[Valid RSS]
June 29, 2022, 3:52 pm
Headlines
Develop a national framework for projects implementation efficiency & governance: economists Samsung smartphones are available with attractive offers for this Eid Technical Strategic Partner Huawei awarded by bKash প্রাথমিকের শিক্ষকদের অনলাইনে বদলীর কার্যক্রম উদ্বোধন Momen to lead Bangladesh in UN Ocean Conference পবিত্র ইদুল আজহা উপলক্ষ্যে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আগামীকাল Russia and West clash at UN Security Council Oxfam condemns G7 for ‘leaving millions to starve’ Continued arms supplies from US to Ukraine increase threat of further escalation : envoy ৩০ জন নারী উদ্যোক্তার অংশগ্রহণে চলছে আনিসুল হক কোহর্ট উদ্যোক্তা হাট Samsung introduces ‘Meet the Eid’ campaign ahead of Eid with sizzling offers British Council stages Noishobde ’71 BRAC Bank wins four VISA awards Sufferers of false allegation over Padma Bridge deserves compensation: Momen Japan to provide 165,989m Yen to Bangladesh for 3 projects HC orders to form commission to find conspirators against Padma Bridge ২৮ জুন এক নজরে বাংলাদেশ ২৮ জুন কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন New Canadian envoy calls on State Minister for Foreign Affairs কর্মক্ষম ‍যুবশক্তির কর্মসংস্থান না করা গেলে জনমিতিক লভ্যাংশের সুফল ভোগ করা যাবে না
Treanding
Develop a national framework for projects implementation efficiency & governance: economists Samsung smartphones are available with attractive offers for this Eid Technical Strategic Partner Huawei awarded by bKash প্রাথমিকের শিক্ষকদের অনলাইনে বদলীর কার্যক্রম উদ্বোধন Momen to lead Bangladesh in UN Ocean Conference পবিত্র ইদুল আজহা উপলক্ষ্যে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আগামীকাল Russia and West clash at UN Security Council Oxfam condemns G7 for ‘leaving millions to starve’ Continued arms supplies from US to Ukraine increase threat of further escalation : envoy ৩০ জন নারী উদ্যোক্তার অংশগ্রহণে চলছে আনিসুল হক কোহর্ট উদ্যোক্তা হাট Samsung introduces ‘Meet the Eid’ campaign ahead of Eid with sizzling offers British Council stages Noishobde ’71 BRAC Bank wins four VISA awards Sufferers of false allegation over Padma Bridge deserves compensation: Momen Japan to provide 165,989m Yen to Bangladesh for 3 projects HC orders to form commission to find conspirators against Padma Bridge ২৮ জুন এক নজরে বাংলাদেশ New Canadian envoy calls on State Minister for Foreign Affairs কর্মক্ষম ‍যুবশক্তির কর্মসংস্থান না করা গেলে জনমিতিক লভ্যাংশের সুফল ভোগ করা যাবে না Strengthen the Tobacco Control Law: ATMA

BANBEIS flouts law to make way for one particular OEM to win tender

Bangladesh Beyond
  • Updated on Sunday, May 29, 2022
  • 122 Impressed

BANBEIS flouts law to make way for one particular OEM to win tender

 

Dhaka May 29 2022 :

 

Question raised over education ministry’s project In blatant violation of specific provisions of the Public Procurement Act 2006 and the Public Procurement Rules 2008, Bangladesh Bureau of Educational Information & Statistics (BANBEIS) has recently been accused of giving systemic advantage to one particular original equipment manufacturer (OEM) company for tender procurement of probably the biggest education-sector related project so far.

Of late, the Ministry of Education has taken an initiative to digitalize the education system and its related processes. Once completed, this project is expected to bear good fruits for the whole education system and bring about positive changes. Bangladesh Bureau of Educational Information & Statistics (BANBEIS) has recently been tasked with pulling off Integrated Education Information Management System (IEIMS) project.

To that end, they have published two separate tender procurement notices on 6 and 7 April 2022 respectively for Procurement of Computer Hardware & Server room Passive Infrastructure for 11 Education Board (Active Elements like, Server, router, Firewall, connectivity switch etc. and Passive Elements like Rack, UPS, AVR, Diesel generator, Electric work, civil works etc.) and Procurement of Computer Hardware & Server room Passive Infrastructure for BANBEIS, Central site.

But, the project has hit a snag in the very tender procurement process as BANBEIS has allegedly flouted certain provisions of the Public Procurement Rules 2008 to make way for a specific company to win the tender, and specific product requirements of the tender is not suitable for the project.

Networking items like router, firewall and connectivity switch have been locked for one particular OEM company from the industry, which is in direct conflict with the Public Procurement Act 2006 and the Public Procurement Rules 2008. Section 29(3) of the Public Procurement Rules 2008 says, there shall be no reference, in technical specification of Goods, to a particular trade mark or trade name, patent, design or type, named country of origin, producer or service supplier.

But, to allow upper hand to one particular original equipment manufacturer (OEM) company, BANBEIS has prepared the specifications in the procurement notice in a discriminatory way violating the provisions of the laws. For example, in some cases while mapping out brief description of goods and related service, the name of a particular OEM company has been referred for some specific licenses, which deviates from the afore-mentioned Acts.

Moreover, there is a huge solution gap in the tender procurement notice as the requirements stated in the tender for specific products is not appropriate for completing the project with precision. For example – the specification of memory for the DMZ router as mentioned in the tender procurement notice is not suitable as different internationally-renowned OEM companies use lower memory for operating their own-developed OS. Consequently, it has limited the scope of other OEM companies to take part in the tender since they will have to either refrain from participation owing to such memory specification or partake in the process with higher model. Experts opine that such discriminatory tender notice will not only inspire unhealthy competition in the industry, but public money will go down the drain.

According to procurement notice details, these two projects are worth 100 crore. An ICT expert, on condition of anonymity, has informed this correspondent that it is possible to save at least 30-40% of allocated budget for such projects, which come from public money, if the winner of the tender follows the standard design of networking, computing and storage design and optimizes the best solutions.

But, if tender is announced with such discriminatory and partial specifications, then the scope for participation vanishes away, let alone winning it and saving public money.

Industry stakeholders also feel that such partiality and reluctance to follow laws may blow the wind out of the internationally renowned ICT infrastructure providers’ sails in the long run as it will fail to ensure healthy competition for all the companies.

 

 

শিক্ষাব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজড করার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ব্যানবেইসের টেন্ডার নিয়ে প্রশ্ন

 

ঢাকা ২৯ মে ২০২২ :

 

দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজড করার সবচেয়ে সম্ভাবনাময় প্রকল্প নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) একটি প্রকল্পে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা এড়িয়ে নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দিয়ে টেন্ডার দেয়া হয়েছে।

২৩ বছরের পুরনো ডস বেইস সফটওয়্যার দিয়ে চলছে দেশের শিক্ষাবোর্ডের সামগ্রিক কার্যক্রম। এ অবস্থার উত্তরণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) শীর্ষক যুগোপযোগী এক উদ্যোগ গ্রহণ করে।

এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে শিক্ষার্থীদের ভর্তি, রেজিট্রেশন, পরীক্ষার ফলাফল সহ সকল তথ্য সরকারের নিরাপদ তথ্য ভান্ডারে সুরক্ষিত থাকবে। এ প্রকল্পের মেয়াদ জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত।

এখন মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৩ পর্যন্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) দেশের ১১ টি শিক্ষাবোর্ডের জন্য ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সার্ভার, রাউটার, ফায়ারওয়াল, কানেক্টিভিটি সুইচ, র‌্যাক, ইউপিএস, এভিআর, ডিজেল জেনারেটর, ইলেক্ট্রিক ও সিভিল ওয়ার্ক প্রভৃতি ক্রয়ের জন্য গত ০৬ এবং ০৭ এপ্রিল দু’টি পৃথক দরপত্র প্রকাশ করে।

তবে, অভিযোগ উঠেছে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে যে টেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছে তা কোনভাবেই সার্বজনীন নয়। বিশেষ করে, নেটওয়ার্কিং পণ্য যেমন: রাউটার, সুইচ ফায়ারওয়াল ও অন্যান্য নিরাপত্তা সামগ্রী ক্রয়ের ক্ষেত্রে সুযোগ দেয়া হয়েছে কেবল একটি মাত্র নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড ও তাদের নির্দিষ্ট মডেলের পণ্যকে।

একপেশে এই টেন্ডারের নথিতে সেই কোম্পানী বাদে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পে অংশ নিতে পারবে না। অন্যদিকে, সরকারের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট-২০০৬ ধারা ১৫(১) এবং পিপিআর ২০০৮ নিয়ম ২৯, অনুযায়ী সিপিটিইউ (সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট) দ্বারা অনুমোদিত যে, কোন ক্রেতা এমন কোন স্পেসিফিকেশন প্রস্তুত করতে পারবে না যেখানে কোন নির্দিষ্ট ওইএম (OEM) এর ট্রেডমার্ক, পেটেন্ট বা নকশা থাকে বা উৎপত্তির দেশ বা উৎপাদনের ধারায় দেশের নাম উল্লেখ করতে পারবে না।

কিন্তু, এই ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) প্রকল্পের স্পেসিফিকেশনে প্রতিটি পণ্যের ব্র্যান্ডের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যাতে শুধুমাত্র একটি ওইএম (OEM) অংশ নিতে পারে। এরকম ঘটনা আগেও ঘটেছে বলে সরকার এ ধরনের অসম প্রতিযোগিতা ও নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য একপেশে টেন্ডার প্রকাশের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়।

সরকারের সর্বশেষ বিবৃতি অনুযায়ী, অর্ডার মেমো নং: ২১, ০০, ০০০০, ৩৬৪, ২২, ০২০, ২১-৮৭ তারিখ ১৩ জুন ২০২১ (সংযুক্ত), যেখানে বলা হয়েছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি সম্পৃক্ত কতিপয় অংশীজনের নিকট হতে এরূপ পাওয়া গেছে যে, দরপত্র আহ্বানের ক্ষেত্রে কোন কোন ক্রয়কারী আবশ্যকীয় পণ্যের ব্র্যান্ড নাম বা মডেল এবং নির্দিষ্ট দেশ বা অঞ্চলের নাম উল্লেখ করছে।

অধিকন্তু, কোন কোন ক্রয়কারী সংস্থার বিভাগীয় দর – তফসিলে আবশ্যকীয় পণ্যের ব্র্যান্ড নাম বা সুনির্দিষ্ট দেশ/ অঞ্চলের নাম উল্লেখ করা হচ্ছে যা পিপিএ/পিপিআর এর উপযুক্ত বিধানের পরিপন্থী। দরপত্র দলিল বা রেট সিডিউলে পণ্যের ব্র্যান্ড/ দেশের নাম নির্দিষ্ট করে দেয়ার ফলে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দরপত্রে অংশগ্রহণ করতে পারে না, অবাধ প্রতিযোগিতার সুযোগ হ্রাস পায়, সকল দরদাতার প্রতি সমআচরণের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় এবং ক্ষেত্র বিশেষে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পক্ষপাতমূলক টেন্ডার এ খাতে অসম প্রতিযোগিতার তৈরি করবে; যার ফলে কেবল জনগণের অর্থ অপচয় হবে। তারা আরো মনে করেন, ইন্টারফেস প্রয়োজনীয়তাগুলো টপোলজির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যা কর্মক্ষমতায় বাধা সৃষ্টি করবে এবং ভবিষ্যতে ব্যবসার প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতেও অক্ষম হবে।

টেন্ডার অনুযায়ী, এ প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের একজন বিশেষজ্ঞ এর মতে, “নেটওয়ার্কিং, কম্পিউটিং এবং স্টোরেজ ডিজাইনের সর্বোচ্চ মানদণ্ড অনুসরণ করলে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ জনগণের অর্থ সাশ্রয় হবে।”

প্রকল্প বাস্তবায়নে টেন্ডারে উল্লিখিত যে সব নিরাপত্তা সামগ্রীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে তা দিয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এ খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেকেই। সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা না মেনে এ ধরনের পক্ষপাত ও অসম প্রতিযোগিতা বিরাজমান থাকলে আমাদের দেশের শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে আইসিটি অবকাঠামো সরবরাহকারী দক্ষ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কমে যাবে বলে মনে করেন এ খাতের সাথে সংশ্লিষ্টরা।

 

Read us @GoogleNews

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond