[Valid RSS]
September 22, 2023, 4:57 am
GIZ Bangladesh’s training held on SDG localisation in Khulna ছোটদের সহজ প্রোগ্রামিং শিক্ষায় প্রকাশিত হল বাংলা স্ক্র্যাচ বই Ditching Russian gas no way to reach climate goals : Putin চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি সমাপ্ত Samsung brings month-long smartphone campaign On September 6–7, Vladimir Putin will make working trip to Vladivostok Two Russian embassy workers killed in ‘suicide bombing’ Shocked & devastated by the horrific attacks : Justin Trudeau  SSC, equivalent exams begin Sept 15: Dipu Moni Ten killed in Canadian stabbing spree Russia wants UN to pressure US : media Daraz Bangladesh Anniversary Campaign – Now LIVE! realme offers upto BDT 3400 off on occasion of Daraz’s 8th anniversary General Pharmaceuticals employees will receive insurance from MetLife চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুলে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রচারনা কর্মসূচি শুরু Bangladesh a secular country, immediate action is taken whenever minorities are attacked: PM  Two more mortar shells from Myanmar land in Bangladesh OPPO launches killer device A57 in 15-20K price range ShareTrip and Grameenphone join hands to offer exciting travel privileges ড্যাপ ২০২২-২০৩৫ এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী বিআইপির

USAID-funded Research Fellows Finds Multifaceted Approach to Tuberculosis Control is Needed

Bangladesh Beyond
  • Updated on Thursday, August 25, 2022
  • 234 Impressed

USAID-funded Research Fellows Finds Multifaceted Approach to Tuberculosis Control is Needed


Research found that combating tuberculosis effectively in Bangladesh requires more attention to screening and case follow-up, virtual care and digital health, community awareness, and training of healthcare workers


DHAKA August 25 2022 :


Today, the United States Agency for International Development (USAID) Alliance for Combating TB in Bangladesh (ACTB) activity, implemented by icddr,b, held an event for fellows to share their preliminary tuberculosis (TB) research.

The event was graced by the Chief Guest Dr. Md. Anwar Hossain Howlader, Secretary, Health Services Division, Ministry of Health and Family Welfare (MOHFW), and attended by Ms. Miranda Beckman, Acting Office Director, Office of Population, Health and Nutrition USAID/Bangladesh; Dr. Tahmeed Ahmed, Executive Director, icddr,b and Dr. Firdausi Qadri, Senior Director, Infectious Diseases Division, icddr,b.

Dr. Azizur Rahman Sharaque, MBBS, MPH, BSMMU was one of the four fellows who presented his findings on the prevalence of drug-sensitive and drug-resistant TB among household contacts of multidrug-resistant TB (MDR-TB) patients in Dhaka.

In a cross-sectional study, from November 2020 to October 2021 the researcher interviewed 355 household contacts of 93 MDR-TB patients in Dhaka.

It was found that 9.9% of household contacts had TB-like symptoms and subsequently 6.7% were diagnosed with TB. Moreover, screening 178 household contacts of MDR-TB patients could result in detection of one person with TB.



Dr. Fariha Alam Mihika, MBBS, MPH, BSMMU presented her study on the impact of the COVID-19 pandemic on pulmonary TB control services in selected areas of Dhaka. In a cross-sectional study conducted between November and December 2021, the researcher interviewed service providers and TB patients from six upazila health complexes.

She found that TB screening was significantly affected (between 16%-35%) and service receivers reported a lack of transportation (95%) due to the national lockdown and fear of getting COVID-19 (77%) as major challenges for screening. There were many challenges for the service providers, including lack of human resources, increased workload, and being infected with COVID-19.

Dr. Md. Imtiaz Uddin, MBBS, MPH, NIPSOM presented his study on the barriers to the detection of childhood tuberculosis in Dhaka. In a qualitative study, the researcher interviewed 32 children with TB, their parents, and service providers.

The study revealed that major barriers to the detection of childhood TB include social stigma, misconception and lack of knowledge in the community about childhood TB, insufficient contact investigation, limited availability of testing, inadequate human resources and financial constraints.

Ms. Momtaz Begum, MPH, NIPSOM presented her study on the knowledge and attitude of healthcare workers and patients on MDR-TB. From January to December 2021, in a cross-sectional study, the researcher interviewed 232 participants comprising 101 healthcare workers and 131 patients.

The study revealed that 93% of doctors had good knowledge of MDR-TB, while about 69% of nurses and 82% of patients had a fair knowledge of the issue.

On the occasion, Dr. Md Anwar Hossain Howlader lauded icddr,b-led ACTB’s fellowship initiative, and also appreciated the researchers for their efforts. He said, “These researches highlight the importance of conducting research and translation of research findings in program delivery.

This will, in turn, help us achieve the SDG goals and improve TB situation in Bangladesh.”


In her remarks, Ms. Miranda Beckman said, “There is a lot of stigma around TB. This is great to see researchers’ findings such as raising awareness, detecting and treating TB can reduce mortality.

Look at the speed of COVID-19 vaccine, treatment, all the research and new knowledge that came out due to all the attention directed to COVID-19. We can do that to TB if we can invest that level of funding, interest and attention to TB.”



Dr. Tahmeed Ahmed commended the work of the fellows and emphasized the importance of fellowship. He said, “This fellowship motivates health professionals to do more research on TB. It also   mentors and nurtures future researchers so that they can conduct medical research independently in future.”

The studies are the outcome of a collaboration between icddr,b-led USAID’s ACTB, BSMMU, and NIPSOM.

Four fellowships were awarded to post-graduate physicians/students conducting their research/theses on tuberculosis. It offered a unique opportunity to prepare next-generation researchers on TB issues.

The event was well attended by representatives from the National Tuberculosis Control Programme (NTP), USAID, BSMMU, NIPSOM, media, icddr,b, and other TB stakeholders in Bangladesh.



যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে বহুমুখী পদক্ষেপ প্রয়োজনইউএসএআইডি অর্থায়নে পরিচালিত ফেলোশিপ গবেষণার ফলাফল


গবেষণায় দেখা গেছে যে, বাংলাদেশে কার্যকরভাবে যক্ষ্মা মোকাবেলায় স্ক্রিনিং এবং কেস ফলোআপ, ভার্চুয়াল কেয়ার ডিজিটাল স্বাস্থ্য, কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের প্রশিক্ষণের দিকে আরও মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।


ঢাকা ২৫ আগস্ট ২০২২ :


আইসিডিডিআর,বি পরিচালিত ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) অ্যালায়েন্স ফর কমব্যাটিং টিবি ইন বাংলাদেশ (এসিটিবি) কার্যক্রম আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে আজ ফেলো গবেষকবৃন্দ তাঁদের যক্ষ্মা বিষয়ক গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল তুলে ধরেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মু: আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আরও উপস্থিত ছিলেন মিস মিরান্ডা বেকমেন, ইউএসএআইডি’র জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক; ডা. তাহমিদ আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক, আইসিডিডিআর,বি এবং ডা. ফেরদৌসী কাদরী, সিনিয়র ডিরেক্টর, ইনফেকসাস ডিজিসেস ডিভিশন, আইসিডিডিআর,বি

ডা. আজিজুর রহমান শারাক, এমবিবিএস, এমপিএইচ, বিএসএমএমইউ ঢাকায় বসবাসকারী ঔষধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা রোগীদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে ঔষধ সংবেদনশীল এবং ঔষধ প্রতিরোধী যক্ষ্মার প্রাদুর্ভাবের উপর তাঁর গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন।

নভেম্বর ২০২০ থেকে অক্টোবর ২০২১ সালের  মধ্যে পরিচালিত এই ক্রস-সেকশনাল পদ্ধতির গবেষণায় তিনি ঢাকায় ৯৩ জন ঔষধ-প্রতিরোধী যক্ষ্মা রোগীর পরিবারের মোট ৩৫৫ জন সদস্যদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন।

গবেষণায় পাওয়া যায়, ৯.৯% পরিবারের সদস্যদের যক্ষ্মার লক্ষণ ছিল এবং পরবর্তীকালে ৬.৭% জনের যক্ষ্মা ধরা পড়ে। উল্লেখ্য যে, ঔষধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা রোগীর পরিবারের ১৭৮ জন সদস্যকে স্ক্রিনিং করে ১ জন যক্ষ্মা রোগী পাওয়া গেছে।

ডা. ফারিহা আলম মিহিকা, এমবিবিএস, এমপিএইচ, বিএসএমএমইউ ঢাকার নির্দিষ্ট এলাকায় ফুসফুসীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ পরিষেবার উপর কোভিড-১৯ মহামারীর প্রভাব বিষয়ক গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন। তিনি ছয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবাদানকারী ও যক্ষ্মা রোগীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এবং ২০২১ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর সময়সীমার মধ্যে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে একটি ক্রস-সেকশনাল গবেষণা সম্পন্ন করেন।

গবেষণায় দেখা যায় যে, কোভিড-১৯ এর কারণে যক্ষ্মা স্ক্রিনিং উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত হয় (১৬%-৩৫%)। সেবাগ্রহীতারা লকডাউনের কারণে সৃষ্ট পরিবহন সংকট (৯৫%) এবং কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হবার ঝুঁকির বিষয়কে প্রধানতম সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবাদানকারীর অভাব, কাজের চাপ বৃদ্ধি এবং কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়গুলো স্বাস্থ্যসেবাদানকারীদের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়।

ঢাকায় শিশু যক্ষ্মা সনাক্তকরণের প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে গবেষণা করেন ডা. মোঃ ইমতিয়াজ উদ্দিন, এমবিবিএস, এমপিএইচ, নিপসম। একটি কোয়ালিটিটিভ গবেষণায় তিনি যক্ষ্মা আক্রান্ত শিশু, তাদের পিতামাতা এবং স্বাস্থ্যসেবাদানকারী সবমিলিয়ে ৩২ জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক ও প্রচলিত স্টিগমা, ভুল ধারণা এবং শিশু যক্ষ্মা সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব, অপ্রতুল কন্ট্যাক্ট ইনভেস্টিগেশন, রোগ নির্ণয়ে সীমাবদ্ধতা, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবাদানকারী এবং অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা শিশু যক্ষ্মা সনাক্তকরণের বাধাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

মমতাজ বেগম, এমপিএইচ, নিপসম স্বাস্থ্যসেবা কর্মী এবং রোগীদের মাঝে ঔষধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা বিষয়ক জ্ঞান ও মনোভাব সম্পর্কিত গবেষণা উপস্থাপন করেন। ২০২১ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর সময়সীমার মধ্যে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে তিনি একটি ক্রস-সেকশনাল গবেষণা সম্পন্ন করেন।

এই গবেষণায় তিনি ২৩২ জন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যার মধ্যে ১০১ জন স্বাস্থ্যসেবা কর্মী ও ১৩১ জন রোগী। সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, ৯৩% চিকিৎসক ঔষধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা বিষয়টি সম্পর্কে ভাল জ্ঞান রাখেন। আর প্রায় ৬৯% নার্স এবং ৮২% রোগী এই বিষয় সম্পর্কে মোটামুটি জ্ঞান রাখেন।

অনুষ্ঠানে ড. মু: আনোয়ার হোসেন হাওলাদার আইসিডিডিআর,বি পরিচালিত এসিটিবি ফেলোশিপ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং গবেষকদের তাদের প্রচেষ্টার জন্য সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন, “আজকের উপস্থাপিত গবেষণাগুলো থেকে আমরা দেখলাম, গবেষণা করার পাশাপাশি গবেষণালব্ধ ফলাফল আমাদের কার্যক্রমসমূহে বাস্তবায়ন করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

এর মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও বাংলাদেশের যক্ষ্মা পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব হবে।”মিস মিরান্ডা বেকমেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “যক্ষ্মাকে ঘিরে অনেক সামাজিক ভুল ধারণা/স্টিগমা রয়েছে। যক্ষ্মা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, সনাক্ত ও চিকিৎসার মাধ্যমে যক্ষ্মায় মৃত্যুহার কমানো যায়, তা এই গবেষণাগুলোতে উঠে এসেছে। 

কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন, চিকিৎসা, এ বিষয়ক নানা গবেষণা ও নতুন জ্ঞান উদ্ভাবন – এ সবই সম্ভব হয়েছে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির প্রতি আমাদের গুরুত্বারোপের ফলে। যক্ষ্মার ক্ষেত্রেও এসব ফলাফল পাওয়া যেতে পারে যদি যক্ষ্মা নির্মূলে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ, আগ্রহ ও মনযোগ দেয়া যায়। “ডা. তাহমিদ আহমেদ ফেলোদের কাজের প্রশংসা করেন এবং তাদের গবেষণালব্ধ ফলাফলের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, “এই ফেলোশীপটি  স্বাস্থ্যসেবায় কর্মরত পেশাজীবিদের যক্ষ্মা গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে সহায়তা করছে। উদ্যোগটি তরুণ গবেষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে যাতে ভবিষ্যতে তাঁরা সতন্ত্রভাবে চিকিৎসা গবেষণা করতে পারে।

“আইসিডিআর,বি পরিচালিত ইউএসএআইডি’স এসিটিবি, বিএসএমএমইউ এবং নিপসম-এর সমন্বিত উদ্যোগে চারজন স্নাতকোত্তর চিকিৎসক/শিক্ষার্থীদের যক্ষ্মা বিষয়ক গবেষণা/থিসিস সম্পন্নের জন্য এই ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।

এই উদ্যোগটি যক্ষ্মা সম্পর্কিত গবেষণার জন্য নতুন প্রজন্মের গবেষকদের একটি অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে। অনুষ্ঠানে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি, ইউএসএআইডি, বিএসএমএমইউ, নিপসম, গণমাধ্যম, আইসিডিডিআর,বি এবং বাংলাদেশে যক্ষ্মা নিয়ে কর্মরত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


Read us@googlenews


More News
© Copyright: 2020-2022

Bangladesh Beyond is an online version of Fortnightly Apon Bichitra 

(Reg no: DA 1825)

Developed By Bangladesh Beyond