[Valid RSS]
October 1, 2022, 3:26 pm
Treanding
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

The UN Must Succeed in Putting Pressure on Myanmar : CCNF demanded

Bangladesh Beyond
  • Updated on Wednesday, August 24, 2022
  • 125 Impressed

CCNF talks on five years of Rohingya Influx

The UN Must Succeed in Putting Pressure on Myanmar: We Demand Complete Implementation of the Localization Roadmap

 

Dhaka 24 August 2022 :

Civil society leaders have expressed the opinion that the international community, including the United Nations, has completely failed to exert effective pressure on Myanmar to their country.

They said these s at a discussion meeting organized by Cox’s Bazar CSO-NGO Forum (CCNF) today. Although Bangladesh bears no responsibility for the Rohingya problem, which is completely Myanmar’s fault and is a global crisis, Bangladesh has to bear the severe responsibility of this. The responsibility for this must fall on the global communities. .

The meeting organized by CCNF, a network of around 50 local and national organizations working in Cox’s Bazar, was moderated by Rezaul Karim Chowdhury, Co-chair of the forum and Executive Director of COAST Foundation, and Abu Morshed Chowdhury, another Co-chair and Chief Executive of PHALS.

Shireen Haque of Naripokkho, Barrister Mazoor Hasan of BRAC University’s Center for Peace and Justice , Disaster Forum’s Gowher Nayeem Wahra, YPSA’s  Md. Arifur Rahman, Sheuli  Sharma of Jago Nari Unnayan Sangtsha , Md. Mujibul Rahman of  Sushilan, Sangeeta Ghosh of ACLAB  and Co-Chair of CCNF and Chief Executive of Mukti Cox’s Bazar Bimal Chandra Dey Sarkar and Member Secretary of the Network Md Jahangir Alam also spoke at the occasion.

Abu Murshed Chowdhury said, there are about 1.2 million Rohingya people living in the nation. Except for a few UN resolutions, there has been no successful effort to return them to Myanmar thus far, which has left the Rohingya population unsure and frustrated as well as the locals. To secure repatriation, formal and informal diplomacy, often known as track two diplomacy, should be prioritized.

Building female leadership among the Rohingya refugees was a priority for Sheuli Sharma. Bimal Chandra Dey Sarkar said, Nearly half of the Rohingya population, are children and young adults. This sizable population must participate in a variety of camp activities and receive technical and life skills training. This will lessen their likelihood of going astray, and even if they return to Myanmar, they will be able to establish respectable jobs. Md. Mujibur Rahman said, the construction of the camp caused harm to around 6,000 acres of mountainous terrain and 2,000 acres of forest.

A little over 2500 families working in social forestry did not get compensation. The water level is going down. Use of plastic in camps should be banned since it is such a significant problem. An Environmental Pool Fund should be created for environmental restoration. Sangeeta Ghosh said reproductive health services should be ensured for teenagers.  Md. Jahangir Alam said, the local government institutions should be involved in the planning and execution of the Rohingya program and the local organizations should take lead in carrying out operations on the ground to cut costs.

At present, the participation of local organizations in the Rohingya program is insufficient. Md. Arifur Rahman said, intelligence gathering should be intensified in the camps to prevent the formation of any new religious extremist organizations. If such groups emerge within the camp, the country will be in jeopardy. General Secretary of Ukhiya Reporters Unity, Rafiq Uddin, said that although the Rohingya camp recently got help in repairing the Rohingya houses damaged by fire, the local 14 families there did not get any help. Special attention should also be given to all affected local families.

Gowher Nayeem Wahra said that repatriation should be kept at the center of the Rohingya program. A national strategy for resettlement should be developed and the implementation progress of the plan should be regularly reviewed. Also, the communication between the civil societies of the respective countries including Bangladesh and Myanmar should be increased. Barrister Manzoor Hasan said that the international community, especially the United Nations, has failed in repatriation.

ASEAN also failed in this regard. The Rohingya crisis has become a protracted crisis, requiring regional and international initiatives. There is no alternative to implementing a localization roadmap to deal with the crisis as funding is dwindling. Shirin Haque said that until the repatriation, special programs should be implemented for the women of the Rohingya camps. Tree plantation program should be implemented in camps.

Rezaul Karim Chowdhury said that the comprehensive development program of the government is being implemented for Cox’s Bazar. Up to 70 projects totaling roughly $3.3 billion are now being carried out. The development efforts in Cox’s Bazar must be kept safe from all dangers in order to preserve the nation’s wealth. If sustainable repatriation is not assured, the Rohingya crisis could pose a serious threat to Cox’s Bazar and the entire nation.

 

 

রোহিঙ্গা আগমনের পাঁচ বছর পূর্তিতে সিসিএনএফ’র আলোচনা সভা

মায়ানমারের উপর চাপ তৈরিতে জাতিসংঘকে সফল হতেই হবে : রোহিঙ্গা কর্মসূচি কার্যকর করতে লোকালাইজেশন রোডম্যাপ বাস্তবায়ন চাই

 

ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২২ :

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে মায়ানমারের উপর কার্যকর চাপ প্রয়োগে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পুরোপুরি ব্যর্থ বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ। আজ কক্সবাজার সিএসও-এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ)-এর পক্ষ থেকে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তাঁরা এসব কথা বলেন। তাঁরা আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের দায় পুরোটাই মায়ানমারের, এটি একটি আন্তর্জাতিক সংকট, অথচ কোনও রকম দায় না থাকার পরেও এই সংকটের দায়ভার বহন করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। এর দায়ভার বিশ্ববাসীকে নিতে হবে।

কক্সবাজারে কর্মরত প্রায় ৫০টি স্থানীয় ও জাতীয় সংস্থার নেটওয়ার্ক সিসিএনএফ আয়োজিত সভাটি সঞ্চালনা করেন ফোরামের কো-চেয়ার ও কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী এবং আরেকজন কো-চেয়ার ও পালসের প্রধান নির্বাহী আবু মোর্শেদ চৌধুরী। এতে আরও বক্তৃতা করেন নারী পক্ষের শিরীন হক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পিস এন্ড জাস্টিস’র ব্যারিস্টার মানজুর হাসান, ডিজাস্টার ফোরামের নঈম গওহর ওয়াহরা, ইপসা’র মো. আরিফুর রহমান, জাগো নারী উন্নয়ন সংস্থার শিউলি শর্মা, সুশীলনের মো. মজিুবর রহমান, একলাবের সঙ্গীতা ঘোষ এবং সিসিএনএফ’র কো-চেয়ার এবং মুক্তি কক্সবাজার’র প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকার ও নেটওয়ার্কটির সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম।

আবু মুর্শেদ চৌধুরী বলেন, দেশে রোহিঙ্গার সংখ্যা এখন প্রায় ১২ লাখ বলে জানা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের কয়েকটি রেজুলেশন ছাড়া এদেরকে মায়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার কার্যকর কোনও উদ্যোগ নেই, এতে করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে অনিশ্চয়তা ও হতাশা কাজ করছে, একই ধরনের হতাশা আছে স্থানীয়দের মধ্যেও। প্রত্যাবসন নিশ্চিত করতে প্রথাগত কূটনীতির পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক কূটনীতি বা ট্র্যাক টু ডিপ্লোম্যাসির প্রতি জোর দিতে হবে। শিউলী শর্মা রোহিঙ্গা শিবিরে নারী নেতৃত্ব তৈরির উপর জোর দেন। বিমল চন্দ্র দে সরকার বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রায় ৫০ ভাগই শিশু-যুব সমাজ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে ক্যাম্পের ভিতর বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যস্ত রাখতে হবে, কারিগরি ও জীবন দক্ষতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এতে করে তাঁদের বিপথে যাওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং তাঁরা মায়ানমারে ফিরে গেলেও সম্মানজনক কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবে। মো. মুজিবুর রহমান বলেন, শিবির তৈরি করতে গিয়ে প্রায় ৬ হাজার একর পাহাড় এবং ২ হাজার একর বনভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামাজিক বনায়নে সম্পৃক্ত প্রায় আড়াই হাজার পরিবার কোনও ক্ষতিপূরণ পায়নি। পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। প্লাস্টিক একটা বড় সংকট, সকল প্লাস্টিক শিবিরে নিষিদ্ধ করতে হবে। পরিবেশ পুনরুদ্ধারে একটি বিশেষ তহবিল তৈরি করতে হবে। সঙ্গীতা ঘোষ বলেন, কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে। মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রোহিঙ্গা কর্মসূচির পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করতে হবে, স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিতে হবে, এতে করে খরচ কমিয়ে আনা যাবে। বর্তমানে রোহিঙ্গা কর্মসূচিতে স্থানীয় সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণ অপ্রতুল। মো. আরিফুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গা শিবিরে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়াতে হবে যাতে করে কোনও গোষ্ঠী ধর্মীয় মৌলবাদী দল তৈরি করতে না পারে। ক্যাম্পে মেীলবাদী দল তৈরি হলে তা দেশের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এছাড়াও উখিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন বলেন, রোহিঙ্গা শিবিরে সম্প্রতি অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা ঘরগুলো মেরামতে সহযোগিতা পেলেও, সেখানে থাকা স্থানীয় ১৪টি পরিবার কোনও সহযোগিতা পায়নি। ক্ষতিগ্রস্ত সকল স্থানীয় পরিবারের প্রতিও বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে।

গওহর নঈম ওয়াহরা বলেন, প্রত্যাবসনকেই রাখতে হবে রোহিঙ্গা কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রত্যাবসনের জন্য একটি জাতীয় কৌশলপত্র তৈরি করতে হবে এবং নিয়মিতভাবে সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন অগ্রগতি যাচাই করে দেখতে হবে। এছাড়াও বাংলাদেশ ও মায়ানমারসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিক সমাজগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। ব্যরিস্টার মানজুর হাসান বলেন, প্রত্যাবসনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘের বড় ব্যর্থতা আছে। এক্ষেত্রে ব্যর্থ আসিয়ানও। রোহিঙ্গা সংকট একটি দীর্ঘায়িত সংকটে পরিণত হয়ে গেছে, তাই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ প্রয়োজন। সংকট মোকাবেলায় অর্থ সহায়তা কমছে, এটা মোকাবেলায় লোকালাইজেশন রোডম্যাপ বাস্তবায়নের কোনও বিকল্প নাই। শিরীন হক বলেন, প্রত্যাবসনের আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গা শিবিরের নারীদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। শিবিরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।

রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, কক্সবাজারের জন্য সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রায় ৩.৩ বিলিয়ন ডলারের ৭০টির মতো প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। দেশের এই সম্পদ রক্ষায়, কক্সবাজারের উন্নতির প্রচেষ্টাকে সকল ধরনের হুমকি থেকে মুক্ত রাখতে হবে। টেকসই প্রত্যাবসন নিশ্চিত করতে না পারলে কক্সবাজারের জন্য, দেশের জন্য বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে এই রোহিঙ্গা সংকট।

 

Read us@googlenews

 

Social

More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond