[Valid RSS]
March 18, 2023, 6:08 pm
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

Experts suggested reassessment of the country’s maternal, child health programs & policies

Bangladesh Beyond
  • Updated on Tuesday, August 16, 2022
  • 176 Impressed

Double burden of malnutrition among Bangladeshi women of reproductive age: time to reassess the country’s maternal and child health programs and policies



Dhaka 16 August 2022 :


Today, icddr,b and Data for Impact (D4I) jointly organised an evidence sharing session with journalists at icddr,b’s Mohakhali Campus that discussed about the double burden of malnutrition among Bangladeshi women of reproductive age and how and why it is important to reassess the country’s maternal and child health programs and policies.

Recent evidence based on secondary analysis of BDHS datasets for last one decade along with policy synthesis, were presented in the seminar which indicated a major shift of nutritional status of women of reproductive age in the country.

Between 2007 and 2017, in addition to improvements in many human development indexes, the proportion of undernutrition (BMI <18) among Bangladeshi ever-married women aged 15–49 declined sharply from 30% to 12%, while the proportion of overweight/obese (BMI ≥25) women increased from 12% to 32% during the same period.

In addition, despite remarkable progress in reducing undernourishment among women, the share of well-nourished women remains unchanged, 58% in 2007 and 56% in 2017-18. In terms of numbers, it means that currently in Bangladesh, 17 million women (aged 15-49 years) are malnourished — five million are underweight, and 12 million are overweight/obese). If this trend persists, linear projections indicate that about 46% of ever-married women of reproductive age will be overweight/obese by 2030.


Increased weight among women of reproductive age is a concern because, in Bangladesh, there are about 3.4 million births occur annually and currently, around 0.9 million of these births occur to overweight/obese women, and 0.5 million births occur to underweight women.

If the current trend in malnutrition continues, pregnancies/births among overweight women will increase. Both forms of malnutrition pose a greater risk for maternal and child health: underweight mothers are at risk of having anaemia, antepartum/postpartum haemorrhage, and premature rupture of membranes.

On the contrary, maternal obesity increases the risk of perinatal complications such as gestational diabetes, gestational hypertension, and caesarean deliveries.

Maternal obesity also has implications for breastfeeding, with decreased rates of initiation and reduced breastfeeding duration. All these complications have potentially serious implications for infant survival, growth, and development, as well as intergenerational implications. 

An analysis of the three main government policy documents related to nutrition, the Bangladesh National Strategy for Maternal Health 2019–2030, the National Nutrition Policy 2015, and the Second National Plan of Action for Nutrition 2016–2025, show that current policies concerning maternal health and nutrition are fragmentary and mostly address the issue of underweight.

The call of the hour is for national policies to address the double burden of malnutrition among women of reproductive age across pre-conception, pregnancy, and post-natal stages to ensure optimum maternal and child health.


Dr Kanta Jamil, Senior Research, Monitoring, Evaluation and Leaning Advisor, USAID; Ms Saiqa Siraj, Country Director of Nutrition International; Dr Shams El Arifeen, Senior Scientist, Maternal and Child Health Division (MCHD), icddr,b attended the session as technical experts and exchanged their views with journalists on ways to overcome this challenge.


Dr Kanta Jamil from USAID said – “We see there is a gap in policy, however, we also have to keep in mind that, while the crossover from underweight to overweight among ever-married women of reproductive age started around 2012, the gap is more visible from 2017-18 BDHS. Now we must plan the next programs and rectify the policies if required to meet this new challenge”.


While answering the questions from the journalists, Ms Saiqa Siraj, Country Director of Nutrition International said – “The effect of overweight obesity is not a far-fetched issue that will harm the elderly population only.

It is affecting our mothers and our children and creating an intergenerational challenge. Nutrition itself is a very complex issue, which requires multi sectoral holistic approach. Therefore we need to focus on “low hanging fruits” and start solving the puzzle one piece at a time.”  

Dr Mizanur Rahman, Country Lead of D4I, thanked USAID Bangladesh for supporting such works and requested the members of the media houses to be more vocal on this issue. 

The experts stressed on addressing the challenge by i) tracking and addressing both forms of malnutrition from adolescence, ii) introducing targeted and segmented antenatal care programs, iii) taking effective universal interventions to reenforce promotion and protection of appropriate Infant and Young Child Feeding (IYCF), iv) regulating junk/packaged foods and beverages marketing and v) providing healthy meal options at schools and workplaces.

The event was jointly organised by Data for Impact (D4I), a data driven initiative of the University of North Carolina at Chapel Hill; and icddr,b; and was supported by the United States Agency for International Development (USAID).

The findings were presented by Shusmita Khan, Knowledge Management and Communications Specialist of Data for Impact (D4I), University of North Carolina at Chapel Hill and M. Moinuddin Ahmed, Associate Scientist, Health Systems and Population Studies Division (HSPSD), icddr,b.



বাংলাদেশী প্রজননক্ষম নারীদের অপুষ্টি একটি দ্বৈত স্বাস্থ্য সমস্যা: দেশে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যক্রম ও নীতির পুনর্মূল্যায়ন


ঢাকা ১৬ আগস্ট ২০২২ :


আজ আইসিডিডিআর,বি মহাখালী ক্যাম্পাসে ড্যাটা ফর ইম্প্যাক্ট (উ৪ও) এবং আইসিডিডিআর,বি যুগ্মভাবে সাংবাদিকদের সাথে একটি সভার আয়োজন করেছে যেখানে বাংলাদেশের প্রজননক্ষম নারীদের পুষ্টির অভাব কেন একটি দ্বৈত স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং দেশের মা ও শিশু বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম এবং নীতির একটি পুনর্মূল্যায়ন এখন প্রয়োজন।

সভায় গত এক দশকের বিডিএইচএস ডেটাসেটের মাধ্যমিক বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে নীতি সংশ্লিষ্ট সাম্প্রতিক দৃষ্টান্তগুলো উপস্থাপন করা হয়, যা দেশে প্রজনন বয়সের মহিলাদের পুষ্টির অবস্থার একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

২০০৭-২০১৭ সালের মধ্যে, মানুষের উন্নয়নের বিভিন্ন মাত্রাতেও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, বাংলাদেশের নারীদের (১৫-৪৯ বয়সীদের মধ্যে) পুষ্টির স্বল্পতার হার (৩০% থেকে ১২%-এ নেমে এসেছে) লক্ষণীয় মাত্রায় কমে যাওয়ার প্রবণতা যেমন দেখা যাচ্ছে, ঠিক তেমনি অন্যদিকে, অতিরিক্ত ওজন/স্থুলতার প্রবণতাও (১২% থেকে ৩২%) বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়াও, যদিও নারীদের মধ্যে অপুষ্টি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে কিন্তু অন্যদিকে নারীদের মধ্যে সুপুষ্টির হার আগের মতোই আছে- ২০০৭ সালে ৫৮% এবং ২০১৭-১৮ সালে ৫৬%। আমরা যদি সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করতে চাই, বাংলাদেশে আনুমানিক ১ কোটি ৭০ লক্ষ নারী (যাদের বয়স ১৫-৪৯ বছরের মধ্যে) অপুষ্টিতে ভুগছে, যার মধ্যে ৫০ লক্ষ নারীর ওজন কম, এবং ১ কোটি ২০ লক্ষ নারী স্থুলকায়। এই অবস্থা চলতে থাকলে, ২০৩০ সাল নাগাদ ৪৬% বিবাহিত প্রজননক্ষম নারী স্থুলকায় হবে।

প্রজননক্ষম নারীদের মধ্যে ওজন বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়, কারণ বাংলাদেশে বছরে আনুমানিক ৩.৪ মিলিয়ন শিশুর জন্ম হয়, এবং এর মধ্যে আনুমানিক ০.৯ মিলিয়ন শিশুর জন্ম হয় স্থুলকায় নারীর গর্ভ থেকে এবং ০.৫ মিলিয়ন শিশুর জন্ম হয় কম ওজনের নারীর গর্ভ থেকে।

বর্তমান এই অপুষ্টির অবস্থা চলতে থাকলে, গর্ভধারণ এবং শিুর জন্ম এই দুটিই স্থুলকায় নারীর গর্ভ থেকে বেশী হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। এই দুই ধরণের অপুষ্টিই মা এবং শিশুর স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। কম ওজনের গর্ভবতী নারীর রক্তশুন্যতা, প্রসবপূর্ব/প্রসবোত্তর রক্তক্ষরণ, অকালে ঝিল্লি ফেটে যাওয়ার প্রবণতা বেশী হয়ে থাকে।

অন্যদিকে, মা যদি স্থুলকায় হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে প্রসবকালীন বিভিন্ন জটিলতা, যেমন গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস, গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ, সিজারিয়ান শিশুর জন্ম বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বুকের দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা যায় যেমন, শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করানোর হার কম হওয়া, বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়কালও কমে যাওয়ার প্রবণতা বেশী পরিলক্ষিত হয়। এই সবগুলো কারণই নবজাতকের বেঁচে থাকার, বেড়ে ওঠার এবং বড় হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুতর প্রভাব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকারের পুষ্টি বিষয়ক তিনটি নীতির বিভিন্ন নথি,the Bangladesh National Strategy for Maternal Health 2019–2030, the National Nutrition Policy 2015, and the Second National Plan of Action for Nutrition 2016–2025,  পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে বর্তমান নীতি মায়ের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত কিন্তু তা শুধুমাত্র একটি অংশকে তুলে ধরেছে। সার্বিকভাবে মায়ের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো নীতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়নি।

এখানে মূলত মায়ের ওজন কম হলে কি কি জটিলতা তৈরি হয়, সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। জাতীয় নীতিতে পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি, জাতীয় নীতি প্রাক-গর্ভধারণ, গর্ভাবস্থা এবং প্রসবোত্তর প্রজননক্ষম নারীদের এই অপুষ্টির দ্বৈত স্বাস্থ্য সমস্যাকে আমাদের চিহ্নিত করতে হবে, তাহলেই মা ও শিশুর সর্বোত্তম সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ইউএসএআইডি-র সিনিয়র রিসার্চ, মনিটরিং, ইভ্যালুয়েশন অ্যান্ড লিনিং অ্যাডভাইজার ড. কান্তা জামিল; নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর সাইকা সিরাজ; আইসিডিডিআর,বি-র ম্যাটার্নাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ ডিভিশনের (এমসিএইচডি) সিনিয়র ডিরেক্টর ড. শামস্ এল আরেফিন এই সভায় সাংবাদিকদের সাথে তাঁদের মুল্যবান মতামত আদান-প্রদানের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেছেন। কিভাবে আমরা এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে পারি সে বিষয়ে তাঁরা মূল্যবান বক্তব্য রেখেছেন।



ইউএসএআইডি-র কান্তা জামিল বলেন, “আমরা দেখছি যে নীতিতে একটি বিচ্যুতি রয়েছে, তবে, আমাদের এটিও মনে রাখতে হবে যে, প্রজননক্ষম বয়সের বিবাহিত নারীদের মধ্যে কম ওজন থেকে অতিরিক্ত ওজনের ক্রসওভারটি ২০১২ সালের দিকে শুরু হয়েছিল এবং ২০১৭-১৮ বিডিএইচএস-এ এই ব্যবধানটি আরও দৃশ্যমান। এখন আমাদেরকে অবশ্যই পরবর্তী কর্মসূচির পরিকল্পনা করতে হবে এবং এই নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রয়োজনে নীতিগুলো সংশোধন করতে হবে”।

সাংবাদিকবৃন্দের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর সাইকা সিরাজ বলেন, “অতিরিক্ত ওজনের বা স্থুলতার প্রভাব একটি দূরবর্তী সমস্যা নয় যা শুধুমাত্র বয়স্ক জনগোষ্ঠির ক্ষতি করবে।


এটি আমাদের মা এবং শিশুদেরকে প্রভাবিত করছে এবং একটি আন্তঃপ্রজন্ম চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। পুষ্টি একটি অত্যন্ত জটিল বিষয়, যার জন্য বহু খাতের সমন্বয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। তাই আমাদেরকে এর ওপর যথাযথ গুরুত্ব আরোপ করতে হবে এবং সমাধানের পথ খুঁজতে হবে”।

ড্যাটা ফর ইমপ্যাক্ট (উ৪ও)-এর কান্ট্রি লিড ড. মিজানুর রহমান এধরনের কাজে সহযোগিতা করার জন্য ইউএসএআইডি বাংলাদেশ-কে ধন্যবাদ জানান এবং এই বিষয়ে আরও সোচ্চার হওয়ার জন্য গণমাধ্যমের সদস্যদেরকে অনুরোধ করেন।

বিশেষজ্ঞরা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জোর দেন ১) কৈশোর থেকেই অপুষ্টির উভয় দিক সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং এবিষয়ে কথা আলোচনা করতে হবে, ২) প্রসবকালীন বিভিন্ন যতেœর প্রবর্তন করতে হবে, ৩) সঠিক ও সুরক্ষিতভাবে নবজাতক ও কম বয়সী শিশুদেরকে খাওয়ানোর উদ্যোগকে জোরদার করতে হবে, ৪) প্রক্রিয়াজাত খাবারের বাজার ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং ৫) স্কুল ও কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

এই আলোচনা সভা ড্যাটা ফর ইম্প্যাক্ট (উ৪ও), নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালড, চ্যাপেল হিল; এবং আইসিডিডিআর,বি যুগ্মভাবে পরিচালনা করেছে এবং এতে সহায়তা করেছে ইউএসএআইডি। টেকনিক্যাল রিপোর্টের ফলাফল সুস্মিতা খান, নলেজ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স স্পেশালিষ্ট ড্যাটা ফর ইম্প্যাক্ট (উ৪ও), নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়, চ্যাপেল হিল এবং মঈনুদ্দিন হায়দার, সহযোগী বিজ্ঞানী, এইচএসপিএসডি, আইসিডিডিআর,বি উপস্থাপন করেছেন।


Read us@googlenews


More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond