[Valid RSS]
September 25, 2022, 3:00 pm
Treanding
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

Progress for ensuring justice for Rohingyas moves at a snail pace : speakers

Bangladesh Beyond
  • Updated on Thursday, August 25, 2022
  • 97 Impressed

Progress for ensuring justice for Rohingyas moves at a snail pace : speakers

 

Dhaka 24 August 2022 :

 

Reflecting on the 5th year of influx of Rohingya people in Bangladesh, progress regarding ensuring justice for them moves at a snail pace.

Creative solutions are yet to be found, said speakers at a roundtable discussion on Tuesday.

‘Rohingya Influx: Uncertainties at Hope’, titled roundtable discussion was organized by ActionAid Bangladesh, in partnership with Centre for Peace and Justice, BRAC University and Centre for Genocide Studies, University of Dhaka. Academicians, Diplomats, Researchers, Representatives from different UN agencies, NGOs, INGOs, Media and civil society organizations joined the event. 

“Five years later there has been little progress in furthering their cause for justice and accountability despite some major decisions by the ICJ and ICC over the last couple of years’, said Manzoor Hasan OBE, Chairperson, ActionAid International Bangladesh Society, and chair of the event, during the discussion.

 “The role of UN bodies and ASEAN could have been far more robust, to say the least. The coup and current situation in Myanmar have only furthered the impunity enjoyed by the Myanmar military” he added.  

Farah Kabir, Country Director of ActionAid Bangladesh, said, “We have not seen any active and sustainable plan from national and global leadership for peaceful repatriation of the Rohingyas. Reintegration in Myanmar remains a far cry, therefore. While we all are working in the camps in Bangladesh to support Rohingya people, focus must not be shifted from ensuring their rights to return to Myanmar with safety and dignity. We must not forget no one wants to be a refugee”.

Imtiaz Ahmed, Professor International Relations and Director, Centre for Genocide Studies opined that people are getting impatient in 5 years, however, in similar refugee crisis we have seen refugees being trapped in the host country for two to three generations. He emphasized on the importance of listening to the voices of the Rohingya people and applauded the positive advancement related to Rohingya crisis made in recent time, such as Rohingyas being recognized in their own identity post ICJ declaration.

Shahnaz Huda, Professor of Dhaka University said that no Islamic state has come forward to host Rohingyas so far.

Meghna Guhathakurta, Executive Director, Research Initiatives, Bangladesh (RIB) said that any non-citizen like Rohingyas living in Bangladesh have the right to protection under the constitution of Bangladesh. It’s a reality that repatriation is going to take some time. So, while they are here we need to have creative solutions and develop communication platform between civil society organizations in different countries, including Myanmar.

Barrister Sara Hossain emphasizing on the importance of education mentioned access to education is a fundamental right. If the young generation of Rohingyas are well educated, they will have a chance to contribute to their society and ensure meaning future for themselves. Shahriar Sadat, Director of CPJ echoed with her.  

Johannes Van Der Klaauw, Regional Representative, UNHCR opined that we need to keep hope of repatriation alive. Everything that’s being done in the camps is done keeping the welfare of Rohingya’s in mind. It’s essentially a young population, so we need to continue prioritizing education, family planning and skills development. In no way the Rohingya crisis can be shifted from priority agenda of global leaders. He also mentioned about two major agreements with the government of Bangladesh regarding stipends for Rohingya volunteers and education in Myanmar curriculum for the children.

“There are many children who are deprived of their basic rights. We need to continue supporting the children. We need to remember they are not here by choice and their protection is our responsibility. We need to continue to push the authority for their return and while that’s happening we must do everything we can to prepare Rohingyas for a brighter future”, said Onno Van Manen, Country Director, Save The Children.   

Zafar Sobhan, Editor, Dhaka Tribune said, “Rohingya repatriations is not just about returning to their homeland, it must be done with dignity. We must be serious to actualize repatriation. We cannot think this to be a zero-sum game. We cannot exclude them from education, employment, training and from their rights while they are here, as it will impact both them and us in future.”

Anowara Anna Aman, Board Member, ActionAid International Bangladesh Society; Pedro Jr. Bellen, Chief Technical Adviser of ILO Skills Project Progress, International Labor Organization (ILO); Matilda Svensson, Coordinator, Humanitarian & Development Assistance, Embassy of Sweden; Peter Bellen, Chief Technical Advisor, Skills and Enterprise Development; Shaheen Anam, Executive Director, Manusher Jonno Foundation; Takiahino Utsumi, Head of VAM, Embassy of Sweden; Sobeth Ahmed, Humanitarian Programme, Australian High Commission; also spoke among others in the roundtable.

A publication titled ‘Rohingyas in Myanmar and Bangladesh’ authored by Dr. Imtiaz Ahmed, Professor International Relations and Director, Centre for Genocide Studies, University of Dhaka was also unveiled in the event.

 

 

রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে ধীর গতি

 

ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২২ :

 

বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের পাঁচ বছর হয়ে গেলেও তাদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে ধীর গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, মঙ্গলবার এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা একথা বলেন।  

একশনএইড বাংলাদেশ, সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস এবং সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ এর যৌথ উদ্যোগে ‘রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ: আশায় অনিশ্চয়তা’ শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গোলটেবিল বৈঠকে, কূটনীতিক, সুশীল সমাজ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, একাডেমিয়া, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক, মিডিয়া  এবং গবেষকদের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

“গত কয়েক বছর ধরে আইসিজে এবং আইসিসির কিছু বড় সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও পাঁচ বছর পরে তাদের ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে সামান্যই অগ্রগতি হয়েছে”, গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতির বক্তব্য রাখার সময় একশনএইড ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সোসাইটি এর চেয়ারপারসন ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়-এর সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মনজুর হাসান ওবিই। জাতিসংঘের সংস্থা এবং আসিয়ানের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হতে পারত বলে যোগ করেন তিনি।  মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান এবং বর্তমান পরিস্থিতি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দায়মুক্তি আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বলে তিনি আরও যুক্ত করেন।

একশনএইড বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, “রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন ও পুনরেকত্রীকরণের জন্য জাতীয় ও বৈশ্বিক নেতৃত্বের কোনো সক্রিয় ও শক্তিশালী পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাইনি। তাই মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পুনরেকত্রীকরণ এখন সুদূর পরাহত বিষয়। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বর্তমান প্রয়োজনে সহায়তা করার জন্য আমরা সবাই ক্যাম্পে কাজ করছি, কিন্তু তাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা থেকে মনোযোগ সরানো যাবে না। আমাদের সর্বদা মনে রাখতে হবে যে কেউ শরণার্থী হতে চায় না।”     

গোলটেবিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়র আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ  এর ডিরেক্টর ড. ইমতিয়াজ আহমেদ তার অভিমত প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, “রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ৫ বছর হয়ে যাওয়া এবং ভাগ্যের কোন ইতিবাচক পরিবর্তন না হবার ফলে তারা অধৈর্য হয়ে পড়েছেন। কিন্তু শরণার্থীদের ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন প্রজন্ম ধরে আটকে থাকার নজীর রয়েছে অনেক।” এই সংকট সমাধানে তিনি রোহিঙ্গা কেন্দ্রিক কণ্ঠস্বর শোনারও আহ্বান জানান এবং সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কিত ইতিবাচক অগ্রগতি, যেমন আইসিজে কর্তৃক ঘোষণার পর রোহিঙ্গাদের নিজস্ব পরিচয়ে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশংসা করেন।

কোনো ইসলামিক রাষ্ট্রকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে এখন পর্যন্ত এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি, বলেন গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শাহনাজ হুদা বলেন।

রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস, বাংলাদেশ (আরআইবি) এর নির্বাহী পরিচালক মেঘনা গুহঠাকুরতা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের মতো নাগরিক নয় এমন যেকোন ব্যক্তির সুরক্ষার অধিকার রয়েছে। এটি বাস্তবতা যে প্রত্যাবাসনে কিছুটা সময় লাগবে। সুতরাং, তারা এখানে থাকাকালীন আমাদের সৃজনশীল সমাধান এবং মিয়ানমার সহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক সমাজ ও  সংস্থাগুলির মধ্যে যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে।

শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার উল্লেখ করে রোহিঙ্গাদের প্রতিশ্রুতিশীল ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোকপাত করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত হলে রোহিঙ্গাদের জন্য প্রকৃত অবদান রাখতে পারা সহজ হবে বলেও জানান তিনি। তার সাথে সহমত পোষণ করে সিপিজে এর ডিরেক্টর শাহরিয়ার সাদাত।

বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিনিধি জোহানেস ভ্যান ডের ক্লাউ বলেন, “আমাদের প্রত্যাবাসনের আশা বাঁচিয়ে রাখতে হবে। ক্যাম্পে যেসকল কার্যক্রম চলছে সবই রোহিঙ্গাদের কল্যাণের কথা মাথায় রেখে করা হচ্ছে। তরুণ জনগোষ্ঠী, শিক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা এবং দক্ষতা উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কোনোভাবেই রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক নেতাদের অগ্রাধিকারের এজেন্ডা থেকে সরানো যাবে না ।” তিনি রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য উপবৃত্তি এবং শিশুদের জন্য মিয়ানমারের পাঠ্যক্রমে শিক্ষার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সাম্প্রতিক দুটি বড় চুক্তির কথাও উল্লেখ করেন।

“অনেক শিশু আছে যারা তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। আমাদের সেই শিশুদের জন্য সমর্থন অব্যাহত রাখতে হবে এবং মনে রাখতে হবে তারা এখানে স্বেচ্ছায় আসেনি। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে শিশুদের সুরক্ষা আবশ্যক। তাদের প্রত্যাবাসনের জন্য কর্তৃপক্ষকে চাপ দেওয়া চালিয়ে যেতে হবে, যতই সময় লাগুক না কেন”, সেভ দ্য চিলড্রেন-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর অনো ভ্যান ম্যানেন গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেতে গিয়ে বলেন।

“রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন মানে শুধু তাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়াই নয়, এটি হতে হবে মর্যাদার সাথে। প্রত্যাবাসন বাস্তবায়িত করার জন্য আমাদের অবশ্যই গুরুত্ব সহকারে কাজ করতে হবে। আমরা এটাকে শূন্য-সমষ্টির খেলা ভাবতে পারি না। তারা এখানে থাকাকালীন সময়ে তাদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ এবং অধিকার আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় এটি ভবিষ্যতে তাদের এবং আমাদের উভয়কেই প্রভাবিত করবে”, বলেন ঢাকা ট্রিবিউন পত্রিকার সম্পাদক জাফর সোবহান।

একশনএইড ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সোসাইটি-এর বোর্ড সদস্য আনোয়ারা আন্না আমান, আইএলও এর স্কিল প্রজেক্ট প্রগ্রেসের চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার পেড্রো জুনিয়র বেলেন, সুইডেন দূতাবাস-এর হিউমেনিট্যারিয়ান অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট  অ্যাসিসটেন্ট এর সমন্বয়ক মাটলিডা সেনসন, আইএলও-এর স্কিল অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট- এর চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার পিটার বেলেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, সুইডেন দূতাবাস এর হেড অফ ভিএম তাকিয়াহিনো উতসুমি, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন-এর হিউমেনিটারিয়ান প্রোগাম এর প্রতিনিধি সবেত আহমেদ এবং অন্যান্যরা এই গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন।   

এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ-এর ডিরেক্টর ড. ইমতিয়াজ আহমেদ কর্তৃক রচিত ‘রোহিঙ্গাস ইন মিয়ানমার অ্যান্ড বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। 

 

Read us@googlenews

 

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond