[Valid RSS]
September 24, 2022, 7:41 pm
Treanding
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবসে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাণী

Bangladesh Beyond
  • Updated on Monday, August 8, 2022
  • 114 Impressed

জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবসে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাণী

 

 

 

জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঢাকা, ২৪ শ্রাবণ (৮ আগস্ট) :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল ৯ আগস্ট জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০২২ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

“প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ‘জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০২২’ উদযাপন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এবারের প্রতিপাদ্য ‘বহুমুখী জ্বালানি-সমৃদ্ধ আগামী’ যথাযথ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট বিদেশি তেল কোম্পানি শেল ওয়েল হতে ৫টি গ্যাসক্ষেত্র-তিতাস, হবিগঞ্জ, রশিদপুর, কৈলাশটিলা ও বাখরাবাদ- ক্রয় করে রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৭৫ সালের ১৪ মার্চ বাংলাদেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ESSO Eastern Inc.-কে সরকারিকরণ করে জ্বালানি তেলের মজুদ, সরবরাহ ও বিতরণে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। জাতির পিতার এই যুগান্তকারী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তার গোড়াপত্তন ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ সরকার ‘রূপকল্প-২০৪১’ অর্জনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

আমাদের সরকারের সময়ে সুন্দলপুর, শ্রীকাইল, রূপগঞ্জ, ভোলা নর্থ ও জকিগঞ্জ নামে মোট ৫টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। আরো নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের জন্য বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার লাইন কিলোমিটার ২-ডি সিইসমিক জরিপ এবং ১ হাজার ৫৩৬ বর্গকিলোমিটার ৩-ডি সিইসমিক জরিপ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২০০৯ সাল হতে জুন ২০২২ পর্যন্ত সময়ে ২১টি অনুসন্ধান, ৫০টি উন্নয়ন ও ৫৬টি ওয়ার্কওভার কূপ খননের ফলে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১০০০ এমএমসিএফডি। ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে গ্যাসের উৎপাদন ছিল দৈনিক ১,৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট। আমদানিকৃত এলএনজিসহ বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৩,৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে। সারাদেশে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য গ্যাস নেটওয়ার্ক রাজশাহীতে সম্প্রসারণ করা হয়েছে এবং বগুড়া-রংপু্র-সৈয়দপুর পাইপলাইন নির্মাণ চলমান রয়েছে। আমরা পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য গ্যাস বিতরণ লাইন স্থাপন এবং পায়রা বন্দরে Floating Storage Regasification Unit (FSRU) স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি। এছাড়াও ২০৪১ সাল পর্যন্ত গ্যাসের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে মাতারবাড়িতে দৈনিক ১,০০০ ঘনফুট ক্ষমতার ১টি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আমাদের সরকার জ্বালানি খাতকে আধুনিক ও ডিজিটালাইজড করার জন্য Enterprise Resource Planning প্রবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্যাস ও কয়লার উৎপাদন বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে, দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জ্বালানি চাহিদা পূরণে গ্যাস উত্তোলন, প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ কয়লার মজুদ নির্ধারণ, আহরিত জ্বালানি সম্পদ ব্যবহারের নতুন ক্ষেত্র প্রস্তুত এবং এ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন অব্যাহত রয়েছে। বিদ্যুৎ, ক্যাপটিভ পাওয়ার, সার, শিল্প, গৃহস্থালি, সিএনজি, ব্যবসা-বাণিজ্যে বর্ধিত হারে গ্যাস সরবরাহ করার ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে। গ্যাসের অপচয় রোধকল্পে আবাসিক গ্রাহকদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনার কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৪ লক্ষ প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে।

আমি বিশ্বাস করি, জ্বালানির অপচয় রোধ করে সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ দিবসটি আমাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

আমি, ‘জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০২২’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

 

জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী  

 

ঢাকা, ২৪ শ্রাবণ (৮ আগস্ট) :

 

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আগামীকাল ৯ আগস্ট ‘জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস ২০২২’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

“জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ কর্তৃক ‘জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস ২০২২’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সূচকের উর্ধ্বগতি নিশ্চিত করতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানির যোগান একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত। জ্বালানির এ গুরুত্ব বিবেচনায় এ বছর জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বহুমুখী জ্বালানি, সমৃদ্ধ আগামী’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে। বলে আমি মনে করি।

একটি দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো জ্বালানি ও বিদ্যুৎ। জ্বালানির গুরুত্ব অনুধাবন করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট ব্রিটিশ কোম্পানি ‘শেল ওয়েল’ এর ৫টি গ্যাসক্ষেত্রের মালিকানা রাষ্ট্রের অনুকূলে গ্রহণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যা অদ্যাবধি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে।

বাংলাদেশে জ্বালানির অন্যতম উৎস হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস। দেশের গ্যাসক্ষেত্রের অধিকাংশই স্থলভাগে অবস্থিত। এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ বৃদ্ধির জন্য স্থলভাগের পাশাপাশি দেশের বিশাল সমুদ্রসীমায় অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার এবং উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ কার্যক্রম আরো ত্বরান্বিত করতে হবে। প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর একক নির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানি-মিশ্র এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারেও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ ও জনগণকে উৎসাহিত করতে হবে। এছাড়া ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে জ্বালানি সংক্রান্ত মৌলিক গবেষণা এবং প্রায়োগিক ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ওপর জোর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে আমি মনে করি। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিধারা স্থিতিশীল রাখতে জনগণকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও সচেতন করার কোনো বিকল্প নেই। আমি জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন যোগান নিশ্চিত করতে গ্যাস ও তেল অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সর্বোত্তম ও সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

‘জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস ২০২২’ উদ্‌যাপন সফল ও সার্থক হোক।

জয় বাংলা।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

Read us@Googlenews

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond