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। সীতাকুন্ড দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা আমরা দেখতে পেয়েছি। এইসব দুর্ঘটনার কারন চিহ্নিত করে তা কিভাবে কমিয়ে আনা যায় সেই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশা রাখি। টেকসই উন্নয়নের জন্য শোভন কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব এবং এজন্য শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করতে হবে।

জরিপের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, অনিয়ন্ত্রিত পরিবহন ব্যবস্থা, আইন প্রয়োগে বাধা, বেপোরোয়া যান চলাচল ও অদক্ষ চালক ইত্যাদি হল পরিবহন দুর্ঘটনার মূল কারণ।

সাম্প্রতিকালে অগ্নিদুর্ঘটনায় নিহতের পরিমান বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে এসআরএস জানিয়েছে কারখানায় অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা না থাকা, ক্যামিকেল সংরক্ষণে অদক্ষতা ও অবহেলা, কারখানায় ভবনে জরুরী বর্হিগমন পথ না থাকা, কারখানা নির্মাণে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে অনুমতি না নেওয়া, সেইফটি বিষয়ে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ না দেওয়া।

কোনরকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নিয়েই বৈদ্যুতিক লাইন সংযোগ দেয়া এবং পাশাপাশি ভেজা হাতে মটর চালু করা, মাথার ওপরে যাওয়া বিদ্যুতের লাইনের নিচে কাজ করা, ভবনের পাশে দিয়ে বয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক তারের পাশ দিয়ে লোহার রড উঠানোকে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। তাছাড়া ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার না করার কারণেও কিছু দুর্ঘটনা ঘটছে।

এসআরএস বিভিন্ন সময়ে প্রশিক্ষণ ও আলোচনার মাধ্যমে কর্মদুর্ঘটনা বন্ধে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করে আসছে। কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনা প্রতিরোধে এই প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। একমাত্র সকলের যৌথ প্রচেষ্টাই পারে কর্মক্ষেত্র দুর্ঘটনা থেকে শ্রমিকের জীবন বাঁচাতে।

কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম প্রদান, সেইফটি বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব মালিক সমাজের। মালিক কর্তৃক শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে কিনা তা পরিদর্শন করার দায়িত্ব সরকারি প্রতিষ্ঠানের। সরকার ও মালিক উভয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কর্মদুর্ঘটনা বন্ধ করা সম্ভব হবে।

 

Read us@googlenews

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond