[Valid RSS]
September 17, 2023, 7:42 pm
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

National Estimate of  “New Poor” Remains High in May 2022 : research

Bangladesh Beyond
  • Updated on Sunday, June 5, 2022
  • 238 Impressed

National Estimate of  “New Poor” Remains High in May 2022 Due to Inflation & Slower-Than-Expected Recovery


Dhaka June 05 2022 :


The ongoing inflationary pressures have negatively affected the real income, food security, and essential household expenditures of the low-income households in Bangladesh and significantly disrupted their economic recovery from the COVID-19 shock.

In a virtual press conference on 5 June 2022, titled Inflation, Coping, and Recovery Challenges, Dr Hossain Zillur Rahman, Executive Chairman of  Power and Participation Research Centre (PPRC), and Dr Imran Matin, Executive Director of BRAC Institute of Governance and Development (BIGD), highlighted these trends.


They presented these findings from the latest round of a survey in a joint PPRC–BIGD study, which has been capturing, since April 2020, the evolving economic crisis among low-income communities in Bangladesh due to COVID-19 through multiple rounds of surveys among a large sample of urban slum and rural population. Almost 4,000 households were surveyed in the fifth round conducted in May this year.


They show that per capita daily incomes were steadily recovering after the second lockdown—which increased by a 27% from August 2021 to January 2022— but have started reversing again by a 6% between January and May 2022 due to inflation, disrupting the expected recovery of real incomes to that of pre-pandemic times.


Dr Rahman said, “Inflation has compounded the COVID-induced disruptions to economic recovery, with real incomes of poorer households still 15% below pre-COVID levels two years from the onset of the pandemic. Bangladesh now faces a new risk—the reversal of meeting the targets of nutrition and education set in the Sustainable Development Goals.”


The recent fall in daily per capita real incomes in the urban slums (8%) has been sharper than that in the rural areas (3%). Livelihoods in urban slums were already more severely affected by COVID and recovering more slowly, compared to those in villages. The inflation has further slowed the recovery in the slums.


The inflationary pressure also appears to have pulled more women to find work; 40% of female respondents in the survey were engaged in income-generating activities in January, which jumped to 52% in May, but the longer term is still grim for women—36% women in the sample who were working pre COVID still remains to out of work


Because of rising prices, most of the surveyed households have drastically reduced or stopped the consumption of major food items such as fish, meat, milk, and fruit, since February. Here too, the reduction in quantity and quality of food consumption has been more extreme in the urban slums than the rural areas. As of May, one in five urban slum households had also skipped at least one meal in the last month due to a lack of money.


Compared to August 2021, more households were depending on their own incomes and production for their food needs in May 2022, as opposed to loans, dues from shops, and help from relatives. This seems to be a positive development. However, 38% of the households also said they needed to borrow more money but could not, mostly because of reasons like inability to repay or existing large debt burdens, indicating that many of these households are under severe financial stress. Moreover, since February 2022, two-thirds of the households have reduced non-food expenditures, including a worrying decrease in medical and children’s education expenses. The households are also buying less and buying lower quality goods to cope with the price hike.


Compared to last year, the purchase of fair price rice has increased in May 2022, among both people below and above the poverty line. There has been a corresponding change in the purchase of TCB food, 38% of surveyed HHs bought from TCB since February 2022.

Despite this, there is a large unmet demand. Only less than 5% HHs said that they did not need TCB food. Over half of the HHs admitted they needed to buy from TCB but could not for various reasons, including not finding the opportunity or not having a TCB Family Card.

A fifth of them said they were unable to complete their purchases due to the long waiting time. Though the overall satisfaction of those who purchased from TCB was high, two-thirds of them also mentioned long queues as a big challenge in purchasing. The survey indicates to the need for a vast expansion of TCB and similar programs for poor urban and rural households.


More than half of the households believe that the price hike is due to governance issues. The majority want the government to punish the syndicates and corrupt businesses, while a third suggested reducing prices, particularly for low-income households.

Some worrying longer-term trends have also transpired from the latest round of the survey. First, an undesirable convergence of incomes among different economic groups has emerged.

The income of the non-poor and vulnerable non-poor has fallen much sharply compared to their poorer counterparts and has recovered more slowly, particularly for the vulnerable non-poor, resulting in this undesirable convergence. Second, a third of the female respondents who were employed before the pandemic is still out of work.

Finally, the national estimate of the “new poor” remains high at 18.54% in May 2022 due to inflation and the slow recovery among the vulnerable non-poor.

“The inflation induced reversal comes within a larger context of multiple prolonged crisis,” said Dr Matin, “Government action for the informal sector and the poor will be critical at this time, and this needs to protect both consumption and production capabilities. Social protection needs to be reimagined to align with our challenges and ambitions.”

Noted researchers, journalists, and media persons were present at the virtual press conference.


মুদ্রাস্ফীতি ও প্রত্যাশিত পুনরুদ্ধারের ধীরগতির কারণে মে ২০২২ পর্যন্ত জাতীয়ভাবে অনুমিতনতুন দরিদ্রদের সংখ্যা এখনও অনেক বেশি


ঢাকা ০৫ জুন ২০২২ :


চলমান মুল্যস্ফীতির কারণে বাংলাদেশের স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো তাদের প্রকৃত  আয়, খাদ্য নিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয় খরচের ক্ষেত্রে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ফলে কোভিড-১৯’র ধাক্কা সামলে অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানো তাদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৫ জুন ২০২২ এ ইনফ্লেশন, কোপিং অ্যান্ড রিকভারি চ্যালেঞ্জেস শিরোনামের একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এমন কথা জানান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশান রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি)’র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট (বিআইজিডি)’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিন।  

পিপিআরসি-বিআইজিডি’র এক যৌথ সমীক্ষার সর্বশেষ রাউন্ড থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে এই ফলাফলগুলি উপস্থাপন করেন বক্তারা। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে গবেষণাটি শুরু হয়। শহরাঞ্চলের বস্তি ও গ্রামাঞ্চলের  বড় জনগোষ্ঠীর উপর একাধিক সমীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখার চেষ্টা করা হয় কিভাবে বাংলাদেশের স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনযাত্রায় ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট ব্যাপক ঝুঁকি তৈরি করছে। এবছরের মে মাসে প্রায় ৪,০০০ হাজার পরিবারের ওপর জরীপের পঞ্চম রাউন্ড চালানো হয়েছিল।

সেখানে দেখা যায়, দ্বিতীয় দফায় দেয়া লকডাউনের পরে মাথাপিছু দৈনিক আয় বেশ ভালোভাবে পুনরুদ্ধারিত হয়েছিল। আগস্ট ২০২১ থেকে জানুয়ারী ২০২২ পর্যন্ত আয়বৃদ্ধির এই হার ছিলো ২৭%। কিন্তু মূল্যস্ফীতির কারণে জানুয়ারি এবং মে ২০২২ এর মধ্যে এই আয় আবার ৬% কমতে শুরু করেছে। ফলে মানুষ কোভিড-পূর্বে যত আয় করত, বর্তমানে প্রকৃত  আয় সেরকম আশানুরূপ হচ্ছে না।

ড. রহমান জানান, “ঠিক কোভিড-১৯’র ধাক্কা সামলানোর সময়টিতে মূল্যস্ফীতি ঘটায় পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। মহামারীর দুবছর পর, এখনও ১৫% পরিবারের আয় মহামারী-পূর্ব আয়ের সমান হয় নি। বাংলাদেশ এখন একটি নতুন ঝুঁকির সম্মুখীন। তা হলো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় পুষ্টি ও শিক্ষার যে লক্ষ্য নির্ধারিত, সেটি পূরণ না হওয়ার আশংকা।”

দৈনিক প্রকৃত মাথাপিছু আয়ের সাম্প্রতিক পতন গ্রামীণ এলাকার (৩%) তুলনায় শহুরে বস্তিতে (৮%) তীব্র হয়েছে। কোভিড-১৯ শহুরে বস্তিতে থাকা পরিবারগুলোর জীবন-জীবিকায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছিলো। আবার গ্রামের তুলনায় শহরে আয়ের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া অনেক ধীরে এগিয়েছে। আর এখন মূল্যস্ফীতি সেই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে আরও মন্থর করেছে।

মূল্যস্ফীতির এই চাপ আরও অনেক নারীদের কাজের খোঁজে বাইরে বের হতে বাধ্য করেছে। জানুয়ারিতে সমীক্ষায় অংশ নেয়া নারীদের ৪০% আয়-সংক্রান্ত কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন। মে মাসে দেখা গেছে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২%। তবে জরীপে অংশ নেয়া ৩৬% নারী – যারা কোভিডের আগে উপার্জন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত ছিলেন, তাঁরা এখনও কর্মহীন। 

দাম বেড়ে যাওয়ায়, জরীপে অংশ নেয়া পরিবারগুলো ফেব্রুয়ারি মাস হতে খাদ্যতালিকায় থাকা মূল খাবার যেমন মাছ, মাংস, দুধ এবং ফল খাওয়া হয় খুব কমিয়ে দিয়েছে অথবা, বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, গ্রামাঞ্চলের চেয়ে শহরাঞ্চলের বস্তিতে খাবারের মান ও পরিমাণ দুটোই বেশ কমেছে। মে মাসে অর্থাভাবে প্রতি পাঁচ পরিবারে একটি পরিবার অন্তত একবেলা খাদ্যগ্রহণ করে নি।

আগস্ট ২০২১ এর সাথে যদি তুলনা করা হয়, তাহলে দেখা যায়, ২০২২ এর মে-তে আরও বেশকিছু পরিবার তাদের নিজেদের আয় ও উৎপাদনের উপর নির্ভরশীল হয়েছে। অর্থ ধার, দোকান থেকে ধারে পণ্য কেনা বা, আত্মীয়দের কাছ থেকে তারা সাহায্য নেয় নি। এটাকে ইতিবাচক পরিবর্তন বলা যেতে পারে। জরীপে অংশ নেয়া ৩৮% পরিবার জানিয়েছে, তাদের আরও টাকা প্রয়োজন ছিলো কিন্তু তারা সেটা জোগাড় করতে পারে নি। কারণ, আগে থেকেই তারা বড়ধরনের ঋণে জর্জরিত  ছিল। ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে জরীপে অংশ নেয়া দুই-তৃতীয়াংশ পরিবার খাদ্য-বহির্ভূত ব্যয় সংকোচন করেছে। আশংকার কথা হলো, এই ব্যয় সংকোচনের ভেতর চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যয়ের মত খাতও ছিল। মূল্যবৃদ্ধির সাথে খাপ খাওয়াতে এসব পরিবার কম এমনকি নিম্ন মানসম্পন্ন পণ্য দিয়ে কাজ চালিয়েছে।

গত বছরের তুলনায়, এবছর মে মাসে দারিদ্র্যসীমার উপরে ও নীচে থাকা উভয় জনগোষ্ঠীর মাঝেই ন্যায্য মূল্যে চাল কেনার পরিমাণ বেড়ে যায়। সেই সাথে টিসিবির খাদ্যপণ্য বিক্রিতেও পরিবর্তন দেখা যায়; জরীপের ৩৮% পরিবার ফেব্রুয়ারি ২০২২ হতে টিসিবি থেকে খাদ্যপণ্য  ক্রয় করে। তা সত্ত্বেও, অনেকাংশেরই চাহিদা মেটানো যায় নি। শুধু মাত্র ৫% পরিবার টিসিবির খাদ্যর প্রয়োজন নেই বলে মনে করে। জরিপ করা পরিবারের অর্ধেকের বেশি স্বীকার করে তাদের টিসিবি থেকে খাদ্যপণ্য  ক্রয় করা প্রয়োজন ছিল কিন্তু নানান কারণে কিনতে পারে নি। যেমন, কেনার সুযোগ না পাওয়া এবং টিসিবি’র পরিবার কার্ড না থাকা। এক-পঞ্চমাংশ পরিবার জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার কারণে তারা খাবার কিনতে পারে নি। যদিও সামগ্রিকভাবে টিসিবি থেকে যারা ক্রয় করেছে তাদের অভিজ্ঞতা সন্তোষজনক ছিল। এদের মাঝে দুই-তৃতীয়াংশ জানিয়েছে, তাদের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ছিলো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই গবেষণায় বোঝা যায়, শহরে এবং গ্রামে দরিদ্র পরিবারের জন্য টিসিবি এবং এধরণের অন্যান্য কর্মসূচী সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। 

অর্ধেকেরও বেশি পরিবার বিশ্বাস করে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির পেছনে সরকারের যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ও অনুশাসনের অভাব  রয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই চায়, সরকার সিন্ডিকেট এবং দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনুক। যদিও এদের এক-তৃতীয়াংশের পরামর্শ ছিলো মূল্যহ্রাস করা, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য।

গবেষণার এই পর্যায়ে  উদ্বেগজনক কিছু দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতা লক্ষ্যনীয়। প্রথমত, বিভিন্ন অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে আয়ের দিক থেকে অভিন্নতা দেখা গেছে। যারা দরিদ্র নয় এবং দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর আয় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর তুলনায় তীব্রভাবে কমেছে।  কিন্তু সেই তুলনায় দারিদ্রতা থেকে পুনরুদ্ধারের গতি বেশ মন্থর, বিশেষত দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য। দ্বিতীয়ত, জরিপে অংশগ্রহণকারী নারীদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ মহামারীর পর থেকে কর্মহীন। পরিশেষে, মে ২০২২’র সরকারী হিসাব অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতি এবং দারিদ্রের ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হওয়ায় “নতুন দরিদ্রের” হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮.৫৪ শতাংশে।

“মূল্যস্ফীতিজনিত বিপরীত ধাক্কা আরও বড় পরিসরে দীর্ঘ সংকট বয়ে আনছে,” বলেছেন ড. মতিন। তিনি আরও বলেন, “সরকারের উচিৎ এসময়ে অনানুষ্ঠানিক খাত ও দরিদ্রদের জন্য সবদিক ভেবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাতে ব্যবহার ও উৎপাদন সক্ষমতা উভয়েই বজায় থাকে। আমাদের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ ও লক্ষ্যকে ভুলে না গিয়ে সামাজিক নিরাপত্তাকে নতুনভাবে সাজানোটাও এখন প্রয়োজন।”  

বিশিষ্ট গবেষক, সাংবাদিক এবং গনমাধ্যমকর্মীগণ এই ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

Read us@googlenews


More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond